ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ৮৩ বার

নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশের নীচে নেমে আসলে, এই নীতি সুদ হার কমিয়ে আনা হবে। এবার বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

গভর্নর আরও বলেন, যতক্ষণ না মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশের নিচে স্থায়ীভাবে নেমে আসে, ততদিন নীতি রেপো হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ থাকবে। এছাড়া স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটির হার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির হার ৮ শতাংশ বজায় রাখা হবে। মূল্যস্ফীতির হার কমছে। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নামিয়ে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

দেশের অর্থনীতিতে কী পরিমাণ অর্থের সরবরাহ থাকবে এবং সুদের হার কতো হবে তা নির্ধারণ করা হয় মুদ্রানীতির মাধ্যমে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং টাকার মান স্থিতিশীল রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য।

প্রসঙ্গত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২২ সালের মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১১ বার বাড়িয়েছে। সবশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এই হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৬:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশের নীচে নেমে আসলে, এই নীতি সুদ হার কমিয়ে আনা হবে। এবার বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

গভর্নর আরও বলেন, যতক্ষণ না মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশের নিচে স্থায়ীভাবে নেমে আসে, ততদিন নীতি রেপো হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ থাকবে। এছাড়া স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটির হার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির হার ৮ শতাংশ বজায় রাখা হবে। মূল্যস্ফীতির হার কমছে। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নামিয়ে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

দেশের অর্থনীতিতে কী পরিমাণ অর্থের সরবরাহ থাকবে এবং সুদের হার কতো হবে তা নির্ধারণ করা হয় মুদ্রানীতির মাধ্যমে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং টাকার মান স্থিতিশীল রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য।

প্রসঙ্গত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২২ সালের মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১১ বার বাড়িয়েছে। সবশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এই হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়।