,

বিএনপির সমাবেশে লাখো জনতা

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২২ আগস্ট থেকে উপজেলা-জেলা-মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ-মিছিল শ্রাবণের শেষে তাল পাকা রোদে ছায়ার নিচে দাঁড়ানো কঠিন। প্রচন্ড রোদে পিচ ঢালা পথ যেনো উনুনে পরিণত হয়েছে। গরম আর ঘামে সবার ত্রাহি অবস্থা। মাথা পুড়ছে সূর্যের তাপে, দুই পাশে কংক্রিটের ভবন আর পায়ের নিচে উত্তপ্ত পিচ ঢালা পথ। মাঝে আবার হঠাৎ বৃষ্টি, বৃষ্টি শেষেই ফের রৌদ্রের দাপট। এরই মধ্যে মাথায় লাল-সবুজের পতাকা বাধা, এক হাতে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি সম্বলিত প্লেকার্ড, অন্য হাত মুষ্টিবদ্ধ, হাটি হাটি পায়ে বজ্র কণ্ঠে শ্লোগান ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, দফা এক দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ’, ‘বাংলাদেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে’। ঢাকা মহানগর ও রাজধানীর পাশের জেলাগুলো থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে উপস্থিত হয়ে লাখো কণ্ঠে এই আওয়াজে প্রকম্পিত করে তুলেন গোটা এলাকা।

গতকাল বৃহস্পতিবার জ্বালানী তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়াবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে নূরে আলম ও আব্দুর রহিমের হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীর নয়াপল্টনে সমাবেশ করে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বেলা ২টায় সমাবেশের সময় নির্ধারণ করা হলেও সকাল ৯টা থেকেই নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে নয়াপল্টন ভরে ওঠে মানুষ আর মানুষে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতি একদিকে নাইটিঙ্গেল মোড় অন্যদিকে ফকিরাপুল ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া ওই সড়কের আশপাশের অলিতে গলিতে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। তখনও খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনমুখী ছিল ঢাকা ও এর আশাপাশের জেলার নেতাকর্মীরা। হাতে হাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড আর মুখে মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দিতে দিতে তারা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে জনতার স্রোতে মিলে যান।

সমাবেশ উপলক্ষে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৫টি ট্রাক একত্রিত করে নির্মাণ করা হয় অস্থায়ী মঞ্চ। ব্যানারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বড় ছবির পাশপাশি জিয়াউর রহমানের ছবিও ছিল। দুপুর ১টা থেকে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য শুরু করেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বেলা ২টায় শুরু হয় বিএনপির সমাবেশ। তবে ততক্ষণে কাকরাইল-নাইটিঙ্গেল, বিজয়নগর, ফকিরাপুল এলাকা ছাড়িয়ে যায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। গোটা এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। প্রচন্ড রোদ্রের মাঝে সোয়া ১টার দিকে এক পশলা বৃষ্টিও আসে। কিন্তু রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই নেতাকর্মীরা সরকার ও সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে, সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকার হটাতে নেতাকর্মীদের ‘রাজপথ দখলে’র প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ১৮ কোটি মানুষকে বাঁচাবার লড়াই শুরু হয়েছে, এই লড়াইয়ে অবশ্যই আমাদের শরিক হতে হবে, ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, রাজপথ দখল করতে হবে। রাজপথের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা অবশ্যই এই ফ্যাসিস্ট দানবীয় হাসিনা সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই জনগণের সরকার, জনগণের রাষ্ট্র, জনগনের একটা সমাজ তৈরি করবো।

সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আর কাল বিলম্ব না করে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। কারণ আপনারা মানুষের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছেন। সুতরাং এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন দিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহনে নতুন পার্লামেন্ট গঠন করতে হবে, সরকার গঠন করতে হবে।

এসময় আগামী ২২ আগস্ট থেকে সারা দেশে উপজেলা-জেলা-মহানগর পর্যয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি অব্যাহতভাবে চলবে বলে ঘোষণা করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ২২ তারিখ থেকে সকল উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে আমরা ছড়িয়ে পড়ব এবং প্রত্যেকটি উপজেলা, জেলায় ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা এই সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করব ইনশাল্লাহ।

দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে চাল, ডাল, তেল সব কিছুরই দাম বেড়ে যাচ্ছে। আরেকদিকে বিদ্যুতের যে সমস্যা সেটা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সরকার আমদানি করার জন্য, দুর্নীতি ও চুরি করার জন্য আমার দেশের গ্যাস উত্তোলনের কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। তাদের নিজস্ব লোকদের দিয়ে গ্যাস আমদানির ফলে আজকে বিদ্যুতের দামও অনেক বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুতের কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট রয়েছে তাদেরকে ২৮ হাজার কোটি টাকা প্রতি বছর দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭৮ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। গত ৭ বছরে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে তার হিসাব আছে ২৪০ বিলিয়ন ডলার। প্রশ্ন আমাদের এই ৩০ বিলয়ন ডলার কোথা গেলো ? কারা নিয়ে গেলো? তা জনগণ জানতে চায়।’’

