ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬০ জন রোগী এসেছে, কেউ গুলিবিদ্ধ ছিল না: ঢামেক পরিচালক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৫ বার

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৬০ জন রোগী পেয়েছি, তবে কোনো গুলিবিদ্ধ ও পিলেট ইনজুরির রোগী পাইনি’।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সারে ৮টার দিকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মতো রোগী রিসিভ করেছি। এখনও রোগী আসছে। এ রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। তাদের স্কাল্ব ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি, এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ইনজুরি আছে, যেটা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এ ছাড়া অনেকের ইনহেলেশন ইনজুরি আছে, যেটা টিয়ারসেলের কারণে হয়েছে। আমরা অক্সিজেন দিয়ে তাদের মোটামুটি সুস্থ করেছি। তবে কোনো রোগী আমরা এখনও ভর্তি করি নাই।

পরিচালক বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগী ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সমস্যা হলো, ক্রাউড কন্ট্রোল। আমাদের ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছে, আমি নিজে উপস্থিত আছি। আমাদের চিকিৎসক, নার্সের কোনো স্বল্পতা নাই। ক্রাউড ম্যানেজ করা খুবই মুশকিল। কেউ কথা শুনতে চায় না এটা একটা বড় সমস্যা। জরুরি বিভাগ আমরা বৃদ্ধি করেছি। যাতে আমরা ২৫ জন রোগী একসঙ্গে চিকিৎসা দিতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো, এক রোগীর সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ জন আসে। তখন সেবা দিতে সমস্যায় পড়তে হয়। আমরা চেষ্টা করছি, এরমধ্যে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে। আমরা জুলাইয়ে অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। আমাদের যে চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ রয়েছে চিকিৎসা দিতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ জন রোগী এসেছে, কেউ গুলিবিদ্ধ ছিল না: ঢামেক পরিচালক

আপডেট টাইম : ১০:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৬০ জন রোগী পেয়েছি, তবে কোনো গুলিবিদ্ধ ও পিলেট ইনজুরির রোগী পাইনি’।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সারে ৮টার দিকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মতো রোগী রিসিভ করেছি। এখনও রোগী আসছে। এ রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। তাদের স্কাল্ব ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি, এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ইনজুরি আছে, যেটা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এ ছাড়া অনেকের ইনহেলেশন ইনজুরি আছে, যেটা টিয়ারসেলের কারণে হয়েছে। আমরা অক্সিজেন দিয়ে তাদের মোটামুটি সুস্থ করেছি। তবে কোনো রোগী আমরা এখনও ভর্তি করি নাই।

পরিচালক বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগী ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সমস্যা হলো, ক্রাউড কন্ট্রোল। আমাদের ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছে, আমি নিজে উপস্থিত আছি। আমাদের চিকিৎসক, নার্সের কোনো স্বল্পতা নাই। ক্রাউড ম্যানেজ করা খুবই মুশকিল। কেউ কথা শুনতে চায় না এটা একটা বড় সমস্যা। জরুরি বিভাগ আমরা বৃদ্ধি করেছি। যাতে আমরা ২৫ জন রোগী একসঙ্গে চিকিৎসা দিতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো, এক রোগীর সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ জন আসে। তখন সেবা দিতে সমস্যায় পড়তে হয়। আমরা চেষ্টা করছি, এরমধ্যে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে। আমরা জুলাইয়ে অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। আমাদের যে চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ রয়েছে চিকিৎসা দিতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।