বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন বিকেলে বাঞ্ছারামপুরের মাতুরবাড়ির মোড়, চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রিজসহ রূপসদী এলাকা ঘুরে মাংস বিক্রির এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এক নারী ক্রেতা মুখে মাস্ক লাগিয়ে এসেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ক্রেতা বলেন, ‘স্বামী অসুস্থ। কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাই মাংস কিনতে আসছিলাম। গত বছর ৭ জনে মিলে শরিক হয়েছিলাম। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে ৭ কেজি কিনেছি।
মাংস বিক্রেতা আল আমিন হোমনা উপজেলা থেকে বাঞ্ছারামপুর এসেছেন ১২ কেজি মাংস বিক্রি করতে। ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করে জানান, ঘরে ৫ কেজি রেখে বাকিটা বিক্রি করলাম। এই টাকায় সন্তানদের জন্য জামাকাপড়, বউয়ের শাড়ি কিনব। ঘরে ফ্রিজ নেই। এত মাংস দিয়ে কী করব?
তবে স্থান ও মাংসের মানভেদে দামের তারতম্যও দেখা গেছে। ওয়াই ব্রিজ এলাকার পথচারী পারাপার হওয়া সেতুতে বসে গরুর মাংস বিক্রি করছেন একদল মৌসুমি কসাই। হাড় থেকে আলাদা করা এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। আর মাথার মাংস বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়।
Reporter Name 

























