ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত নির্বাচনে সমঝোতার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম বিগত ৩ নির্বাচনে প্রশাসন, পুলিশ, ইসি ও গোয়েন্দা সংস্থার একাংশ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহৃত হয় সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দামে ইতিহাস, ভরি কত মোস্তাফিজ বিশ্বকাপ দলে থাকলে বাড়বে নিরাপত্তা ঝুঁকি: আইসিসির চিঠি কোটিপতি তাহেরীর স্বর্ণ ৩১ ভরি, স্ত্রীর নামে কিছুই নেই কথিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে সহিংসতা করছে: মির্জা আব্বাস ইসিতে আপিল শুনানি: তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪১ জন বিক্ষোভকারীদের হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চরিত্র একই ফ্রিল্যান্সারদের ডিজিটাল কার্ড দিচ্ছে সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা অবশেষে সুখবর পেলেন মেহজাবীন

গত দুই বছরে ৩৩ হাজার নারী-শিশু হত্যা করেছে ইসরায়েল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩২ বার
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবসে দেওয়া এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা সরকারের মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৫০০ নারী এবং ২০ হাজার কন্যা শিশুকে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে ইসরায়েল।
বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের ওপর পরিচালিত এই অপরাধকে ইসরায়েলের নৃশংস অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি নারীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন, অতিরিক্ত বিচার বহির্ভূত হত্যা, জোরপূর্বক গুম, নির্বিচার আটক, শারীরিক নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, ঘরবাড়ি ধ্বংস, জমি দখল, দখলদারদের সন্ত্রাস, অনাহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধ চালাচ্ছে।
এছাড়াও মন্ত্রণালয় আরও অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি জনগণ বিশেষত নারীদের লক্ষ্য করে ভয়াবহ আক্রমণ চালাচ্ছে। এই ধরনের প্রযুক্তি এবং সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি ব্যবহারের মাধ্যমে, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণ চালানো হচ্ছে, যা তাদের জীবনযাত্রার সমস্ত ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে।
ইসরায়েলের অবৈধ দখল এবং সহিংসতার অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিন সরকার।
মন্ত্রণালয় এ দখলদারিত্বের অবসান করাকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অগ্রাধিকার অধিকারগুলো সুরক্ষিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে তাদের স্বাধীনতার অধিকার, জাতি হিসেবে পরিচয় লাভের অধিকার, এবং শরণার্থী হিসেবে তাদের জন্মভূমিতে ফিরে আসার অধিকারের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ লাখ ৭১ হাজারের মতো আহত হয়েছেন। এছাড়া দুই বছরের এই আগ্রাসনে গাজার বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শহরের অধিকাংশ ভবন, সড়ক এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে, আর এই আক্রমণের ফলে এক বিপর্যস্ত মানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত নির্বাচনে সমঝোতার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম

গত দুই বছরে ৩৩ হাজার নারী-শিশু হত্যা করেছে ইসরায়েল

আপডেট টাইম : ১০:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবসে দেওয়া এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা সরকারের মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৫০০ নারী এবং ২০ হাজার কন্যা শিশুকে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে ইসরায়েল।
বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের ওপর পরিচালিত এই অপরাধকে ইসরায়েলের নৃশংস অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি নারীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন, অতিরিক্ত বিচার বহির্ভূত হত্যা, জোরপূর্বক গুম, নির্বিচার আটক, শারীরিক নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, ঘরবাড়ি ধ্বংস, জমি দখল, দখলদারদের সন্ত্রাস, অনাহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধ চালাচ্ছে।
এছাড়াও মন্ত্রণালয় আরও অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি জনগণ বিশেষত নারীদের লক্ষ্য করে ভয়াবহ আক্রমণ চালাচ্ছে। এই ধরনের প্রযুক্তি এবং সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি ব্যবহারের মাধ্যমে, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণ চালানো হচ্ছে, যা তাদের জীবনযাত্রার সমস্ত ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে।
ইসরায়েলের অবৈধ দখল এবং সহিংসতার অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিন সরকার।
মন্ত্রণালয় এ দখলদারিত্বের অবসান করাকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অগ্রাধিকার অধিকারগুলো সুরক্ষিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে তাদের স্বাধীনতার অধিকার, জাতি হিসেবে পরিচয় লাভের অধিকার, এবং শরণার্থী হিসেবে তাদের জন্মভূমিতে ফিরে আসার অধিকারের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ লাখ ৭১ হাজারের মতো আহত হয়েছেন। এছাড়া দুই বছরের এই আগ্রাসনে গাজার বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শহরের অধিকাংশ ভবন, সড়ক এবং অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে, আর এই আক্রমণের ফলে এক বিপর্যস্ত মানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।