ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫
  • ৬১৯ বার

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সেয়ানে সেয়ানে মৎস্যযুদ্ধ

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০১৫

মাছ একটি, কিন্তু ঈগল দু’টি। এমন হলে কি আর রক্ষে থাকে! ব্যস লেগে গেলো যুদ্ধ। সে কী তুমুল যুদ্ধ! শিকার নিয়ে নখে নখ, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যুদ্ধ। কে পাবে এই মাছের আসল অধিকার?

আদতে দু’টির মধ্যে মাছ ধরেছিলো একটি ঈগল। কিন্তু সহসাই অন্যটি এসে আছড়ে পড়লো তার ওপর। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো বেচারা  মাছটিকে।

বাল্ড ঈগল জোড়ার ম‍াছ শিকারের এ ছবিগুলো তুলেছেন মালয়েশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফু চান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সিব্যাক ভ্রমণের সময় দৃশ্যটি চোখে পড়ে তার।

বাল্ড ঈগল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি ও প্রাণীর দুটো আসনই তার দখলে। উত্তর আমেরিকার সমুদ্রপাড়ে দেখা মেলে হলুদ ঠোঁটের বাদামি-সাদা এ শিকারি পাখিটির।

বাল্ড ঈগলের প্রিয় খাদ্য মাছ। সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় জল থেকে ঝুপ করে তুলে নেয় প্রিয় মাছটি।

বাল্ড ঈগলে লম্বায় আড়াই ফুট থেকে সাড়ে তিন ফুট হয়। স্ত্রী বাল্ড পুরুষ পাখির তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি লম্বা। এদের পাখার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২.৫ মিটার। স্ত্রী বাল্ডের ওজন সাড়ে পাঁচ কেজি ও পুরুষ বাল্ড ওজনে ৪.১ কেজি হয়। এরা ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৩ মাইল যেতে পারে।

বিংশ শতাব্দীর শেষে এই শিকারি পাখিটি ছিলো প্রায় বিলুপ্তির পথে।  কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
১৯৯৫ সালের জুলাইতে বাল্ড ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের বিরল প্রজাতির তালিকা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে ২০০৭ সালের জুনে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর তালিকা থেকেও সরে আসে বাল্ড ঈগল।

সুযোগ সন্ধানী শিকারি পাখি বাল্ড ঈগলের প্রধান খাবার মাছ হলেও খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বিভার ও রেকন তাদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। নবজাতক ও মৃত স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপরও তদের নজরদারিও ভালো।

উত্তর আমেরিকা, কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোর সমুদ্র এল‍াকায় এদের সহজেই চোখে পড়ে। সি-ঈগল নামে পরিচিত এ পাখির বাসস্থান  পুরোনো গাছের ডাল।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।