ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

সিলেটে ‘পলো বাওয়া’ উৎসব উদযাপিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২১৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হলো ‘পলো বাওয়া’  উৎসবের। শনিবার (২১ জানুয়ারি) উপজেলার গোয়াহরি গ্রামের দক্ষিণের (বড়) বিলে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন গ্রামের শতাধিক মানুষ।

প্রতিবছর শীতকালে এ উৎসব পালিত হয়। পানি ও কচুরিপানা বেশি না থাকায় মাছ নিয়ে ফিরেছেন অনেকেই। মাছের মধ্যে ছিলো বোয়াল, শউল, মিরকা, কারপু, বাউশ, ঘনিয়া, রওউসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

গোয়াহরি গ্রামের ঐহিত্য অনুযায়ী মাঘ মাসের প্রথম দিন ‘পলো বাওয়া’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার বিলে মাছ বেশি থাকায় এলাকাবাসী পলো বাওয়ার উৎসবের তারিখ পরিবর্তন করেন। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে গোয়াহরি গ্রামে কয়েকদিন ধরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিলো। ১৫ দিন পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। ঐতিহ্য অনুযায়ী ১৫ দিন পর ২য় ধাপে শুরু হবে পলো বাওয়া। এই পনেরো দিনের ভিতরে বিলে হাত দিয়ে মাছ ধরা হবে এবং কেউ চাইলে হাতা জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাছ শিকার করতে নিজ নিজ পলো নিয়ে বিলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লোকজন। যাদের পলো নেই তারা মাছ ধরার ছোট ছোট বিভিন্ন জাল নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত সময় কাটান। এসময় মাছ ধরার এ দৃশ্য উপভোগ করতে শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেককেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়াহরি গ্রামের ইকবাল হোসেন বলেন, পলো বাওয়া উৎসব আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য। শত ব্যস্ততার মধ্যেও এ উৎসবে অংশগ্রহণ করি। গ্রামবাসী যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালন করে আসছেন।
মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা লুৎফুর রহমান বলেন, উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।

প্রবাসী আশরাফুজামান বলেন, আমি পলো বাওয়া অনেক বছর দেখি না। এবার এ উৎসব দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। পলো দিয়ে মাছ শিকার করা অনেক আনন্দের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সিলেটে ‘পলো বাওয়া’ উৎসব উদযাপিত

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হলো ‘পলো বাওয়া’  উৎসবের। শনিবার (২১ জানুয়ারি) উপজেলার গোয়াহরি গ্রামের দক্ষিণের (বড়) বিলে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন গ্রামের শতাধিক মানুষ।

প্রতিবছর শীতকালে এ উৎসব পালিত হয়। পানি ও কচুরিপানা বেশি না থাকায় মাছ নিয়ে ফিরেছেন অনেকেই। মাছের মধ্যে ছিলো বোয়াল, শউল, মিরকা, কারপু, বাউশ, ঘনিয়া, রওউসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

গোয়াহরি গ্রামের ঐহিত্য অনুযায়ী মাঘ মাসের প্রথম দিন ‘পলো বাওয়া’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার বিলে মাছ বেশি থাকায় এলাকাবাসী পলো বাওয়ার উৎসবের তারিখ পরিবর্তন করেন। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে গোয়াহরি গ্রামে কয়েকদিন ধরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিলো। ১৫ দিন পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। ঐতিহ্য অনুযায়ী ১৫ দিন পর ২য় ধাপে শুরু হবে পলো বাওয়া। এই পনেরো দিনের ভিতরে বিলে হাত দিয়ে মাছ ধরা হবে এবং কেউ চাইলে হাতা জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাছ শিকার করতে নিজ নিজ পলো নিয়ে বিলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লোকজন। যাদের পলো নেই তারা মাছ ধরার ছোট ছোট বিভিন্ন জাল নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত সময় কাটান। এসময় মাছ ধরার এ দৃশ্য উপভোগ করতে শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেককেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়াহরি গ্রামের ইকবাল হোসেন বলেন, পলো বাওয়া উৎসব আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য। শত ব্যস্ততার মধ্যেও এ উৎসবে অংশগ্রহণ করি। গ্রামবাসী যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালন করে আসছেন।
মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা লুৎফুর রহমান বলেন, উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।

প্রবাসী আশরাফুজামান বলেন, আমি পলো বাওয়া অনেক বছর দেখি না। এবার এ উৎসব দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। পলো দিয়ে মাছ শিকার করা অনেক আনন্দের।