ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল কিশোরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম সংসদ থেকে ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ দায়িত্বের বাইরে কেউ যেন মন্তব্য না করে : প্রধানমন্ত্রী সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চাই যুদ্ধের মধ্যেই সেনাদের জানাজায় লাখো ইরানির ঢল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে : ডিএসসিসি প্রশাসক প্রথম অধিবেশন ঘিরে অতিথিদের প্রবেশ ও গাড়ি পার্কিং নির্দেশনা ইরাকের মাটির নীচে ইরানের ‘মিসাইল সিটি’

গাজীপুরে বাসার ভিতর ইয়াবার কারখানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার

গাজীপুরে বাসার ভিতর গড়ে তোলা ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। উদ্ধার করা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও তৈরির যন্ত্রপাতি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৌহিদুল ইসলাম (৩২) নামে এক যুবককে। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তা থানার বড়বাড়ী কাজীবাড়ী পূর্বপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় টঙ্গী থানায় মামলা হয়েছে। মামলার বাদী উপপরিদর্শক মো. আবু নাসের। ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ভোর পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। বড়বাড়ী এলাকার ২৪/এ নম্বর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আমরা রীতিমতো চমকে উঠি। কারণ সেটা শুধু ঘরই ছিল না, ছিল রীতিমতো ল্যাবরেটরি। ঘরের ভিতরেই সাজানো ছিল ইয়াবা তৈরির সরঞ্জাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে দুটি জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেট থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘরের ভিতর রাখা ২২টি প্যাকেট থেকে আরও ৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। যার ওজন ৪৮৯ গ্রাম। এই কারখানার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।’ জানা গেছে, বড়বাড়ী এলাকার এ ঘরটি ব্যবহার করা হচ্ছিল ছোট আকারের উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে। ইয়াবা তৈরির কাঁচামালের একটি অংশ আনা হতো মিয়ানমার থেকে। বাকিগুলো স্থানীয় মার্কেট থেকে সংগ্রহ করতেন তৌহিদুল। জব্দ কাঁচামাল দিয়ে অন্তত ২০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উৎপাদন করা সম্ভব ছিল। ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল শেষ হয়ে এলে ৫০০ পিস ইয়াবা গুঁড়া মিক্সিং করে তৌহিদুল ৫ হাজার ইয়াবা বড়ি তৈরি করে ফেলতেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। জব্দ করা হয়েছে ট্যাবলেট তৈরির ছাঁচ, রাসায়নিক মিশ্রণের উপকরণ, বিপুল পরিমাণ সাদা পাউডার, পলিপ্যাকেট, মোড়কজাত করার সরঞ্জাম, ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র, মোবাইল ফোন সেট ও নগদ অর্থ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: মির্জা ফখরুল

গাজীপুরে বাসার ভিতর ইয়াবার কারখানা

আপডেট টাইম : ১২:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজীপুরে বাসার ভিতর গড়ে তোলা ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। উদ্ধার করা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও তৈরির যন্ত্রপাতি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৌহিদুল ইসলাম (৩২) নামে এক যুবককে। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তা থানার বড়বাড়ী কাজীবাড়ী পূর্বপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় টঙ্গী থানায় মামলা হয়েছে। মামলার বাদী উপপরিদর্শক মো. আবু নাসের। ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ভোর পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। বড়বাড়ী এলাকার ২৪/এ নম্বর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আমরা রীতিমতো চমকে উঠি। কারণ সেটা শুধু ঘরই ছিল না, ছিল রীতিমতো ল্যাবরেটরি। ঘরের ভিতরেই সাজানো ছিল ইয়াবা তৈরির সরঞ্জাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে দুটি জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেট থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘরের ভিতর রাখা ২২টি প্যাকেট থেকে আরও ৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। যার ওজন ৪৮৯ গ্রাম। এই কারখানার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।’ জানা গেছে, বড়বাড়ী এলাকার এ ঘরটি ব্যবহার করা হচ্ছিল ছোট আকারের উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে। ইয়াবা তৈরির কাঁচামালের একটি অংশ আনা হতো মিয়ানমার থেকে। বাকিগুলো স্থানীয় মার্কেট থেকে সংগ্রহ করতেন তৌহিদুল। জব্দ কাঁচামাল দিয়ে অন্তত ২০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উৎপাদন করা সম্ভব ছিল। ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল শেষ হয়ে এলে ৫০০ পিস ইয়াবা গুঁড়া মিক্সিং করে তৌহিদুল ৫ হাজার ইয়াবা বড়ি তৈরি করে ফেলতেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। জব্দ করা হয়েছে ট্যাবলেট তৈরির ছাঁচ, রাসায়নিক মিশ্রণের উপকরণ, বিপুল পরিমাণ সাদা পাউডার, পলিপ্যাকেট, মোড়কজাত করার সরঞ্জাম, ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র, মোবাইল ফোন সেট ও নগদ অর্থ।