ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

পালকে রত্নের ঝলকানি! পাওয়া গেল নতুন প্রজাতির পাখির সন্ধান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ বার

পাপুয়া নিউ গিনির গহীন রেইন ফরেস্ট এক আশ্চর্য স্থান। এখানেই দেখা মেলে রুফাস-নেপড বেলবার্ড ও রিজেন্ট হুইসলারের মতো বিষধর পাখি অথবা কালো-মাথার পায়রার (দীর্ঘকাল আগেই যাকে বিলুপ্ত বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল)। এবার সেই পাপুয়া নিউ গিনিতে দেখা মিলল নতুন প্রজাতির জুয়েল-বাবলারের।

অস্ট্রেলিয়ান মিউজিয়াম রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষীবিদ লেইন ওয়ক্সভোল্ড জানিয়েছেন, ”জুয়েল-বাবলার মূলত ভূমিতে বসবাসকারী, কীটপতঙ্গভোজী পক্ষীদের একটি দল।” উজ্জ্বল, রত্নসদৃশ পালক এবং আকর্ষণীয় চেহারার কারণে এরা ‘জুয়েল-বাবলার’ নামে পরিচিত। খুবই লাজুক প্রকৃতির এই পাখিগুলি। তাই জঙ্গলের গভীরে এদের ডাক শোনা যায়। কিন্তু দেখতে পাওয়া বেশ বিরল অভিজ্ঞতা।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালে পাপুয়া নিউ গিনির জঙ্গলেই খোঁজ মিলেছিল দুই প্রজাতির বিষধর পাখির। জানা যায়, তাদের পালক ও চামড়ায় নিউরোটক্সিন থাকে। যা ব্যবহার করে তারা আক্রমণ করে শত্রুর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোথায় তারা এই বিষ পায়? গবেষকরা জানিয়েছিলেন, যে সব বিষাক্ত পোকাদের এরা শিকার করে তাদের শরীর থেকেই নিউরোটক্সিন সংগ্রহ করে নেয়। কিন্তু শত্রুকে ঘায়েল করলেও, এই বিষে তাদের নিজেদের কোনও ক্ষতি হয় না।

ঘন অরণ্য, পর্বতমালা এবং প্রবাল প্রাচীরের জন্য পরিচিত পাপুয়া নিউ গিনি। বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ জীববৈচিত্র পাওয়া যায় এখানে। আমাজন এবং কঙ্গো অববাহিকার পর এখানেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্য অবস্থিত। এখানে বিরল ও অদ্ভুত প্রায় ৭৪০ থেকে ৮০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘বার্ডস অফ প্যারাডাইস’।

তবে এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র সংকটের মুখে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, চোরাশিকারের মতো নানা কারণে এই পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় সেদেশের প্রশাসন নতুন ন্যাশনাল বায়োডাইভারসিটি স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০২৫-২০৩০ তৈরির কাজ শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

পালকে রত্নের ঝলকানি! পাওয়া গেল নতুন প্রজাতির পাখির সন্ধান

আপডেট টাইম : ১১:০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

পাপুয়া নিউ গিনির গহীন রেইন ফরেস্ট এক আশ্চর্য স্থান। এখানেই দেখা মেলে রুফাস-নেপড বেলবার্ড ও রিজেন্ট হুইসলারের মতো বিষধর পাখি অথবা কালো-মাথার পায়রার (দীর্ঘকাল আগেই যাকে বিলুপ্ত বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল)। এবার সেই পাপুয়া নিউ গিনিতে দেখা মিলল নতুন প্রজাতির জুয়েল-বাবলারের।

অস্ট্রেলিয়ান মিউজিয়াম রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষীবিদ লেইন ওয়ক্সভোল্ড জানিয়েছেন, ”জুয়েল-বাবলার মূলত ভূমিতে বসবাসকারী, কীটপতঙ্গভোজী পক্ষীদের একটি দল।” উজ্জ্বল, রত্নসদৃশ পালক এবং আকর্ষণীয় চেহারার কারণে এরা ‘জুয়েল-বাবলার’ নামে পরিচিত। খুবই লাজুক প্রকৃতির এই পাখিগুলি। তাই জঙ্গলের গভীরে এদের ডাক শোনা যায়। কিন্তু দেখতে পাওয়া বেশ বিরল অভিজ্ঞতা।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালে পাপুয়া নিউ গিনির জঙ্গলেই খোঁজ মিলেছিল দুই প্রজাতির বিষধর পাখির। জানা যায়, তাদের পালক ও চামড়ায় নিউরোটক্সিন থাকে। যা ব্যবহার করে তারা আক্রমণ করে শত্রুর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোথায় তারা এই বিষ পায়? গবেষকরা জানিয়েছিলেন, যে সব বিষাক্ত পোকাদের এরা শিকার করে তাদের শরীর থেকেই নিউরোটক্সিন সংগ্রহ করে নেয়। কিন্তু শত্রুকে ঘায়েল করলেও, এই বিষে তাদের নিজেদের কোনও ক্ষতি হয় না।

ঘন অরণ্য, পর্বতমালা এবং প্রবাল প্রাচীরের জন্য পরিচিত পাপুয়া নিউ গিনি। বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ জীববৈচিত্র পাওয়া যায় এখানে। আমাজন এবং কঙ্গো অববাহিকার পর এখানেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্য অবস্থিত। এখানে বিরল ও অদ্ভুত প্রায় ৭৪০ থেকে ৮০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘বার্ডস অফ প্যারাডাইস’।

তবে এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র সংকটের মুখে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, চোরাশিকারের মতো নানা কারণে এই পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় সেদেশের প্রশাসন নতুন ন্যাশনাল বায়োডাইভারসিটি স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০২৫-২০৩০ তৈরির কাজ শুরু করেছে।