ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

একাদশ জাতীয় সম্মেলনে বক্তারা বলেন ‘সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • ১১৪ বার

সরকারি কর্মচারীদের দাবি মেনে নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। অবিলম্বে এই দাবি পূরণ করা না হলে সারা দেশের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতারা।

শনিবার (১০ মে) সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের একাদশ জাতীয় সম্মেলনে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সম্মেলন উপলক্ষে এক শোভাযাত্রা শেষে রাজধানীর বিএমএ ভবনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে যেসব নতুন নেতৃত্ব আসবেন তাদের প্রতি শুভকামনা জানান বক্তারা।

উক্ত সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন গণকর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, ডাব্লুএফটিইউ-টিইউআই পাবলিক সার্ভিসের প্রতিনিধিসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন দপ্তর-অধিদপ্তরের প্রায় সহস্রাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. রোকনুজ্জামান এবং সহসভাপতি ফাহমিদা আক্তার ইলা।

আলোচনা সভায় মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ বলেন, সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ৫ কর্মচারীদের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই দাবি পূরণ করা না হলে সারা দেশের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে।

কর্মচারীদের দাবিগুলো হলো: দ্রব্যমূল্যের ঊধ্র্বগতির কারণে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেয়, ১০ ধাপে বেতন নির্ধারণসহ নবম বেতন কমিশন গঠন, সচিবালয়ের মতো পদবি পরিবর্তন, টাইমস্কেল সিলেকশন গ্রেড, শতভাগ পেনশন পুনর্বহাল, মূল বেতনের ২০ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া এবং পেনশন গ্র্যাচুইটির হার ১ টাকায় ৫০০ টাকা নির্ধারণসহ ৫ দাবি।

প্রধান অতিথি সাবেক সচিব, এবিএম আব্দুস সাত্তার বক্তব্যে বলেন, দেশে এখন একটি সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন। আর সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কর্মচারীদের এই যৌক্তিক ৫ দফা দাবীর জন্য আন্দোলন করতে হবে না। এই যৌক্তিক দাবী  আমি বেঁচে থাকলে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করবো।

তিনি আরো বলেন, কর্মচারীদের ঐক্যের বিকল্প নেই। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে ঐক্য ছিলাম এখনও আমরা ঐক্য থেকেই সকল বৈষম্য প্রতিরোধ করবো। এমনকি এই দেশের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোন কালো আইন আমরা মেনে নিবো না। যদি আইন করতেই হয় তাহলে সকল  কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করে করতে হবে।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, সাবেক সচিব, একেএম ইহসানুল হক, শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান এবং নির্বাহী পরিচালক (বিলস) সৈয়দ সুলতান উদ্দীন আহমদ, টিইউআই পাবলিক সার্ভিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোলানাথ পোখরেল, নেপালের প্রেসিডেন্ট কম. পুণ্যপ্রসাদ ঢাকল, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলম, ডাব্লুএফটিইউর কোর্ডিনেটর (বাংলাদেশ) রাজেকুজ্জামান রতন, সভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ, মোহাম্মদ আজিম, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের  মহাসচিব মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, অতিরিক্ত মহাসচিব কামাল হোসেন সিকদার, মোহাম্মদ আজিম কুতুব উদ্দীন সেলিম, সভাপতি এম এ আউয়ালসহ গণকর্মচারী সংগঠনের নেতারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

একাদশ জাতীয় সম্মেলনে বক্তারা বলেন ‘সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে’

আপডেট টাইম : ০২:০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

সরকারি কর্মচারীদের দাবি মেনে নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। অবিলম্বে এই দাবি পূরণ করা না হলে সারা দেশের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতারা।

শনিবার (১০ মে) সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের একাদশ জাতীয় সম্মেলনে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সম্মেলন উপলক্ষে এক শোভাযাত্রা শেষে রাজধানীর বিএমএ ভবনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে যেসব নতুন নেতৃত্ব আসবেন তাদের প্রতি শুভকামনা জানান বক্তারা।

উক্ত সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন গণকর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, ডাব্লুএফটিইউ-টিইউআই পাবলিক সার্ভিসের প্রতিনিধিসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন দপ্তর-অধিদপ্তরের প্রায় সহস্রাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. রোকনুজ্জামান এবং সহসভাপতি ফাহমিদা আক্তার ইলা।

আলোচনা সভায় মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ বলেন, সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ৫ কর্মচারীদের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই দাবি পূরণ করা না হলে সারা দেশের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে।

কর্মচারীদের দাবিগুলো হলো: দ্রব্যমূল্যের ঊধ্র্বগতির কারণে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেয়, ১০ ধাপে বেতন নির্ধারণসহ নবম বেতন কমিশন গঠন, সচিবালয়ের মতো পদবি পরিবর্তন, টাইমস্কেল সিলেকশন গ্রেড, শতভাগ পেনশন পুনর্বহাল, মূল বেতনের ২০ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া এবং পেনশন গ্র্যাচুইটির হার ১ টাকায় ৫০০ টাকা নির্ধারণসহ ৫ দাবি।

প্রধান অতিথি সাবেক সচিব, এবিএম আব্দুস সাত্তার বক্তব্যে বলেন, দেশে এখন একটি সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন। আর সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কর্মচারীদের এই যৌক্তিক ৫ দফা দাবীর জন্য আন্দোলন করতে হবে না। এই যৌক্তিক দাবী  আমি বেঁচে থাকলে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করবো।

তিনি আরো বলেন, কর্মচারীদের ঐক্যের বিকল্প নেই। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে ঐক্য ছিলাম এখনও আমরা ঐক্য থেকেই সকল বৈষম্য প্রতিরোধ করবো। এমনকি এই দেশের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোন কালো আইন আমরা মেনে নিবো না। যদি আইন করতেই হয় তাহলে সকল  কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করে করতে হবে।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, সাবেক সচিব, একেএম ইহসানুল হক, শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান এবং নির্বাহী পরিচালক (বিলস) সৈয়দ সুলতান উদ্দীন আহমদ, টিইউআই পাবলিক সার্ভিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোলানাথ পোখরেল, নেপালের প্রেসিডেন্ট কম. পুণ্যপ্রসাদ ঢাকল, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সাবেক সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলম, ডাব্লুএফটিইউর কোর্ডিনেটর (বাংলাদেশ) রাজেকুজ্জামান রতন, সভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ, মোহাম্মদ আজিম, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের  মহাসচিব মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, অতিরিক্ত মহাসচিব কামাল হোসেন সিকদার, মোহাম্মদ আজিম কুতুব উদ্দীন সেলিম, সভাপতি এম এ আউয়ালসহ গণকর্মচারী সংগঠনের নেতারা।