ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

সকল উপজেলা গুলোতে একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের দাবী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • ৮৮ বার

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শ্রমবাজারে টিকে থাকতে হলে যুবসমাজকে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করাও অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।

সকল উপজেলা, ও জেলা গুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকা, যেখানে প্রচুর তরুণ রয়েছে যারা মাধ্যমিক পাশ করে কর্মসংস্থানের দিক খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু উপজেলায় এখনো কোনো সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নেই। ফলে এখানকার শিক্ষার্থীদের অন্য উপজেলায় গিয়ে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়, যা অনেক সময় ব্যয়সাধ্য ও অসাধ্য হয়ে পড়ে।

একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের সুবিধাসমূহ:
যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন: স্থানীয় শিক্ষার্থীরা কম খরচে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে দ্রুত আত্মনির্ভর হতে পারবে।

বেকারত্ব হ্রাস: দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে দেশে ও বিদেশে।

নারী শিক্ষার প্রসার: নারী শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা ভোকেশনাল কোর্স চালু করে আত্মকর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা যাবে।

মাইগ্রেশন কমবে: অন্যত্র গিয়ে পড়াশোনার প্রবণতা কমে আসবে, ফলে পরিবার ও সামাজিক বন্ধন অটুট থাকবে।

স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্র শিল্প, হস্তশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে পারবে।

প্রস্তাব:
সরকারের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বাজিতপুর উপজেলায় একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন অতীব জরুরি। উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সকল উপজেলা গুলোতে একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের দাবী

আপডেট টাইম : ০৯:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শ্রমবাজারে টিকে থাকতে হলে যুবসমাজকে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করাও অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।

সকল উপজেলা, ও জেলা গুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকা, যেখানে প্রচুর তরুণ রয়েছে যারা মাধ্যমিক পাশ করে কর্মসংস্থানের দিক খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু উপজেলায় এখনো কোনো সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নেই। ফলে এখানকার শিক্ষার্থীদের অন্য উপজেলায় গিয়ে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়, যা অনেক সময় ব্যয়সাধ্য ও অসাধ্য হয়ে পড়ে।

একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের সুবিধাসমূহ:
যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন: স্থানীয় শিক্ষার্থীরা কম খরচে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে দ্রুত আত্মনির্ভর হতে পারবে।

বেকারত্ব হ্রাস: দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে দেশে ও বিদেশে।

নারী শিক্ষার প্রসার: নারী শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা ভোকেশনাল কোর্স চালু করে আত্মকর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা যাবে।

মাইগ্রেশন কমবে: অন্যত্র গিয়ে পড়াশোনার প্রবণতা কমে আসবে, ফলে পরিবার ও সামাজিক বন্ধন অটুট থাকবে।

স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্র শিল্প, হস্তশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে পারবে।

প্রস্তাব:
সরকারের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বাজিতপুর উপজেলায় একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন অতীব জরুরি। উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।