মো.আলাউদ্দিন ভুঁইয়াঃ ধানমন্ডিস্থ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি)-এর অডিটোরিয়ামে আজ সকাল ১০টায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আইএসটির পরিচালক (প্রশাসন) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. সালেহ মুহাম্মদ রফিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইএসটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. এ. মজিদ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য (ভিসি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও আইএসটির গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য অধ্যাপক ড. এস. এম. মোস্তফা আল মামুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবু দারদা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পূর্বের ডিন অধ্যাপক ড. আশেক কবির চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আইএসটির ছাত্র উপদেষ্টা ফরিদা নাসরিন, সাবেক সচিব আবু সাঈদ চৌধুরী, ক্রাউন ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রফেসর মামুনুর রশিদ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জাকির হোসেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আইএসটির অধ্যাপক রুনা রোকসানা খান, অধ্যাপক জিয়াউল হাসান, অধ্যাপক আশফাকুর রহমান, সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক লুৎফী হাবিবা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান এবং ইসিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহফুজা ফেরদৌসী।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে আইএসটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সাবেক ডিন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিককে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন।
তিনি আরও বলেন, আইএসটির আধুনিক ও যুগোপযোগী সিলেবাস, শিক্ষার মান এবং সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সিবিশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন পরিদর্শন করে তিনি অভিভূত হয়েছেন। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আইএসটির সুশৃঙ্খল শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং আধুনিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবের প্রশংসা করেন তিনি। এ জন্য তিনি আইএসটির গভর্নিং বডি, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ভবিষ্যতে আইএসটিতে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সিবিশন আয়োজনের ঘোষণাও দেন তিনি। পাশাপাশি গত জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আইএসটির শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ও আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও সভাপতি সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার প্রজেক্ট এক্সিবিশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জল হোসেন এবং সিএসই বিভাগের প্রভাষক তাসমি সুলতানা তমা।
Reporter Name 




















