ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা নতুন ভাইরাস তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই! বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা কঠিন বিপদে বা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যে ৩ আমল বেশি বেশি করবেন টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু দেশে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচার, সতর্ক করল পুলিশ বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’ ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল জনতার, কোনো রাজনৈতিক দলের নয় : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এক দিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের অনুপাতে রিজার্ভ বাড়েনি: বিশ্ব ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৬৯ বার

এক যুগে যে হারে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে, সেই হারে রিজার্ভ বাড়েনি। ঋণের বিপরীতে কমেছে রিজার্ভের অনুপাত। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বৈশ্বিক ঋণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে রিজার্ভের অনুপাত কম থাকলে আর্থিক ঝুঁকি বাড়ে। ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও কমে। ৭ বছর ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা গড় হারে কমছে। মাঝে এক বছর বাড়লেও তা স্থায়ী হয়নি। তবে এখনো দেশটি বৈদেশিক ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি বলে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আরও বলা হয়, জিডিপির তুলনায় ঋণের অনুপাতে দেশটিতে কোনো ঝুঁকিও নেই। মোট জাতীয় আয়ের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের অনুপাত ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ২০১২ সালে ছিল ২০ শতাংশ। পরে তা কমতে থাকে।

২০২০ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। এরপর থেকে ঋণ বাড়ায় এই অনুপাত আবার বেড়ে যায়। ২০২১ সালে জাতীয় আয়ের বিপরীতে ঋণের অনুপাত ছিল ২০ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২১ সালে কমে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৩ শতাংশে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের অনুপাতে রিজার্ভ বাড়েনি: বিশ্ব ব্যাংক

আপডেট টাইম : ০২:০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩

এক যুগে যে হারে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে, সেই হারে রিজার্ভ বাড়েনি। ঋণের বিপরীতে কমেছে রিজার্ভের অনুপাত। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বৈশ্বিক ঋণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে রিজার্ভের অনুপাত কম থাকলে আর্থিক ঝুঁকি বাড়ে। ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও কমে। ৭ বছর ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা গড় হারে কমছে। মাঝে এক বছর বাড়লেও তা স্থায়ী হয়নি। তবে এখনো দেশটি বৈদেশিক ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি বলে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আরও বলা হয়, জিডিপির তুলনায় ঋণের অনুপাতে দেশটিতে কোনো ঝুঁকিও নেই। মোট জাতীয় আয়ের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের অনুপাত ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ২০১২ সালে ছিল ২০ শতাংশ। পরে তা কমতে থাকে।

২০২০ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। এরপর থেকে ঋণ বাড়ায় এই অনুপাত আবার বেড়ে যায়। ২০২১ সালে জাতীয় আয়ের বিপরীতে ঋণের অনুপাত ছিল ২০ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২১ সালে কমে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৩ শতাংশে।