ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার আমিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার—এমবাপ্পে ওয়াটার এটিএমের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণে জোর দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী টাকা ছাপতে এক বছরে দ্বিগুণ অর্থ খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর প্রধান সড়কে অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন পূজা চেরী, পাত্র কে ১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দেশে মোবাইল সংযোগ ১৯ কোটি ১০ লাখ: আইসিটি মন্ত্রী গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শিপনের মৃত্যু, এলাকায় ফের আতঙ্ক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৪ বার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার রাতে পাল্টাপাল্টি সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ ৪ জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফের হামলা, ভাংচুর ও গুলাগুলির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত শিপন মিয়া (৩০) উপজেলার নূরজাহানপুরের কুখ্যাত মনেক ডাকাতের ছেলে।

এদিকে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার রাত থেকে এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা টহল দিচ্ছেন বলে আজ সকালে জানিয়েছেন নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক।

এর আগে উপজেলার বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ চারজনকেই রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়। এদের মধ্যে আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন মারা যান। গুলিবিদ্ধ ইয়াছিনের (২০) অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে স্থানীয় একটি হোটেলে ৯টার দিকে এলাকার কুখ্যাত ডাকাত মোন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া (৩০) আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় আচমকা একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হোটেলটিতে গুলি করতে করতে ঢুকে। সে সময় শিপন মিয়া (৩০) এবং হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হয়।

এ তথ্য শিপনের এলাকায় জানাজানি হলে তার পক্ষের লোকজন গণিশাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়।

এ সময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টারও (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন। তিনি পার্শ্ববর্তী শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এমররান মাস্টারের বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে। পরে হামলাকারীরা থোল্লাকান্দি গ্রামেও হামলা চালিয়ে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।শনিবার রাত সাড়ে এগারটায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক কালের কণ্ঠকে বলেছিলেন, ঘটনার পরপরই সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শিপনের মৃত্যু, এলাকায় ফের আতঙ্ক

আপডেট টাইম : ১১:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার রাতে পাল্টাপাল্টি সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ ৪ জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফের হামলা, ভাংচুর ও গুলাগুলির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত শিপন মিয়া (৩০) উপজেলার নূরজাহানপুরের কুখ্যাত মনেক ডাকাতের ছেলে।

এদিকে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার রাত থেকে এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা টহল দিচ্ছেন বলে আজ সকালে জানিয়েছেন নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক।

এর আগে উপজেলার বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় চারজন গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ চারজনকেই রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়। এদের মধ্যে আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন মারা যান। গুলিবিদ্ধ ইয়াছিনের (২০) অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে স্থানীয় একটি হোটেলে ৯টার দিকে এলাকার কুখ্যাত ডাকাত মোন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া (৩০) আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় আচমকা একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হোটেলটিতে গুলি করতে করতে ঢুকে। সে সময় শিপন মিয়া (৩০) এবং হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হয়।

এ তথ্য শিপনের এলাকায় জানাজানি হলে তার পক্ষের লোকজন গণিশাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়।

এ সময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টারও (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন। তিনি পার্শ্ববর্তী শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এমররান মাস্টারের বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে। পরে হামলাকারীরা থোল্লাকান্দি গ্রামেও হামলা চালিয়ে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।শনিবার রাত সাড়ে এগারটায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক কালের কণ্ঠকে বলেছিলেন, ঘটনার পরপরই সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।