ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

কনকনে শীতে শিশুর গোসল নিয়ে দুশ্চিন্তা? মাথায় রাখবেন যেসব বিষয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৫৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে কমছে তাপমাত্রার পারদ। কনকনে এই শীতে যেখানে প্রাপ্ত বয়স্করাই গোসলে ভয় পান, সেখানে শিশুদের গোসল নিয়ে লেগে যায় আরও বড় দ্বন্দ্ব। অনেক বাবা-মা শীতে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে চান না। তবে এটি মোটেও চিকিৎসক সমর্থিত নয়। তবে শিশুকে গোসলের সময় বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে ঠাণ্ডা লেগে অসুস্থ হওয়া এড়ানো যাবে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথশটসে শীতকালেও শিশুদের নিয়মিত গোসলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শিশু যদি একেবারে ছোট হয়, তা হলে তাকে গোসল করানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুর জন্মের তিনদিন পর থেকেই তাকে গোসল করানো যেতে পারে। তার পর দেড় মাস পর্যন্ত এক দিন অন্তর গোসল করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন তারা।

যে সব শিশুর বয়স দেড় মাসের বেশি, তাদের সব ঋতুতেই প্রতিদিন স্নান করানো উচিত। তবে শিশুর যদি নিউমোনিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা থাকে কিংবা শিশু যদি প্রিম্যাচিয়োর হয়, সে ক্ষেত্রে গোসল করার নিয়ম নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ করে নেয়া ভালো।

শীতে মূলত শরীর ভেতর থেকে শুষ্ক হয়ে যায়। আবার বাইরেও যদি পানির অভাব হয়, তা হলে শরীর অত্যধিক গরম হয়ে যায়। এ ছাড়া, শিশুর ত্বকও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই একদিন গোসল না করালেও তাদের ত্বকে নানা সমস্যা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। ঠান্ডা পানিতে শিশুকে একেবারেই গোসল করানো যাবে না। গোসল করানোর জন্য দিনের নির্দিষ্ট একটি সময় বেছে নিন। প্রতিদিন একই সময়ে গোসল করানো ভালো।

শিশুর একটু জ্বর-জ্বর ভাব থাকলে গোসল না করিয়ে বরং তোয়ালে ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিতে পারেন। গোসল করানোর পর সঙ্গে সঙ্গে ভালোভাবে মাথা ও কান মোছাতে হবে। যাতে পানি বসে ঠান্ডা না লেগে যায়। শীতে শিশুকে গোসল করানোর সময়ে আস্থা রাখতে পারেন গ্লিসারিন সাবানে। এতে ত্বকের শুষ্কতা কমবে। কম ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে শিশুর জন্য। গোসলের আগে সম্ভব হলে শিশুকে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। হালকা হাতে সর্ষের তেল ভালভাবে মালিশ করে দিন। এতে শরীর গরম থাকবে। সহজে ঠান্ডাও লাগবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কনকনে শীতে শিশুর গোসল নিয়ে দুশ্চিন্তা? মাথায় রাখবেন যেসব বিষয়

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে কমছে তাপমাত্রার পারদ। কনকনে এই শীতে যেখানে প্রাপ্ত বয়স্করাই গোসলে ভয় পান, সেখানে শিশুদের গোসল নিয়ে লেগে যায় আরও বড় দ্বন্দ্ব। অনেক বাবা-মা শীতে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে চান না। তবে এটি মোটেও চিকিৎসক সমর্থিত নয়। তবে শিশুকে গোসলের সময় বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে ঠাণ্ডা লেগে অসুস্থ হওয়া এড়ানো যাবে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথশটসে শীতকালেও শিশুদের নিয়মিত গোসলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শিশু যদি একেবারে ছোট হয়, তা হলে তাকে গোসল করানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুর জন্মের তিনদিন পর থেকেই তাকে গোসল করানো যেতে পারে। তার পর দেড় মাস পর্যন্ত এক দিন অন্তর গোসল করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন তারা।

যে সব শিশুর বয়স দেড় মাসের বেশি, তাদের সব ঋতুতেই প্রতিদিন স্নান করানো উচিত। তবে শিশুর যদি নিউমোনিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা থাকে কিংবা শিশু যদি প্রিম্যাচিয়োর হয়, সে ক্ষেত্রে গোসল করার নিয়ম নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ করে নেয়া ভালো।

শীতে মূলত শরীর ভেতর থেকে শুষ্ক হয়ে যায়। আবার বাইরেও যদি পানির অভাব হয়, তা হলে শরীর অত্যধিক গরম হয়ে যায়। এ ছাড়া, শিশুর ত্বকও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই একদিন গোসল না করালেও তাদের ত্বকে নানা সমস্যা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। ঠান্ডা পানিতে শিশুকে একেবারেই গোসল করানো যাবে না। গোসল করানোর জন্য দিনের নির্দিষ্ট একটি সময় বেছে নিন। প্রতিদিন একই সময়ে গোসল করানো ভালো।

শিশুর একটু জ্বর-জ্বর ভাব থাকলে গোসল না করিয়ে বরং তোয়ালে ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিতে পারেন। গোসল করানোর পর সঙ্গে সঙ্গে ভালোভাবে মাথা ও কান মোছাতে হবে। যাতে পানি বসে ঠান্ডা না লেগে যায়। শীতে শিশুকে গোসল করানোর সময়ে আস্থা রাখতে পারেন গ্লিসারিন সাবানে। এতে ত্বকের শুষ্কতা কমবে। কম ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে শিশুর জন্য। গোসলের আগে সম্ভব হলে শিশুকে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। হালকা হাতে সর্ষের তেল ভালভাবে মালিশ করে দিন। এতে শরীর গরম থাকবে। সহজে ঠান্ডাও লাগবে না।