ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫
  • ৬২৮ বার

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।