ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল নকলের মতো মাদক-সন্ত্রাস-কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী রোজার শুরুতেই মাছ-মাংসের বাজারে আগুন মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মজুত যথেষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি একুশে ফেব্রুয়ারিতে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার ছায়া মন্ত্রিসভার সুফল পেতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জরুরি ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ছেন কবে, সম্ভাব্য সময় জানা গেল

পে-স্কেল বাস্তবায়ন কবে, যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে সেটি দেখতে হবে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলে নতুন অর্থমন্ত্রী।

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এটা আমাদের দেখতে হবে, আমি তো না দেখে বলতে পারব না। টোটাল এমাউন্ট কত, এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি সাউথ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি সকল মানুষের জন্য হতে হবে। দেশের সকল জনগণের অংশগ্রহন থাকবে এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। সকল পর্যয়ের, সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত করতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। দেশের অর্থনীতিতে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকতে হবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের যাতে সুযোগ থাকে অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং অর্থনীতির সুফল যাতে তাদের কাছে যায়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে জনগণের মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনের সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেখানে খারাপ অবস্থা রয়েছে সেগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইনস্টিটিউশনগুলোকে রিকভার করতে হবে। ইনস্টিটিউশনগুলোর মধ্যে প্রফেশনালিজম আনতে হবে, স্বচ্ছতা আনতে হবে, এফিশিয়েন্সি আনতে হবে।

তিনি বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে পরিনত করতে হবে। এটা সফলভাবে করতে হলে আমাদের ডিরেগুলেশন করতে হবে। লিবারলাইজেশন করতে হবে। অমরা শুধু ম্যানুফেচারিং নির্ভর অর্থনীতিতে না থেকে এটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশাকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশাকে সম্পৃক্ত করার উদাহরণ দিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বরিশালের সাধারণ একটি শীতলপাটির দাম ৬০০ বা ৭০০ টাকা। শীতলপাটির কারিগরদের যদি কারুপ্রশিক্ষণ, ঋণ, অনলাইন মার্কেটিং এসকল সুযোগ তৈরি করে দেওয়া যায়, তাহলে তারা বিভিন্ন ডিজাইনের পাটি ও নানা রকমের সামগ্রি তৈরি করতে পারবে এবং এটার বিশাল মার্কেট তৈরি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু

পে-স্কেল বাস্তবায়ন কবে, যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে সেটি দেখতে হবে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলে নতুন অর্থমন্ত্রী।

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এটা আমাদের দেখতে হবে, আমি তো না দেখে বলতে পারব না। টোটাল এমাউন্ট কত, এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি সাউথ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি সকল মানুষের জন্য হতে হবে। দেশের সকল জনগণের অংশগ্রহন থাকবে এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। সকল পর্যয়ের, সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত করতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। দেশের অর্থনীতিতে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকতে হবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের যাতে সুযোগ থাকে অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং অর্থনীতির সুফল যাতে তাদের কাছে যায়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে জনগণের মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনের সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেখানে খারাপ অবস্থা রয়েছে সেগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইনস্টিটিউশনগুলোকে রিকভার করতে হবে। ইনস্টিটিউশনগুলোর মধ্যে প্রফেশনালিজম আনতে হবে, স্বচ্ছতা আনতে হবে, এফিশিয়েন্সি আনতে হবে।

তিনি বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে পরিনত করতে হবে। এটা সফলভাবে করতে হলে আমাদের ডিরেগুলেশন করতে হবে। লিবারলাইজেশন করতে হবে। অমরা শুধু ম্যানুফেচারিং নির্ভর অর্থনীতিতে না থেকে এটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশাকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশাকে সম্পৃক্ত করার উদাহরণ দিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বরিশালের সাধারণ একটি শীতলপাটির দাম ৬০০ বা ৭০০ টাকা। শীতলপাটির কারিগরদের যদি কারুপ্রশিক্ষণ, ঋণ, অনলাইন মার্কেটিং এসকল সুযোগ তৈরি করে দেওয়া যায়, তাহলে তারা বিভিন্ন ডিজাইনের পাটি ও নানা রকমের সামগ্রি তৈরি করতে পারবে এবং এটার বিশাল মার্কেট তৈরি হবে।