ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল নকলের মতো মাদক-সন্ত্রাস-কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী রোজার শুরুতেই মাছ-মাংসের বাজারে আগুন মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মজুত যথেষ্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ৩ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি একুশে ফেব্রুয়ারিতে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার ছায়া মন্ত্রিসভার সুফল পেতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জরুরি ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ছেন কবে, সম্ভাব্য সময় জানা গেল

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী কিশোরগঞ্জ–৬ আসনের শরীফুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন কিশোরগঞ্জ–৬ আসনের প্রার্থী মো. শরীফুল আলম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা আতাউল্লাহ আমীন। তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।

কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে এবার মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮০৪ জন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে এই আসনে মোট ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৯০ জন। ভোট পড়ার হার ৫৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

শরীফুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা। পাশাপাশি তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

এদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন টাঙ্গাইল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুস সালাম পিন্টু। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪২ ভোট বেশি ভোট পেয়েছেন। এই আসনে আবদুস সালাম পিন্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও মিত্র দলগুলোর ২১২ জন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। আর জামায়াত ও এর মিত্র দলের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৭৭টি আসনে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৭ জন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আই হ্যাভ এ প্ল্যান” সরকারের প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী কিশোরগঞ্জ–৬ আসনের শরীফুল

আপডেট টাইম : ০১:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন কিশোরগঞ্জ–৬ আসনের প্রার্থী মো. শরীফুল আলম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা আতাউল্লাহ আমীন। তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।

কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে এবার মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮০৪ জন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে এই আসনে মোট ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৯০ জন। ভোট পড়ার হার ৫৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

শরীফুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা। পাশাপাশি তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

এদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন টাঙ্গাইল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুস সালাম পিন্টু। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪২ ভোট বেশি ভোট পেয়েছেন। এই আসনে আবদুস সালাম পিন্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও মিত্র দলগুলোর ২১২ জন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। আর জামায়াত ও এর মিত্র দলের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৭৭টি আসনে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৭ জন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।