ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হান্নান শাহ্’র মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেতাকর্মীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩১৩ বার

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ্’র মরদেহ মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায় আনার পর রাখা হয়েছে সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালের হিমঘরে।

বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে তার মরদেহ।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায়। প্রিয় নেতার মরদেহ দেখে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মঙ্গলবার ভোর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হান্নান শাহ্।

হান্নান শাহ্’র মরদেহ গ্রহণ করতে পরিবারের সদস্য ও বিএনপির নেতারা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। হান্নান শাহ্’র ছোট ছেলে শা্‌ রিয়াজুল হান্নান ও মেয়ে শারমিন হান্নান সুমি মরদেহের সঙ্গে ছিলেন।

লাশ গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন হান্নান শাহ্’র বড় ছেলে শা্‌ রেজাউল

হান্নান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছায়েদুল ইসলাম বাবুল, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, জাকির হোসেন মিজান প্রমুখ।

ডিওএইচএসের বাসায় দলীয় নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা হান্নান শাহ্’র প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালের হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।

হান্নান শাহ্’র মৃত্যুতে মঙ্গলবার থেকে চারদিনের শোক ঘোষণা করেছে বিএনপি। শোকের দ্বিতীয়দিনে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের অফিসে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খোলা শোকবইতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা স্বাক্ষর করেন। ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা উন্মুক্ত থাকবে।

হান্নান শাহ্’র নিজ এলাকা গাজীপুরেও পালন করা হচ্ছে শোক। বিভিন্ন মসজিএদ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হান্নান শাহ্’র বড় ছেলে শা্হ্ রেজাউল হান্নান গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মহাখালী ডিওএইচএস মসজিদে, বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এবং জোহরের পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার নামাজে জানাজা হবে।

পরে হান্নান শাহ্’র মরদেহ আবারো সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। শুক্রবার সকালে সড়কপথে গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হবে তার মরদেহ।

ওইদিন সকাল ৯টায় জয়দেবপুর রাজবাড়ী মাঠে, সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও জুমার পর নিজ গ্রাম চালাবাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে বাবার কবরের পাশেই হান্নান শাহকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হান্নান শাহ্’র মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেতাকর্মীরা

আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ্’র মরদেহ মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায় আনার পর রাখা হয়েছে সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালের হিমঘরে।

বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে তার মরদেহ।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায়। প্রিয় নেতার মরদেহ দেখে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মঙ্গলবার ভোর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হান্নান শাহ্।

হান্নান শাহ্’র মরদেহ গ্রহণ করতে পরিবারের সদস্য ও বিএনপির নেতারা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। হান্নান শাহ্’র ছোট ছেলে শা্‌ রিয়াজুল হান্নান ও মেয়ে শারমিন হান্নান সুমি মরদেহের সঙ্গে ছিলেন।

লাশ গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন হান্নান শাহ্’র বড় ছেলে শা্‌ রেজাউল

হান্নান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছায়েদুল ইসলাম বাবুল, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, জাকির হোসেন মিজান প্রমুখ।

ডিওএইচএসের বাসায় দলীয় নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা হান্নান শাহ্’র প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালের হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।

হান্নান শাহ্’র মৃত্যুতে মঙ্গলবার থেকে চারদিনের শোক ঘোষণা করেছে বিএনপি। শোকের দ্বিতীয়দিনে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের অফিসে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খোলা শোকবইতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা স্বাক্ষর করেন। ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা উন্মুক্ত থাকবে।

হান্নান শাহ্’র নিজ এলাকা গাজীপুরেও পালন করা হচ্ছে শোক। বিভিন্ন মসজিএদ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হান্নান শাহ্’র বড় ছেলে শা্হ্ রেজাউল হান্নান গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মহাখালী ডিওএইচএস মসজিদে, বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এবং জোহরের পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার নামাজে জানাজা হবে।

পরে হান্নান শাহ্’র মরদেহ আবারো সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। শুক্রবার সকালে সড়কপথে গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হবে তার মরদেহ।

ওইদিন সকাল ৯টায় জয়দেবপুর রাজবাড়ী মাঠে, সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও জুমার পর নিজ গ্রাম চালাবাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে বাবার কবরের পাশেই হান্নান শাহকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।