ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৭৬ বার

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

কিডনির জটিল অসুখে ভুগতে পারে শিশুরাও

আপডেট টাইম : ১১:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

ছোটদেরও যে কিডনির সমস্যা হতে পারে, তা ধারণা না থাকায় কিছু উপসর্গ দেখা দিলেও তা এড়িয়ে যান অভিভাবকরা। ফলে পরবর্তী সময় সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয়। কিডনির রোগে ভুগতে পারে শিশুরাও। কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। একটু সচেতনতা ও যত্ন নিলেই কিডনির রোগব্যাধি দূর করা সম্ভব। যেসব লক্ষণ দেখলে আপরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তা তুলে ধরা হলো।

১. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ

২. প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ

৩. ছয় বছরের বেশি বয়সেও বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলা

৪. তলপেটে ব্যথা। ঘন ঘন বমি এবং কোমরে ব্যথা

৫. পেট ফুলে যাওয়া, খিদে কম এবং প্রচণ্ড দুর্বলতা

৬. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেবে শিশুদের কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিভিন্ন কারণে। ডায়াপার থেকে প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। অনেক সময়ে ছোটরা প্রস্রাব চেপে থাকে। দিনের পর দিন এমন হলে মূত্রথলিতে চাপ পড়ে। তার থেকে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়েদের প্রস্রাবের জায়গায় সংক্রমণ বেশি হয়। যদি বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হয়, তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে। জলের অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। শিশু যাতে প্রস্রাব চেপে না রাখে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যাচ্ছে যে শিশুরা, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। তেমন হলে শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে হবে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য শিশুর খাওয়াদাওয়ায় নজর দিন। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি বন্ধ করতে হবে। ঘরে তৈরি হালকা খাবারই খাওয়াতে হবে শিশুকে। পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা করাতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।