ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

পাগলা মসজিদে ৩৫ বস্তায় মিলল ১১ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৯ বার

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের ১৩টি সিন্দুক ও ৩টি অস্থায়ী ট্রাঙ্ক দানবাক্স থেকে পাওয়া ৩৫ বস্তা টাকা গননা শেষে মিলল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা।

এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।

গণনা শেষে রাত পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহামদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

৩ মাস ২৭দিন পর শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। এতে পাওয়া যায় ৩৫ বস্তা টাকা। পরে মসজিদ কমপ্লেক্সের দোতলায় নিয়ে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়।

গণনার কাজে অংশ নেন মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পাশের জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৫০০ মানুষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেস্ট চ্যাটস’ ফিচার, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে মেসেজ

পাগলা মসজিদে ৩৫ বস্তায় মিলল ১১ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি

আপডেট টাইম : ১১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের ১৩টি সিন্দুক ও ৩টি অস্থায়ী ট্রাঙ্ক দানবাক্স থেকে পাওয়া ৩৫ বস্তা টাকা গননা শেষে মিলল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা।

এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।

গণনা শেষে রাত পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহামদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

৩ মাস ২৭দিন পর শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। এতে পাওয়া যায় ৩৫ বস্তা টাকা। পরে মসজিদ কমপ্লেক্সের দোতলায় নিয়ে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়।

গণনার কাজে অংশ নেন মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পাশের জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৫০০ মানুষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।