ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইনসাফের লড়াইয়ে একা ইসহাক সরকার: জনগণই তাঁর শেষ ভরসা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার

Oplus_16908288

একটি দলের অস্তিত্ব রক্ষায় নিজের সবকিছু বাজি রেখে দিয়েছেন মোহাম্মদ ইসহাক সরকার। আজ তিনি এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়ে, যেখানে হার মানে হয়তো দেশ ছাড়তে হবে, নয়তো জীবন দিতে হবে। দলকে ভালোবাসার এই মূল্যই আজ তাঁর নিজের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হয়ে নেমে এসেছে। হুমকি এসেছে একের পর এক, চোখের জল ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেছেন—কিন্তু সেই কান্না ভয়ের নয়, সেই কান্না ইনসাফের।

ইসহাক সরকার বলেছেন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবেন। প্রশ্ন হলো—তাঁর আর কী হারানোর আছে? জীবন, পরিবার, নিরাপত্তা—সবই তো তিনি আগেই বাজি রেখে দিয়েছেন দল ও দেশের জন্য। অথচ আজ সেই দলেই তিনি দাঁড়িয়ে গেছেন প্রতিপক্ষ হয়ে। কেন? কারণ আজ তিনি ইনসাফ পাননি।

তিনি বলেছিলেন—“আমাদের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিন, আমরা সবাই মিলে তাকে জয়ী করবো।” কিন্তু বাস্তবতায় দেখা গেল, একে একে সবাই সরে গেলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি ইসহাক সরকার। মাথা নত করে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করার সুযোগ তাঁর ছিল, কিন্তু তিনি তা করেননি। কোনো চাপকেই চাপ মনে করেননি, মানুষের সঙ্গে বেইমানি করেননি।

যে দাবি নিয়ে একদিন আন্দোলনের ঝড় উঠেছিল, সেই ঝড়ের মাঝেই আজ তিনি একাই পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছেন—নিজের ইনসাফ, জনগণের ইনসাফের জন্য। এই ইনসাফের কারণেই আজ তিনি দলের চোখে ‘বিদ্রোহী’, কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন ন্যায়পরায়ণ নেতা। কারণ ন্যায়পরায়ণ সেই-ই, যে নিজের ঘরের ভেতরেও অন্যায়ের বিচার করতে পারে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস—এই ইসহাক সরকার করে দেখাবেন। সবাই দলের জন্য কিছু না কিছু করে, কিন্তু তিনি করবেন জনগণের জন্য। কারণ জনগণই তাঁর প্রকৃত অভিভাবক, জনগণের ওপরই তাঁর একমাত্র ভরসা।

একটি উদাহরণ দেওয়া যায়—কোনো শিশুর কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিলে সে কার কাছে যায়? সে যায় তার অভিভাবকের কাছে। আজকের বাস্তবতায় সেই নির্যাতিত শিশুটি ইসহাক সরকার, আর আমরা তার অভিভাবক। আজ যদি আমরা ইনসাফ না করি, তবে তা হবে চরম বেইমানি।

তিনি মজলুম, তিনি নির্যাতিত। তাঁর পরিবার, তাঁর সন্তানরাও এই নির্যাতনের শিকার। আজ তিনি আমাদের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছেন।

ইনশাআল্লাহ, আমরা তাঁকে ফিরিয়ে দেব না।
ইসলামেও বলা হয়েছে—প্রতীক নয়, প্রার্থীকে দেখে ভোট দিন। হাশরের ময়দানে প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করা হবে, প্রতীককে নয়। ভালো-মন্দ সবকিছুই করে মানুষ, প্রতীক নয়। আর ইসহাক সরকারের ভেতর নেতৃত্বের সব যোগ্যতাই রয়েছে—মাশাআল্লাহ।
আপনার একটি ভোট মানে একজন মজলুমের পাশে দাঁড়ানো।

আপনার একটি ভোট মানে ইসহাক সরকারের অস্তিত্ব রক্ষা করা।

আপনার একটি ভোট মানে তাঁর পরিবারের প্রতি ইনসাফ করা।
আপনার একটি ভোট মানে রাজপথের সংগ্রামের সাক্ষ্য দেওয়া।

আপনার একটি ভোট মানে একজন এতিম, নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকা।
আপনার একটি ভোট মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষী হওয়া।

আপনার একটি ভোট মানে ইসহাক সরকারের মা–বাবার প্রতি ইনসাফ করা।

আপনার ভোট অত্যন্ত মূল্যবান।
সবারই তো একটি দল আছে।

কিন্তু ইসহাক সরকারের সঙ্গে আছি আমি, আপনি—আর আছেন আল্লাহ।
ইনশাআল্লাহ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ইনসাফের লড়াইয়ে একা ইসহাক সরকার: জনগণই তাঁর শেষ ভরসা

