বিএনপি আাগামী ৭ নভেম্বর সমাবেশ করার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প জায়গা চাইবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তিনি এখনো আশা করছেন, বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই সমাবেশ করার অনুমতি পাবে।
শুক্রবার (০৪ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির নেতাদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান ফখরুল।
আগামী ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চেয়েছিল বিএনপি। ৭ বা ৮ নভেম্বর এই সমাবেশ করার প্রস্তুতিও নিচ্ছিল দলটি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, ৭ ও ৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাউকে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ভিন্নমতে বিশ্বাস করে না। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সরকারের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। সরকার যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চাইছে, এটি তারই প্রতিফলন।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
‘একটি মহল, যারা গণতন্ত্রের দাবি থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দিতে চায়, তারা এ ধরনের হীন কার্যকলাপে জড়িত’ বলেন তিনি।
নাসিরনগরের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতি ছিল এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন. ‘যে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল, তারা তা নেয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তীব্রভাবে নিচের দিকে নেমে গেছে। সরকার মানুষের সমস্যা সমাধান না করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। যার ফলে এ ধরনের ঘটনাগুলো ঘটছে।’
শ্রদ্ধা জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির সভাপতি শফিউল বারী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী প্রমুখ।
Reporter Name 
























