ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫
  • ৫৯৯ বার

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।