ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

সিলেটে ‘পলো বাওয়া’ উৎসব উদযাপিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২১৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হলো ‘পলো বাওয়া’  উৎসবের। শনিবার (২১ জানুয়ারি) উপজেলার গোয়াহরি গ্রামের দক্ষিণের (বড়) বিলে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন গ্রামের শতাধিক মানুষ।

প্রতিবছর শীতকালে এ উৎসব পালিত হয়। পানি ও কচুরিপানা বেশি না থাকায় মাছ নিয়ে ফিরেছেন অনেকেই। মাছের মধ্যে ছিলো বোয়াল, শউল, মিরকা, কারপু, বাউশ, ঘনিয়া, রওউসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

গোয়াহরি গ্রামের ঐহিত্য অনুযায়ী মাঘ মাসের প্রথম দিন ‘পলো বাওয়া’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার বিলে মাছ বেশি থাকায় এলাকাবাসী পলো বাওয়ার উৎসবের তারিখ পরিবর্তন করেন। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে গোয়াহরি গ্রামে কয়েকদিন ধরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিলো। ১৫ দিন পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। ঐতিহ্য অনুযায়ী ১৫ দিন পর ২য় ধাপে শুরু হবে পলো বাওয়া। এই পনেরো দিনের ভিতরে বিলে হাত দিয়ে মাছ ধরা হবে এবং কেউ চাইলে হাতা জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাছ শিকার করতে নিজ নিজ পলো নিয়ে বিলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লোকজন। যাদের পলো নেই তারা মাছ ধরার ছোট ছোট বিভিন্ন জাল নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত সময় কাটান। এসময় মাছ ধরার এ দৃশ্য উপভোগ করতে শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেককেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়াহরি গ্রামের ইকবাল হোসেন বলেন, পলো বাওয়া উৎসব আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য। শত ব্যস্ততার মধ্যেও এ উৎসবে অংশগ্রহণ করি। গ্রামবাসী যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালন করে আসছেন।
মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা লুৎফুর রহমান বলেন, উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।

প্রবাসী আশরাফুজামান বলেন, আমি পলো বাওয়া অনেক বছর দেখি না। এবার এ উৎসব দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। পলো দিয়ে মাছ শিকার করা অনেক আনন্দের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

সিলেটে ‘পলো বাওয়া’ উৎসব উদযাপিত

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হলো ‘পলো বাওয়া’  উৎসবের। শনিবার (২১ জানুয়ারি) উপজেলার গোয়াহরি গ্রামের দক্ষিণের (বড়) বিলে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন গ্রামের শতাধিক মানুষ।

প্রতিবছর শীতকালে এ উৎসব পালিত হয়। পানি ও কচুরিপানা বেশি না থাকায় মাছ নিয়ে ফিরেছেন অনেকেই। মাছের মধ্যে ছিলো বোয়াল, শউল, মিরকা, কারপু, বাউশ, ঘনিয়া, রওউসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

গোয়াহরি গ্রামের ঐহিত্য অনুযায়ী মাঘ মাসের প্রথম দিন ‘পলো বাওয়া’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার বিলে মাছ বেশি থাকায় এলাকাবাসী পলো বাওয়ার উৎসবের তারিখ পরিবর্তন করেন। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে গোয়াহরি গ্রামে কয়েকদিন ধরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিলো। ১৫ দিন পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। ঐতিহ্য অনুযায়ী ১৫ দিন পর ২য় ধাপে শুরু হবে পলো বাওয়া। এই পনেরো দিনের ভিতরে বিলে হাত দিয়ে মাছ ধরা হবে এবং কেউ চাইলে হাতা জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাছ শিকার করতে নিজ নিজ পলো নিয়ে বিলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লোকজন। যাদের পলো নেই তারা মাছ ধরার ছোট ছোট বিভিন্ন জাল নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত সময় কাটান। এসময় মাছ ধরার এ দৃশ্য উপভোগ করতে শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেককেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়াহরি গ্রামের ইকবাল হোসেন বলেন, পলো বাওয়া উৎসব আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য। শত ব্যস্ততার মধ্যেও এ উৎসবে অংশগ্রহণ করি। গ্রামবাসী যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালন করে আসছেন।
মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা লুৎফুর রহমান বলেন, উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।

প্রবাসী আশরাফুজামান বলেন, আমি পলো বাওয়া অনেক বছর দেখি না। এবার এ উৎসব দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। পলো দিয়ে মাছ শিকার করা অনেক আনন্দের।