ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নতুন পিপি নিয়োগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩২ বার

Oplus_16908288

পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ্ কামালের নিয়োগে পরিবার ও আইন অঙ্গনে আনন্দ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ্ কামাল।

এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের আইন অঙ্গনসহ তাঁর পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে এ নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

অ্যাডভোকেট মো. শাহ্ কামাল ২০০২ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা বারে যোগদান করেন। তার আগে প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বার কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত হন। তাঁর আইনি শিক্ষাজীবনের পেছনে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী সংগ্রাম ও পারিবারিক দূরদর্শিতার গল্প।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানকালে তাঁর পিতা মরহুম হাজী আব্দুল মালেক সরকার নিজ উদ্যোগে ঢাকায় গিয়ে সকল একাডেমিক সনদ সংগ্রহ করে ঢাকা ল’ কলেজে আইন বিভাগে ভর্তি করান। নিয়মিত কলেজ ফি প্রদানসহ নীলক্ষেত থেকে আইনের পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানোর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বাবার এই দূরদর্শী পরিকল্পনা ও ত্যাগের ফলেই আজকের এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এছাড়া তাঁর নানা মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ চেয়ারম্যান এবং মতিউর রহমান চেয়ারম্যান-এর উৎসাহ ও সিদ্ধান্তে ১৯৯২ সালে তিনি প্রবাস জীবনে পা রাখেন। প্রবাসের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি রাতের বেলায় নিয়মিত আইনের বই অধ্যয়ন করে তিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেন।

স্থানীয় আইনজীবীরা মনে করেন, একজন অভিজ্ঞ ও নীতিবান আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মো.

শাহ্ কামালের পিপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করবে। কারণ, পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব শুধু একটি পদ নয়—বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি এক গভীর দায়বদ্ধতা।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অর্জন তাঁদের জন্য গর্বের হলেও এটি দায়িত্বের পরিধি আরও বাড়িয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, তিনি সততা, ন্যায়বোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করবেন।

এ সময় আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয় এবং নতুন দায়িত্ব পালনে তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নতুন পিপি নিয়োগ

আপডেট টাইম : ০৪:০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ্ কামালের নিয়োগে পরিবার ও আইন অঙ্গনে আনন্দ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ্ কামাল।

এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের আইন অঙ্গনসহ তাঁর পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে এ নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

অ্যাডভোকেট মো. শাহ্ কামাল ২০০২ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা বারে যোগদান করেন। তার আগে প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বার কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত হন। তাঁর আইনি শিক্ষাজীবনের পেছনে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী সংগ্রাম ও পারিবারিক দূরদর্শিতার গল্প।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানকালে তাঁর পিতা মরহুম হাজী আব্দুল মালেক সরকার নিজ উদ্যোগে ঢাকায় গিয়ে সকল একাডেমিক সনদ সংগ্রহ করে ঢাকা ল’ কলেজে আইন বিভাগে ভর্তি করান। নিয়মিত কলেজ ফি প্রদানসহ নীলক্ষেত থেকে আইনের পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানোর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বাবার এই দূরদর্শী পরিকল্পনা ও ত্যাগের ফলেই আজকের এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এছাড়া তাঁর নানা মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ চেয়ারম্যান এবং মতিউর রহমান চেয়ারম্যান-এর উৎসাহ ও সিদ্ধান্তে ১৯৯২ সালে তিনি প্রবাস জীবনে পা রাখেন। প্রবাসের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি রাতের বেলায় নিয়মিত আইনের বই অধ্যয়ন করে তিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেন।

স্থানীয় আইনজীবীরা মনে করেন, একজন অভিজ্ঞ ও নীতিবান আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মো.

শাহ্ কামালের পিপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করবে। কারণ, পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব শুধু একটি পদ নয়—বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি এক গভীর দায়বদ্ধতা।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অর্জন তাঁদের জন্য গর্বের হলেও এটি দায়িত্বের পরিধি আরও বাড়িয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, তিনি সততা, ন্যায়বোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করবেন।

এ সময় আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয় এবং নতুন দায়িত্ব পালনে তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।