ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

পোষা প্রাণী ঘরে থাকলে কি সত্যিই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪৩ বার

মানুষের জীবনযাত্রায় পোষা প্রাণী শুধু সঙ্গী নয়, তারা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও অবদান রাখে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য পোষা প্রাণী থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে কেন এবং কীভাবে, তা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

১. অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য
পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে শরীর স্বাভাবিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। ছোটবেলা থেকে পোষা প্রাণীর সঙ্গে থাকা শিশুদের এলার্জি ও শ্বাসনালী সংক্রান্ত অসুস্থতার ঝুঁকি কম থাকে।

২. স্ট্রেস কমায়, ইমিউন সিস্টেম শক্ত করে
পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলা বা আলিঙ্গন করলে স্ট্রেস হরমোনের (কোর্টিসল) মাত্রা কমে। কম স্ট্রেস মানে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ ক্রমাগত উদ্বেগ ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে।

৩. শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে
বিশেষ করে কুকুরের মতো প্রাণী থাকলে নিয়মিত হাঁটা বা খেলা হয়। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি শরীরকে চর্চিত রাখে, সেলস মজবুত করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক সংযোগ
পোষা প্রাণী শুধু সুখ দেয় না, তারা এক ধরনের সামাজিক সংযোগও তৈরি করে। মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

৫. অ্যালার্জি ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক
গবেষণায় দেখা গেছে, পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে শিশুদের প্রাকৃতিক অ্যান্টিজেনের সংস্পর্শ early stage-এ হয়, যার ফলে তাদের এলার্জি কম হয়।

সতর্কতা
পোষা প্রাণীর সঙ্গে সংক্রমণ কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়া জরুরি। হাত ধোয়া, খাওয়ার জিনিস আলাদা রাখা এবং পশুপাখিকে সঠিক যত্নে রাখা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

শেষ কথা
পোষা প্রাণী শুধু বন্ধু নয়, তারা আমাদের শরীর ও মনের জন্য প্রকৃত সহায়ক। সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার সঙ্গে ঘরে পোষা প্রাণী রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মানসিক চাপ কমে এবং জীবন আরও প্রাণবন্ত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

পোষা প্রাণী ঘরে থাকলে কি সত্যিই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মানুষের জীবনযাত্রায় পোষা প্রাণী শুধু সঙ্গী নয়, তারা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও অবদান রাখে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য পোষা প্রাণী থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে কেন এবং কীভাবে, তা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

১. অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য
পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে শরীর স্বাভাবিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। ছোটবেলা থেকে পোষা প্রাণীর সঙ্গে থাকা শিশুদের এলার্জি ও শ্বাসনালী সংক্রান্ত অসুস্থতার ঝুঁকি কম থাকে।

২. স্ট্রেস কমায়, ইমিউন সিস্টেম শক্ত করে
পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলা বা আলিঙ্গন করলে স্ট্রেস হরমোনের (কোর্টিসল) মাত্রা কমে। কম স্ট্রেস মানে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ ক্রমাগত উদ্বেগ ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে।

৩. শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে
বিশেষ করে কুকুরের মতো প্রাণী থাকলে নিয়মিত হাঁটা বা খেলা হয়। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি শরীরকে চর্চিত রাখে, সেলস মজবুত করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক সংযোগ
পোষা প্রাণী শুধু সুখ দেয় না, তারা এক ধরনের সামাজিক সংযোগও তৈরি করে। মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

৫. অ্যালার্জি ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক
গবেষণায় দেখা গেছে, পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে শিশুদের প্রাকৃতিক অ্যান্টিজেনের সংস্পর্শ early stage-এ হয়, যার ফলে তাদের এলার্জি কম হয়।

সতর্কতা
পোষা প্রাণীর সঙ্গে সংক্রমণ কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়া জরুরি। হাত ধোয়া, খাওয়ার জিনিস আলাদা রাখা এবং পশুপাখিকে সঠিক যত্নে রাখা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

শেষ কথা
পোষা প্রাণী শুধু বন্ধু নয়, তারা আমাদের শরীর ও মনের জন্য প্রকৃত সহায়ক। সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার সঙ্গে ঘরে পোষা প্রাণী রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মানসিক চাপ কমে এবং জীবন আরও প্রাণবন্ত হয়।