ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি, শেষবারের মতো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৮৮ বার

জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলী শুক্রবার প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকর করতে এখন শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আসামির সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দণ্ডিত বাকিরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার পরিবারের সদস্যদের শনিবার সাড়ে ৩টায় ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে তার আগেই বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাসনিম। স্ট্যাটাসে তারা লিখেছেন-

সুমাইয়া রাবেয়া:

‘আমার আব্বু নরম মনের মানুষ। প্রতিবার বক্তব্য দিতে উঠলে কেঁদে ফেলতেন। এটা সবাই জানেন। এর আগে যখন দেখা করতে গিয়েছিলাম তখন আব্বুর চেহারায় বিন্দুমাত্র বিচলতা দেখিনি, বরং সবার সাথে হাসি খুশি ছিলেন। তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আব্বু, আমাদের ভাইবোনের জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুপারিশ করবানা? আব্বু একগাল হেসে বললেন, শুধু তোমরা না, আমার নাতি-নাতনী, বউমা, জামাই সবার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। আমরা সবাই হেসে দিয়েছিলাম। আজকে আবার আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি। শেষবারের মতো। কাল আব্বু থাকবে না এ নিয়ে আমরা দুঃখিত নই। শাহাদাতের মর্যাদা কজনের ভাগ্যে জোটে? এ মৃত্যুর জন্যই তো সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। আল্লাহ আমার আব্বুকে কবুল করে নিন।’

তাহেরা তাসনিম:

‘সবাই আমার বাবা মীর কাসেম আলীর জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা হতে পারেন! আর আমাদের, তার পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দেন এবং এ দেশ ও জাতিকে তার চলে যাওয়াতে অর্থনীতি ও দেশসেবায় যে অপূরণীয় ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দিন। আমিন। এমকিউ আলী পরিবার!’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি, শেষবারের মতো

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬

জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলী শুক্রবার প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকর করতে এখন শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আসামির সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দণ্ডিত বাকিরাও একই সুযোগ পেয়েছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার পরিবারের সদস্যদের শনিবার সাড়ে ৩টায় ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে তার আগেই বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাসনিম। স্ট্যাটাসে তারা লিখেছেন-

সুমাইয়া রাবেয়া:

‘আমার আব্বু নরম মনের মানুষ। প্রতিবার বক্তব্য দিতে উঠলে কেঁদে ফেলতেন। এটা সবাই জানেন। এর আগে যখন দেখা করতে গিয়েছিলাম তখন আব্বুর চেহারায় বিন্দুমাত্র বিচলতা দেখিনি, বরং সবার সাথে হাসি খুশি ছিলেন। তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আব্বু, আমাদের ভাইবোনের জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুপারিশ করবানা? আব্বু একগাল হেসে বললেন, শুধু তোমরা না, আমার নাতি-নাতনী, বউমা, জামাই সবার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। আমরা সবাই হেসে দিয়েছিলাম। আজকে আবার আব্বুকে দেখতে যাচ্ছি। শেষবারের মতো। কাল আব্বু থাকবে না এ নিয়ে আমরা দুঃখিত নই। শাহাদাতের মর্যাদা কজনের ভাগ্যে জোটে? এ মৃত্যুর জন্যই তো সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। আল্লাহ আমার আব্বুকে কবুল করে নিন।’

তাহেরা তাসনিম:

‘সবাই আমার বাবা মীর কাসেম আলীর জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা হতে পারেন! আর আমাদের, তার পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দেন এবং এ দেশ ও জাতিকে তার চলে যাওয়াতে অর্থনীতি ও দেশসেবায় যে অপূরণীয় ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দিন। আমিন। এমকিউ আলী পরিবার!’