ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চলতি অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩
  • ৯২ বার

চলতি (২০২৩-২৪) অর্থবছর কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে এবার ঋণের পরিমাণ ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছর কৃষিঋণের লক্ষ্য ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। রোববার নতুন অর্থবছরের জন্য কৃষি ও পল্লি ঋণের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা এবং কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক কানিজ ফাতেমা, পরিচালক দেবাশীষ সরকারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। চলতি অর্থবছর কৃষি ও পল্লি ঋণের চাহিদা বিবেচনায় মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। বেসরকারিখাতের ব্যাংকগুলো ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং কৃষি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ অর্থবছর ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণ করেছে, যা ছিল অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। গত অর্থবছর মোট ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লি ঋণ পেয়েছেন। এরমধ্যে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের মাধ্যমে ঋণ পেয়েছেন ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৫ জন। যেখানে ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৩ জন নারী ১২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকার কৃষিঋণ পেয়েছেন। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়েছেন ২২ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। আর চর ও হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৩ হাজার ৪৪৯ জন কৃষক পেয়েছেন ১৮ কোটি টাকা। ঘোষিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালায় নতুন করে কয়েকটি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার নূন্যতম ৫০ শতাংশ হতে হবে, আগে যা ছিল ৩০ শতাংশ। নতুন কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। পল্লি অঞ্চলে আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ডে ঋণের সীমা ৫ লাখ টাকা। ছাঁদ কৃষি অর্থাৎ বাড়ির ছাদে বাগান করতেও ঋণ পাবেন গ্রাহক। এ ছাড়া চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষে ঋণ বিতরণ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এদিকে যেসব বাণিজ্যিক ব্যাংকের পল্লী অঞ্চলে নিজস্ব শাখা নেই কিংবা থাকলেও কম, সেসব ব্যাংক কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কৃষিঋণ নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করতো। এখন সে হার বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার নির্দেশনা সংবলিত কৃষিঋণ নীতিমালা ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের এ কৃষিঋণ নীতিমালায় নতুন কৃষকদের ঋণ দেওয়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মৎস্যে কমপক্ষে ১৩ শতাংশ ও প্রাণিসম্পদে কমপক্ষে ১৫ শতাংশ কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ আয় উৎসারিত কর্মকাণ্ডে ঋণসীমা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, আগে এ সীমা ছিল না। দেশের কৃষি যন্ত্রায়নের পথে অনেক এগিয়েছে। আগে থেকেই কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি কিনতে ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়। এবারের কৃষিঋণ নীতিমালায় কৃষি ঋণ ও সেচ যন্ত্রপাতি খাতে ঋণের হার আরও বাড়ানো হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতের পশুপালন খাতে খরচ নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিজস্ব জমির পাশাপাশি লিজকৃত জমিতে খামার স্থাপনের ক্ষেত্রেও ঋণ বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কৃষি নীতিমালায় কৃষিঋণ বিতরণে পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে শাখা পর্যায় পর্যন্ত নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশনা যুক্ত করা হয়। ব্যাংকের শাখাভিত্তিক এবং মাসভিত্তিক ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ব্যাংকের শাখাকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় রাখা হয়েছে। কৃষি ও পল্লী খাতে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আলোচ্য কর্মসূচি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ঋণের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা এ কে এম সাজেদুর রহমান কৃষিঋণ নীতিমালা প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিজস্ব শাখার মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণে এবারের নীতিমালায় জোর দেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যাংক কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হবে, সেসব ব্যাংকের অনর্জিত কৃষি ঋণের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা হিসাবে ১৮ মাসের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণের সাধারণ তহবিলে জমা রাখতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক মাত্র ২ শতাংশ হারে সুদ পাবে। আর ওই টাকা কৃষি ঋণ হিসাবে বিতরণ করা হবে। অতীতে কোনো ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হলেও নতুন নীতিমালায় এসব ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণে মনোযোগ দেবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

