ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৮ বার

নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের দাবি উঠেছে। ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব ও আলোচিত উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি চিঠির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তিনি জানান, সংগঠনের আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিলের স্বাক্ষরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তনি দাবি করেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলটির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময়ে নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না- এমন অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি দলটির ঘোষিত নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তনি বলেন, এ ধরনের অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮–এ বর্ণিত সমতা ও বৈষম্যবিরোধী বিধানের পরিপন্থী। তার দাবি, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে তাদের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর অংশগ্রহণের অধিকার খর্ব করা অসাংবিধানিক আদর্শের বহিঃপ্রকাশ। তারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়। নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

নারী নেতৃত্ব ও সাংবিধানিক সমতার প্রশ্নে এই দাবি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। তবে সংগঠনটি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা এ বিষয়ে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি

আপডেট টাইম : ১২:১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের দাবি উঠেছে। ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব ও আলোচিত উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি চিঠির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তিনি জানান, সংগঠনের আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিলের স্বাক্ষরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তনি দাবি করেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলটির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময়ে নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না- এমন অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি দলটির ঘোষিত নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তনি বলেন, এ ধরনের অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮–এ বর্ণিত সমতা ও বৈষম্যবিরোধী বিধানের পরিপন্থী। তার দাবি, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে তাদের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর অংশগ্রহণের অধিকার খর্ব করা অসাংবিধানিক আদর্শের বহিঃপ্রকাশ। তারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়। নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

নারী নেতৃত্ব ও সাংবিধানিক সমতার প্রশ্নে এই দাবি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। তবে সংগঠনটি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা এ বিষয়ে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করবে।