ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি, শেষবারের মতো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৯৫ বার

জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলী শুক্রবার প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকর করতে এখন শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আসামির সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দণ্ডিত বাকিরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার পরিবারের সদস্যদের শনিবার সাড়ে ৩টায় ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে তার আগেই বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাসনিম। স্ট্যাটাসে তারা লিখেছেন-

সুমাইয়া রাবেয়া:

‘আমার আব্বু নরম মনের মানুষ। প্রতিবার বক্তব্য দিতে উঠলে কেঁদে ফেলতেন। এটা সবাই জানেন। এর আগে যখন দেখা করতে গিয়েছিলাম তখন আব্বুর চেহারায় বিন্দুমাত্র বিচলতা দেখিনি, বরং সবার সাথে হাসি খুশি ছিলেন। তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আব্বু, আমাদের ভাইবোনের জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুপারিশ করবানা? আব্বু একগাল হেসে বললেন, শুধু তোমরা না, আমার নাতি-নাতনী, বউমা, জামাই সবার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। আমরা সবাই হেসে দিয়েছিলাম। আজকে আবার আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি। শেষবারের মতো। কাল আব্বু থাকবে না এ নিয়ে আমরা দুঃখিত নই। শাহাদাতের মর্যাদা কজনের ভাগ্যে জোটে? এ মৃত্যুর জন্যই তো সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। আল্লাহ আমার আব্বুকে কবুল করে নিন।’

তাহেরা তাসনিম:

‘সবাই আমার বাবা মীর কাসেম আলীর জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা হতে পারেন! আর আমাদের, তার পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দেন এবং এ দেশ ও জাতিকে তার চলে যাওয়াতে অর্থনীতি ও দেশসেবায় যে অপূরণীয় ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দিন। আমিন। এমকিউ আলী পরিবার!’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি, শেষবারের মতো

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬

জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলী শুক্রবার প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকর করতে এখন শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আসামির সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দণ্ডিত বাকিরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার পরিবারের সদস্যদের শনিবার সাড়ে ৩টায় ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে তার আগেই বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাসনিম। স্ট্যাটাসে তারা লিখেছেন-

সুমাইয়া রাবেয়া:

‘আমার আব্বু নরম মনের মানুষ। প্রতিবার বক্তব্য দিতে উঠলে কেঁদে ফেলতেন। এটা সবাই জানেন। এর আগে যখন দেখা করতে গিয়েছিলাম তখন আব্বুর চেহারায় বিন্দুমাত্র বিচলতা দেখিনি, বরং সবার সাথে হাসি খুশি ছিলেন। তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আব্বু, আমাদের ভাইবোনের জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুপারিশ করবানা? আব্বু একগাল হেসে বললেন, শুধু তোমরা না, আমার নাতি-নাতনী, বউমা, জামাই সবার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। আমরা সবাই হেসে দিয়েছিলাম। আজকে আবার আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি। শেষবারের মতো। কাল আব্বু থাকবে না এ নিয়ে আমরা দুঃখিত নই। শাহাদাতের মর্যাদা কজনের ভাগ্যে জোটে? এ মৃত্যুর জন্যই তো সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। আল্লাহ আমার আব্বুকে কবুল করে নিন।’

তাহেরা তাসনিম:

‘সবাই আমার বাবা মীর কাসেম আলীর জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা হতে পারেন! আর আমাদের, তার পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দেন এবং এ দেশ ও জাতিকে তার চলে যাওয়াতে অর্থনীতি ও দেশসেবায় যে অপূরণীয় ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দিন। আমিন। এমকিউ আলী পরিবার!’