ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যারা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ. লীগের প্রার্থী হতে পারবেন না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩০১ বার

জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের জীবন-বৃত্তান্তসহ আবেদনপত্র আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ফৌজদারি দণ্ডবিধির সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি জেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পাবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির স্থানীয় সরকার নির্বাচনি বোর্ডের এক সদস্য।

এদিকে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচনি বোর্ডর সদস্য ডা. দীপু মনি বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনের পর কয়েকটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের পরই জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হবে। সবদিক বিবেচনায় জেলা পরিষদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন বোর্ডকে সভানেত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা প্রার্থী হতে আগ্রহী তাদের এ মাসের ১৮ তারিখের মধ্যে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে।

প্রার্থী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন বিষয়গুলোকে প্রধান্য দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের অন্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, কোনো ফৌজদারি মামলার আসামি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। এছাড়া ঋণ খেলাপিদের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তাদের কোনোভাবেই মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ের জন্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা থেকে দলের নির্বাচনি বোর্ড থেকে প্রতিটি জেলা থেকে কমপক্ষে ৩ জন যোগ্য প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সেখান থেকে যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেবেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর সদ্য তোলা দু’কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযোজন করতে হবে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর বুধবার দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যারা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ. লীগের প্রার্থী হতে পারবেন না

আপডেট টাইম : ০১:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৬

জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের জীবন-বৃত্তান্তসহ আবেদনপত্র আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ফৌজদারি দণ্ডবিধির সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি জেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পাবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির স্থানীয় সরকার নির্বাচনি বোর্ডের এক সদস্য।

এদিকে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচনি বোর্ডর সদস্য ডা. দীপু মনি বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনের পর কয়েকটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের পরই জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হবে। সবদিক বিবেচনায় জেলা পরিষদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন বোর্ডকে সভানেত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা প্রার্থী হতে আগ্রহী তাদের এ মাসের ১৮ তারিখের মধ্যে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে।

প্রার্থী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন বিষয়গুলোকে প্রধান্য দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের অন্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, কোনো ফৌজদারি মামলার আসামি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। এছাড়া ঋণ খেলাপিদের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তাদের কোনোভাবেই মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ের জন্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা থেকে দলের নির্বাচনি বোর্ড থেকে প্রতিটি জেলা থেকে কমপক্ষে ৩ জন যোগ্য প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সেখান থেকে যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেবেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর সদ্য তোলা দু’কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযোজন করতে হবে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর বুধবার দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।