ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩২৭ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সরকার সব সময়ই কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে, আগামীতেও নেবে। কারণ এই দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বরদাশত করা হবে না।

আজ শনিবার বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে লালবাগের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ করে এ দেশকে স্বাধীন করেছে। সবার রক্ত একাকার হয়ে মিশে গেছে এ দেশের মাটিতে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকলে এ দেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছে। তাই সব ধর্মের মানুষ তাদের এই দেশটাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,

ইসলাম শান্তির ধর্ম, সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্ম, ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। এখানে কিন্তু জঙ্গিবাদের আসলে কোনো জায়গা নাই। কিন্তু যারা এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তারা ধর্মবিরোধী কাজই করে। ধর্মের অবমাননা করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আমরা বরদাশত করব না।

শেখ হাসিনা বলেন, এখানে সকলে যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে এবং করে। সেই পরিবেশটাই আমরা তৈরি করতে চাই—ধর্ম যার যার উৎসব সকলের। আমরা বাংলাদেশিরা সেটাই মানি এবং সকলে মিলে যেকোনো উৎসব উদ্‌যাপন করি। কাজেই সকলের তরে সকলে আমরা, আমরা মানবের তরে। তাই সকলে মিলে আসুন আমরা এই দেশকে গড়ে তুলি। এই দেশ যাত উন্নত হবে, সমৃদ্ধিশালী হবে বিশ্ব সভায় ততই আমরা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হব।

প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীর দিনে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সারা দেশে বিপুল উৎসাহের সঙ্গে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে। আমি এত চাই আপনারা প্রার্থনা করবেন আমাদের এই দেশটার যেন উন্নতি হয়। দেশের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করে। আমরা বাংলাদেশ যেন দক্ষিণ এশিয়ায় একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডি এন চ্যাটার্জী, কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার পাল, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার পাল, স্থানীয় সাংসদ হাজি মো. সেলিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সেবায়েত প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী পরে রাজধানীর টিকাটুলির রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সরকার সব সময়ই কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে, আগামীতেও নেবে। কারণ এই দেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বরদাশত করা হবে না।

আজ শনিবার বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে লালবাগের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ করে এ দেশকে স্বাধীন করেছে। সবার রক্ত একাকার হয়ে মিশে গেছে এ দেশের মাটিতে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সকলে এ দেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছে। তাই সব ধর্মের মানুষ তাদের এই দেশটাতে ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,

ইসলাম শান্তির ধর্ম, সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্ম, ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। এখানে কিন্তু জঙ্গিবাদের আসলে কোনো জায়গা নাই। কিন্তু যারা এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তারা ধর্মবিরোধী কাজই করে। ধর্মের অবমাননা করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আমরা বরদাশত করব না।

শেখ হাসিনা বলেন, এখানে সকলে যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে এবং করে। সেই পরিবেশটাই আমরা তৈরি করতে চাই—ধর্ম যার যার উৎসব সকলের। আমরা বাংলাদেশিরা সেটাই মানি এবং সকলে মিলে যেকোনো উৎসব উদ্‌যাপন করি। কাজেই সকলের তরে সকলে আমরা, আমরা মানবের তরে। তাই সকলে মিলে আসুন আমরা এই দেশকে গড়ে তুলি। এই দেশ যাত উন্নত হবে, সমৃদ্ধিশালী হবে বিশ্ব সভায় ততই আমরা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হব।

প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীর দিনে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সারা দেশে বিপুল উৎসাহের সঙ্গে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে। আমি এত চাই আপনারা প্রার্থনা করবেন আমাদের এই দেশটার যেন উন্নতি হয়। দেশের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করে। আমরা বাংলাদেশ যেন দক্ষিণ এশিয়ায় একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডি এন চ্যাটার্জী, কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার পাল, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার পাল, স্থানীয় সাংসদ হাজি মো. সেলিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সেবায়েত প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী পরে রাজধানীর টিকাটুলির রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।