চলতি অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা

আপডেট টাইম : ১২:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩

চলতি (২০২৩-২৪) অর্থবছর কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে এবার ঋণের পরিমাণ ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছর কৃষিঋণের লক্ষ্য ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। রোববার নতুন অর্থবছরের জন্য কৃষি ও পল্লি ঋণের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা এবং কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক কানিজ ফাতেমা, পরিচালক দেবাশীষ সরকারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। চলতি অর্থবছর কৃষি ও পল্লি ঋণের চাহিদা বিবেচনায় মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। বেসরকারিখাতের ব্যাংকগুলো ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং কৃষি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ অর্থবছর ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণ করেছে, যা ছিল অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। গত অর্থবছর মোট ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লি ঋণ পেয়েছেন। এরমধ্যে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের মাধ্যমে ঋণ পেয়েছেন ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৫ জন। যেখানে ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৩ জন নারী ১২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকার কৃষিঋণ পেয়েছেন। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়েছেন ২২ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। আর চর ও হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৩ হাজার ৪৪৯ জন কৃষক পেয়েছেন ১৮ কোটি টাকা। ঘোষিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালায় নতুন করে কয়েকটি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার নূন্যতম ৫০ শতাংশ হতে হবে, আগে যা ছিল ৩০ শতাংশ। নতুন কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। পল্লি অঞ্চলে আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ডে ঋণের সীমা ৫ লাখ টাকা। ছাঁদ কৃষি অর্থাৎ বাড়ির ছাদে বাগান করতেও ঋণ পাবেন গ্রাহক। এ ছাড়া চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষে ঋণ বিতরণ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এদিকে যেসব বাণিজ্যিক ব্যাংকের পল্লী অঞ্চলে নিজস্ব শাখা নেই কিংবা থাকলেও কম, সেসব ব্যাংক কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কৃষিঋণ নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করতো। এখন সে হার বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার নির্দেশনা সংবলিত কৃষিঋণ নীতিমালা ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের এ কৃষিঋণ নীতিমালায় নতুন কৃষকদের ঋণ দেওয়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মৎস্যে কমপক্ষে ১৩ শতাংশ ও প্রাণিসম্পদে কমপক্ষে ১৫ শতাংশ কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ আয় উৎসারিত কর্মকাণ্ডে ঋণসীমা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, আগে এ সীমা ছিল না। দেশের কৃষি যন্ত্রায়নের পথে অনেক এগিয়েছে। আগে থেকেই কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি কিনতে ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হয়। এবারের কৃষিঋণ নীতিমালায় কৃষি ঋণ ও সেচ যন্ত্রপাতি খাতে ঋণের হার আরও বাড়ানো হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতের পশুপালন খাতে খরচ নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিজস্ব জমির পাশাপাশি লিজকৃত জমিতে খামার স্থাপনের ক্ষেত্রেও ঋণ বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কৃষি নীতিমালায় কৃষিঋণ বিতরণে পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে শাখা পর্যায় পর্যন্ত নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশনা যুক্ত করা হয়। ব্যাংকের শাখাভিত্তিক এবং মাসভিত্তিক ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ব্যাংকের শাখাকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় রাখা হয়েছে। কৃষি ও পল্লী খাতে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আলোচ্য কর্মসূচি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ঋণের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা এ কে এম সাজেদুর রহমান কৃষিঋণ নীতিমালা প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিজস্ব শাখার মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণে এবারের নীতিমালায় জোর দেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যাংক কৃষি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হবে, সেসব ব্যাংকের অনর্জিত কৃষি ঋণের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা হিসাবে ১৮ মাসের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণের সাধারণ তহবিলে জমা রাখতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক মাত্র ২ শতাংশ হারে সুদ পাবে। আর ওই টাকা কৃষি ঋণ হিসাবে বিতরণ করা হবে। অতীতে কোনো ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হলেও নতুন নীতিমালায় এসব ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণে মনোযোগ দেবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।