ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৭৯ বার

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।