ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কোরআনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০১৫
  • ৪৯৭ বার
ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ”কোরআনে ‘ইলম’ (শিক্ষা/জ্ঞান) শব্দটি ৮০০ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আল্লাহর পর এটাই সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দ। এই ধর্মে শিক্ষার এমনই গুরুত্ব।”
নিজ বাসভবনে’ এজুকেশন অব মুসলিমস’ (মুসলমানদের শিক্ষা) নামক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় মোদি এসব কথা বলেন। বইটি যৌথভাবে লিখেছেন ইতিহাসবেত্তা জেএস রাজপতু ও ইন্ডিয়া ইসলামিক কালচার সেন্টারের সভাপতি সিরাজুদ্দীন কোরেশী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত সার্কভুক্ত ও এর বাইরের কিছু মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের  (কাতার, বাহরাইন, মিসর ও ইন্দোনেশিয়া) হাইকমিশনার।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নিজ বাসভবনে বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের মতো অনুষ্ঠান সাধারণত হয় না। তবে প্রথমবারের মতো মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর হাইকমিশনারদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন মোদি। এ সময় তিনি উপস্থিত হাইকমিশনারদের রমজানের শুভেচ্ছাও জানান।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ভারতের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের বিষয়টি তুলে ধরেন মোদি। তিনি বলেন, ‘আমরা ভাগ্যবান এ জন্য যে এমন এক দেশে বাস করছি, যেখানে লোকজন বিভিন্ন বিশ্বাস ধারণ করে ও একই ভাষায় কথা বলে এবং প্রায় একই সংস্কৃতি মেনে চলে। বিভিন্ন বিশ্বাস বোঝার এ সুযোগ পৃথিবীর আর কোথাও নেই।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যকার মূল বিষয় হলো পরস্পরকে বোঝা।
এ সময় মোদি উল্লেখ করেন, ১৮৯৪ সালে আহমেদাবাদে একজন হিন্দু ইসলামবিষয়ক একটি সেমিনারের আয়োজন করেন। মুসলমান মেয়েদের শিক্ষাবিষয়ক একটি প্রস্তাবও (যা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়) একজন হিন্দুই করেছিলেন।
ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের আস্থাভাজন হতে একের পর এক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কোরআনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

আপডেট টাইম : ০৩:৫০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০১৫
ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ”কোরআনে ‘ইলম’ (শিক্ষা/জ্ঞান) শব্দটি ৮০০ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আল্লাহর পর এটাই সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দ। এই ধর্মে শিক্ষার এমনই গুরুত্ব।”
নিজ বাসভবনে’ এজুকেশন অব মুসলিমস’ (মুসলমানদের শিক্ষা) নামক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় মোদি এসব কথা বলেন। বইটি যৌথভাবে লিখেছেন ইতিহাসবেত্তা জেএস রাজপতু ও ইন্ডিয়া ইসলামিক কালচার সেন্টারের সভাপতি সিরাজুদ্দীন কোরেশী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত সার্কভুক্ত ও এর বাইরের কিছু মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের  (কাতার, বাহরাইন, মিসর ও ইন্দোনেশিয়া) হাইকমিশনার।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নিজ বাসভবনে বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের মতো অনুষ্ঠান সাধারণত হয় না। তবে প্রথমবারের মতো মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর হাইকমিশনারদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন মোদি। এ সময় তিনি উপস্থিত হাইকমিশনারদের রমজানের শুভেচ্ছাও জানান।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ভারতের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের বিষয়টি তুলে ধরেন মোদি। তিনি বলেন, ‘আমরা ভাগ্যবান এ জন্য যে এমন এক দেশে বাস করছি, যেখানে লোকজন বিভিন্ন বিশ্বাস ধারণ করে ও একই ভাষায় কথা বলে এবং প্রায় একই সংস্কৃতি মেনে চলে। বিভিন্ন বিশ্বাস বোঝার এ সুযোগ পৃথিবীর আর কোথাও নেই।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যকার মূল বিষয় হলো পরস্পরকে বোঝা।
এ সময় মোদি উল্লেখ করেন, ১৮৯৪ সালে আহমেদাবাদে একজন হিন্দু ইসলামবিষয়ক একটি সেমিনারের আয়োজন করেন। মুসলমান মেয়েদের শিক্ষাবিষয়ক একটি প্রস্তাবও (যা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়) একজন হিন্দুই করেছিলেন।
ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের আস্থাভাজন হতে একের পর এক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।