ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

পোষা প্রাণী ঘরে থাকলে কি সত্যিই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫০ বার

মানুষের জীবনযাত্রায় পোষা প্রাণী শুধু সঙ্গী নয়, তারা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও অবদান রাখে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য পোষা প্রাণী থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে কেন এবং কীভাবে, তা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

১. অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য
পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে শরীর স্বাভাবিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। ছোটবেলা থেকে পোষা প্রাণীর সঙ্গে থাকা শিশুদের এলার্জি ও শ্বাসনালী সংক্রান্ত অসুস্থতার ঝুঁকি কম থাকে।

২. স্ট্রেস কমায়, ইমিউন সিস্টেম শক্ত করে
পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলা বা আলিঙ্গন করলে স্ট্রেস হরমোনের (কোর্টিসল) মাত্রা কমে। কম স্ট্রেস মানে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ ক্রমাগত উদ্বেগ ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে।

৩. শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে
বিশেষ করে কুকুরের মতো প্রাণী থাকলে নিয়মিত হাঁটা বা খেলা হয়। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি শরীরকে চর্চিত রাখে, সেলস মজবুত করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক সংযোগ
পোষা প্রাণী শুধু সুখ দেয় না, তারা এক ধরনের সামাজিক সংযোগও তৈরি করে। মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

৫. অ্যালার্জি ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক
গবেষণায় দেখা গেছে, পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে শিশুদের প্রাকৃতিক অ্যান্টিজেনের সংস্পর্শ early stage-এ হয়, যার ফলে তাদের এলার্জি কম হয়।

সতর্কতা
পোষা প্রাণীর সঙ্গে সংক্রমণ কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়া জরুরি। হাত ধোয়া, খাওয়ার জিনিস আলাদা রাখা এবং পশুপাখিকে সঠিক যত্নে রাখা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

শেষ কথা
পোষা প্রাণী শুধু বন্ধু নয়, তারা আমাদের শরীর ও মনের জন্য প্রকৃত সহায়ক। সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার সঙ্গে ঘরে পোষা প্রাণী রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মানসিক চাপ কমে এবং জীবন আরও প্রাণবন্ত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

পোষা প্রাণী ঘরে থাকলে কি সত্যিই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মানুষের জীবনযাত্রায় পোষা প্রাণী শুধু সঙ্গী নয়, তারা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও অবদান রাখে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য পোষা প্রাণী থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে কেন এবং কীভাবে, তা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

১. অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য
পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে শরীর স্বাভাবিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। ছোটবেলা থেকে পোষা প্রাণীর সঙ্গে থাকা শিশুদের এলার্জি ও শ্বাসনালী সংক্রান্ত অসুস্থতার ঝুঁকি কম থাকে।

২. স্ট্রেস কমায়, ইমিউন সিস্টেম শক্ত করে
পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলা বা আলিঙ্গন করলে স্ট্রেস হরমোনের (কোর্টিসল) মাত্রা কমে। কম স্ট্রেস মানে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ ক্রমাগত উদ্বেগ ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে।

৩. শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে
বিশেষ করে কুকুরের মতো প্রাণী থাকলে নিয়মিত হাঁটা বা খেলা হয়। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি শরীরকে চর্চিত রাখে, সেলস মজবুত করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক সংযোগ
পোষা প্রাণী শুধু সুখ দেয় না, তারা এক ধরনের সামাজিক সংযোগও তৈরি করে। মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

৫. অ্যালার্জি ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক
গবেষণায় দেখা গেছে, পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে শিশুদের প্রাকৃতিক অ্যান্টিজেনের সংস্পর্শ early stage-এ হয়, যার ফলে তাদের এলার্জি কম হয়।

সতর্কতা
পোষা প্রাণীর সঙ্গে সংক্রমণ কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়া জরুরি। হাত ধোয়া, খাওয়ার জিনিস আলাদা রাখা এবং পশুপাখিকে সঠিক যত্নে রাখা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

শেষ কথা
পোষা প্রাণী শুধু বন্ধু নয়, তারা আমাদের শরীর ও মনের জন্য প্রকৃত সহায়ক। সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার সঙ্গে ঘরে পোষা প্রাণী রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মানসিক চাপ কমে এবং জীবন আরও প্রাণবন্ত হয়।