বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শ্রমবাজারে টিকে থাকতে হলে যুবসমাজকে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করাও অত্যাবশ্যক হয়ে উঠেছে।
সকল উপজেলা, ও জেলা গুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকা, যেখানে প্রচুর তরুণ রয়েছে যারা মাধ্যমিক পাশ করে কর্মসংস্থানের দিক খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু উপজেলায় এখনো কোনো সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নেই। ফলে এখানকার শিক্ষার্থীদের অন্য উপজেলায় গিয়ে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়, যা অনেক সময় ব্যয়সাধ্য ও অসাধ্য হয়ে পড়ে।
একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের সুবিধাসমূহ:
যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন: স্থানীয় শিক্ষার্থীরা কম খরচে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে দ্রুত আত্মনির্ভর হতে পারবে।
বেকারত্ব হ্রাস: দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে দেশে ও বিদেশে।
নারী শিক্ষার প্রসার: নারী শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা ভোকেশনাল কোর্স চালু করে আত্মকর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা যাবে।
মাইগ্রেশন কমবে: অন্যত্র গিয়ে পড়াশোনার প্রবণতা কমে আসবে, ফলে পরিবার ও সামাজিক বন্ধন অটুট থাকবে।
স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্র শিল্প, হস্তশিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে পারবে।
প্রস্তাব:
সরকারের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বাজিতপুর উপজেলায় একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন অতীব জরুরি। উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
Reporter Name 
























