ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ দুর্নীতি-শর্টকাটে দ্রুত বড়লোক হওয়ার চেষ্টা নয়, আদর্শ আইনজীবী হতে হবে: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৮৫ বার

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।