ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

পাকা আম ফ্রিজে রাখার সঠিক নিয়ম কী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • ২৩৮ বার

বাজারে এ সময় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। একবারে বেশি করে আম কিনলে কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন।

সংরক্ষণ করা আম দিয়ে বছরের যেকোনো সময় আমের মিল্কশেক কিংবা দুধ-আম খেতে পারেন। ফ্রিজারে আম এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।  যদিও পুষ্টিবিদেরা বলছেন, পাকা আম বেশি দিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। তাতে ফলের পুষ্টিগুণ কমে যায়। আমের স্বাদও নষ্ট হয়।

দীর্ঘদিন ফ্রিজে আম হিমায়িতকরণ অবস্থায় রাখলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর তা আর খাওয়ার যোগ্য নাও থাকতে পারে। তাই আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সবারই সতর্ক থাকা উচিত।

যেভাবে সংরক্ষণ করবেন-

১. আম পেকে নরম হলে কাগজের প্যাকেটে নিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ৬ দিন পর্যন্ত নরমাল ফ্রিজে ভালো থাকবে পাকা আম।

২. আমের খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরা করে জিপলক ব্যাগে রাখুন টুকরাগুলো। একটার উপর আরেকটা রাখবেন না। স্ট্র দিয়ে ভেতরের বাতাস বের করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ছয় মাস পর্যন্ত স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে।

৩. আম ব্লেন্ড করে ছোট মুখ বন্ধ বাটিতে অল্প পরিমাণে নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। বরফ জমে গেলে বের করে জিপলক ব্যাগে নিয়ে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করুন। বছরজুড়ে খেতে পারবেন এই আম।

৪. আম পুরোপুরি না পাকলে ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়। তাহলে আম ভালো ভাবে পাকবে না। ফলটির স্বাদও নষ্ট হয়ে যাবে।

ডিপ ফ্রিজ

পাকা আম বাজার থেকে কিনে আনার পর ভালো করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন। এর পর লম্বাভাবে টুকরো করে কাটতে হবে। এই আমের টুকরোগুলো প্লাস্টিক বাটি বা পলিব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

সংরক্ষিত আমের জুস বা মিল্কশেক তৈরি করে ছোট-বড় সবাই খেতে পারবেন।

ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স

আম সংরক্ষণের জন্য যে কোনো ধরনের প্লাস্টিকের বাটি ব্যবহার করা যাবে না। শুধু ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স ব্যবহার করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

পাকা আম ফ্রিজে রাখার সঠিক নিয়ম কী

আপডেট টাইম : ১০:১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

বাজারে এ সময় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। একবারে বেশি করে আম কিনলে কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন।

সংরক্ষণ করা আম দিয়ে বছরের যেকোনো সময় আমের মিল্কশেক কিংবা দুধ-আম খেতে পারেন। ফ্রিজারে আম এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।  যদিও পুষ্টিবিদেরা বলছেন, পাকা আম বেশি দিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। তাতে ফলের পুষ্টিগুণ কমে যায়। আমের স্বাদও নষ্ট হয়।

দীর্ঘদিন ফ্রিজে আম হিমায়িতকরণ অবস্থায় রাখলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর তা আর খাওয়ার যোগ্য নাও থাকতে পারে। তাই আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সবারই সতর্ক থাকা উচিত।

যেভাবে সংরক্ষণ করবেন-

১. আম পেকে নরম হলে কাগজের প্যাকেটে নিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ৬ দিন পর্যন্ত নরমাল ফ্রিজে ভালো থাকবে পাকা আম।

২. আমের খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরা করে জিপলক ব্যাগে রাখুন টুকরাগুলো। একটার উপর আরেকটা রাখবেন না। স্ট্র দিয়ে ভেতরের বাতাস বের করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ছয় মাস পর্যন্ত স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে।

৩. আম ব্লেন্ড করে ছোট মুখ বন্ধ বাটিতে অল্প পরিমাণে নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। বরফ জমে গেলে বের করে জিপলক ব্যাগে নিয়ে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করুন। বছরজুড়ে খেতে পারবেন এই আম।

৪. আম পুরোপুরি না পাকলে ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়। তাহলে আম ভালো ভাবে পাকবে না। ফলটির স্বাদও নষ্ট হয়ে যাবে।

ডিপ ফ্রিজ

পাকা আম বাজার থেকে কিনে আনার পর ভালো করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন। এর পর লম্বাভাবে টুকরো করে কাটতে হবে। এই আমের টুকরোগুলো প্লাস্টিক বাটি বা পলিব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

সংরক্ষিত আমের জুস বা মিল্কশেক তৈরি করে ছোট-বড় সবাই খেতে পারবেন।

ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স

আম সংরক্ষণের জন্য যে কোনো ধরনের প্লাস্টিকের বাটি ব্যবহার করা যাবে না। শুধু ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বক্স ব্যবহার করবেন।