আপডেট টাইম : ০৪:১১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একটি দলের অস্তিত্ব রক্ষায় নিজের সবকিছু বাজি রেখে দিয়েছেন মোহাম্মদ ইসহাক সরকার। আজ তিনি এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়ে, যেখানে হার মানে হয়তো দেশ ছাড়তে হবে, নয়তো জীবন দিতে হবে। দলকে ভালোবাসার এই মূল্যই আজ তাঁর নিজের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হয়ে নেমে এসেছে। হুমকি এসেছে একের পর এক, চোখের জল ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেছেন—কিন্তু সেই কান্না ভয়ের নয়, সেই কান্না ইনসাফের।

ইসহাক সরকার বলেছেন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবেন। প্রশ্ন হলো—তাঁর আর কী হারানোর আছে? জীবন, পরিবার, নিরাপত্তা—সবই তো তিনি আগেই বাজি রেখে দিয়েছেন দল ও দেশের জন্য। অথচ আজ সেই দলেই তিনি দাঁড়িয়ে গেছেন প্রতিপক্ষ হয়ে। কেন? কারণ আজ তিনি ইনসাফ পাননি।

তিনি বলেছিলেন—“আমাদের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিন, আমরা সবাই মিলে তাকে জয়ী করবো।” কিন্তু বাস্তবতায় দেখা গেল, একে একে সবাই সরে গেলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি ইসহাক সরকার। মাথা নত করে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করার সুযোগ তাঁর ছিল, কিন্তু তিনি তা করেননি। কোনো চাপকেই চাপ মনে করেননি, মানুষের সঙ্গে বেইমানি করেননি।

যে দাবি নিয়ে একদিন আন্দোলনের ঝড় উঠেছিল, সেই ঝড়ের মাঝেই আজ তিনি একাই পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছেন—নিজের ইনসাফ, জনগণের ইনসাফের জন্য। এই ইনসাফের কারণেই আজ তিনি দলের চোখে ‘বিদ্রোহী’, কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন ন্যায়পরায়ণ নেতা। কারণ ন্যায়পরায়ণ সেই-ই, যে নিজের ঘরের ভেতরেও অন্যায়ের বিচার করতে পারে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস—এই ইসহাক সরকার করে দেখাবেন। সবাই দলের জন্য কিছু না কিছু করে, কিন্তু তিনি করবেন জনগণের জন্য। কারণ জনগণই তাঁর প্রকৃত অভিভাবক, জনগণের ওপরই তাঁর একমাত্র ভরসা।

একটি উদাহরণ দেওয়া যায়—কোনো শিশুর কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিলে সে কার কাছে যায়? সে যায় তার অভিভাবকের কাছে। আজকের বাস্তবতায় সেই নির্যাতিত শিশুটি ইসহাক সরকার, আর আমরা তার অভিভাবক। আজ যদি আমরা ইনসাফ না করি, তবে তা হবে চরম বেইমানি।

তিনি মজলুম, তিনি নির্যাতিত। তাঁর পরিবার, তাঁর সন্তানরাও এই নির্যাতনের শিকার। আজ তিনি আমাদের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছেন।

ইনশাআল্লাহ, আমরা তাঁকে ফিরিয়ে দেব না।
ইসলামেও বলা হয়েছে—প্রতীক নয়, প্রার্থীকে দেখে ভোট দিন। হাশরের ময়দানে প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করা হবে, প্রতীককে নয়। ভালো-মন্দ সবকিছুই করে মানুষ, প্রতীক নয়। আর ইসহাক সরকারের ভেতর নেতৃত্বের সব যোগ্যতাই রয়েছে—মাশাআল্লাহ।
আপনার একটি ভোট মানে একজন মজলুমের পাশে দাঁড়ানো।

আপনার একটি ভোট মানে ইসহাক সরকারের অস্তিত্ব রক্ষা করা।

আপনার একটি ভোট মানে তাঁর পরিবারের প্রতি ইনসাফ করা।
আপনার একটি ভোট মানে রাজপথের সংগ্রামের সাক্ষ্য দেওয়া।

আপনার একটি ভোট মানে একজন এতিম, নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকা।
আপনার একটি ভোট মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষী হওয়া।

আপনার একটি ভোট মানে ইসহাক সরকারের মা–বাবার প্রতি ইনসাফ করা।

আপনার ভোট অত্যন্ত মূল্যবান।
সবারই তো একটি দল আছে।

কিন্তু ইসহাক সরকারের সঙ্গে আছি আমি, আপনি—আর আছেন আল্লাহ।
ইনশাআল্লাহ।