ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎসবমুখর সমাবেশস্থল, নেতার অপেক্ষায় লাখো জনতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৭ বার

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকা এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে পুরো সমাবেশস্থল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শুরু করে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত দীর্ঘ কয়েক মাইল এলাকা এখন জনারণ্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, ট্রেন ও মাইক্রোবাসে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন। গত রাত থেকেই অনেকে ব্যানার ও ত্রিপল বিছিয়ে ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন। ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’—এমন নানা স্লোগান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে পুরো এলাকা এখন মুখর।

সমাবেশস্থলকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। কুড়িল মোড় সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে তৈরি করা হয়েছে ৪৮ ফুট দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রশস্ত বিশাল এক সংবর্ধনা মঞ্চ। মঞ্চের আশপাশে ও পুরো ৩০০ ফিট সড়কে ৯০০-এর বেশি লাউডস্পিকার লাগানো হয়েছে, যাতে কয়েক মাইল দূর থেকেও নেতার ভাষণ শোনা যায়। এছাড়া নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং তীব্র ভিড়ে অসুস্থদের প্রাথমিক সেবা দিতে সমাবেশস্থলে ১৭টি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন বিএনপির নিজস্ব সিকিউরিটি ফোর্সের হাজার হাজার সদস্য।

নেতাকর্মীরা জানান, তারা তাদের প্রিয় নেতার ‘রাজকীয় প্রত্যাবর্তন’ নিজ চোখে দেখতে এসেছেন। তাদের মতে, তারেক রহমানের এই ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্রোত এখন বিমানবন্দরের দিক থেকে ৩০০ ফিটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর সমাবেশস্থল, নেতার অপেক্ষায় লাখো জনতা

আপডেট টাইম : ১০:৩০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকা এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে পুরো সমাবেশস্থল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শুরু করে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত দীর্ঘ কয়েক মাইল এলাকা এখন জনারণ্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, ট্রেন ও মাইক্রোবাসে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন। গত রাত থেকেই অনেকে ব্যানার ও ত্রিপল বিছিয়ে ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন। ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’—এমন নানা স্লোগান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে পুরো এলাকা এখন মুখর।

সমাবেশস্থলকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। কুড়িল মোড় সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে তৈরি করা হয়েছে ৪৮ ফুট দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রশস্ত বিশাল এক সংবর্ধনা মঞ্চ। মঞ্চের আশপাশে ও পুরো ৩০০ ফিট সড়কে ৯০০-এর বেশি লাউডস্পিকার লাগানো হয়েছে, যাতে কয়েক মাইল দূর থেকেও নেতার ভাষণ শোনা যায়। এছাড়া নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং তীব্র ভিড়ে অসুস্থদের প্রাথমিক সেবা দিতে সমাবেশস্থলে ১৭টি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন বিএনপির নিজস্ব সিকিউরিটি ফোর্সের হাজার হাজার সদস্য।

নেতাকর্মীরা জানান, তারা তাদের প্রিয় নেতার ‘রাজকীয় প্রত্যাবর্তন’ নিজ চোখে দেখতে এসেছেন। তাদের মতে, তারেক রহমানের এই ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্রোত এখন বিমানবন্দরের দিক থেকে ৩০০ ফিটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।