“তাজুল আজিজ নামে একজন ফেসবুকে লিখেন”, গ্রামের সহজ-সরল মানুষের জীবনে কত গল্প যে লুকিয়ে থাকে! সেই গল্পেরই এক চরিত্র ছিলেন আমাদের গ্রামের সবার প্রিয়, বিনা পারিশ্রমিকের গোরখোদক সুন্দর আলী। শারীরিক গঠন কিংবা রূপের কোনো ঔজ্জ্বল্য না থাকলেও তাঁর অবদান আর ভালোবাসায় গ্রামবাসী স্নেহ করে তাঁকে ‘সুন্দর আলী’ বলেই ডাকত। ছোটবেলায় গ্রামের এক শিশুর রসিকতার কথাও আজ যেন নতুন আলোয় ধরা দেয়—
“যার সারা শরীর কালো আর লোমশ, তার নাম নাকি সুন্দর আলী!”
কিন্তু সেই রসিকতা করা ছোট্ট ছেলেটিই একদিন রাষ্ট্রের উচ্চপদে পৌঁছে যাবে—কে-ইবা তা ভেবেছিল!
বলছি আমাদের আট ভাই–আট বোনের বড় বোনের ছোট ছেলে মো. হারুন রেজা–র কথা।
সরকারি চাকরিতে দীর্ঘদিন নিষ্ঠা, সততা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ থেকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। একই সঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য নতুনভাবে পদায়ন করা হয়েছে তাঁকে।
পরিবারের গর্ব, আত্মীয়–স্বজনের আনন্দ—সব মিলিয়ে আজ এক বর্ণিল দিন।
তবে আনন্দের মাঝেই হৃদয়ে ভেসে ওঠে এক শূন্যতার নাম—মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল মালেক সরকার। আজ তিনি বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই ভাগ্নে মো. হারুন রেজার এই সাফল্য দেখে পরম আনন্দে আপ্লুত হতেন। তাঁরই রেখে যাওয়া সন্তানদের সাফল্য আজ গোটা পরিবারকে গর্বিত করছে।
আমরা তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি—
এবং আমাদের বয়োবৃদ্ধ আপার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনায় সকলের দোয়া প্রত্যাশা করছি।
সততা, পরিশ্রম ও প্রজ্ঞার এই যাত্রা মো. হারুন রেজাকে আরও উচ্চতায় পৌঁছে দিক—গ্রাম থেকে রাষ্ট্রের শিখরে পৌঁছানো এই সাফল্য সকলের জন্যই এক প্রেরণা।
Reporter Name 

