ছাত্রদল-যুবদলসহ নবীনদের সরকারের বিরোধী আন্দোলনে ‘জেগে’ উঠার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের তরুন সমাজ, যুব সমাজ তাদেরকে জেগে উঠতে হবে। তাদেরকে আজকে নতুন করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে হবে। সেই স্বাধীনতা হবে আমাদের নিরাপত্তার স্বাধীনতা, সমৃদ্ধির স্বাধীনতা, ন্যায় বিচার, সাম্য ও সামাজিক মর্যাদার স্বাধীনতা। নতুন বাংলাদেশ আমরা নির্মাণ করব তারেক রহমানের নেতৃত্বে।
সমাবেশে যোগদানের সময়ে বিভিন্ন স্থানে নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও বাধা প্রদানের অভিযোগ করে তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও জানান বিএনপি মহাসচিব।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এই স্বৈরাচারি, লুটেরা, ভোট ডাকাত, ফ্যাসিবাদ সরকারের হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করতে হলে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে কথা আপনাদেরকে (নেতা-কর্মীদের) বলেছেন, ফয়সালা করতে হবে রাজপথে। এই ফয়সালা করতে প্রস্তুত বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, গত তিন বছরে এদেশের ৫৪ হাজার কোটি টাকা কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে পাচার করে দেয়া হয়েছে। এখনো লোডশেডিং চলছে, আমরা বিদ্যুত পাইনা। কিন্তু কুইক রেন্টালের টাকা বন্ধ নেই, ওদের টাকা দেয়া হচ্ছে। কার টাকা যাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে কোনো খবর নেই। গত ১০ বছরে পাচার হয়েছে সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা। এভাবে দেশটাকে আজকে আওয়ামী দেউলিয়ার পথে নিয়ে গেছে। এই দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমাদের কোনো কথা নেই আমাদের দাবি একটাই- শেখ হাসিনার পদত্যাগ। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে, এই সংসদ বাতিল করতে হবে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে, এই নির্বাচন কমিশন বাতিল করতে হবে। আমরা যখন রাস্তায় নেমেই গেছি। আমরা দাবি আদায় না করে যাবো না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও আমিনুল হকের সঞ্চালনায় এই সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, জয়নাল আবেদীন, আমান উল্লাহ আমান, আফরোজা খান রিতা, রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, আবদুস সালাম আজাদ, দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

দলের অঙ্গসংগঠনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, উলামা দলেরর নজরুল ইসলাম তালুকদার, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব, ছাত্রদলের কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ এই জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে নিতাই রায় চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, কামরুজ্জামান রতন, মীর সরাফত আলী সুপ, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, আজিজুল বারী হেলাল, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সেলিমুজ্জামান সেলিম, শামীমুর রহমান শামীম, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, সাইফুল আলম নিরব, মীর নেওয়াজ আলী, আমিরুজ্জামান শিমুল, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান, মহানগর বিএনপির ইশরাক হোসেন, হাবিবুর রশীদ হাবিব, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ অঙ্গসংগঠন ও মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড় এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রবেশমুখে পুলিশ থাকলেও সমাবেশস্থলে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোন নেতাকর্মীকে বাধা দেয়া বা হয়রানি করানোর কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসতে বাধা পেয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নেতাকর্মীদের আসা-যাওয়ার জন্য বাস ভাড়া করার পর প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নির্দেশনায় তা বাতিল করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলা বিএনপি।

নরসিংদী জেলা বিএনপির সদস্য রফিকুল ভূইয়া রুহেল বলেন, আমরা রায়পুরা উপজেলা নেতাকর্মীদের জন্য উপজেলার ১০টি বাস ভাড়া করি, তাদের অগ্রিম টাকাও দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তারা টাকা ফেরত দিয়ে বলে যেতে পারবে না। এরপর ভৈরব থেকে ভাড়া করলেও একইভাবে বুধবার রাত ১১টার দিকে তারা না করে দেয়। পরবর্তীতে তারা ট্রেনে করে সমাবেশে আসেন। একই পরিস্থিতির কারণে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে পারেননি মানিকগঞ্জের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য প্রায় অর্ধশত গাড়ি ভাড়া করেছিল জেলা নেতৃবৃন্দ। কিন্তু শ্রমিক লীগের এক নেতা যানবাহন মালিকদের হুমকি-ধামকি দেয়ার কারণে ভাড়াকৃত গাড়িগুলো যাত্রা বাতিল করে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন বলেন, ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে মানিকগঞ্জ থেকে থেকে পাঁচ হাজার দলীয় নেতা-কর্মীর যোগ দেয়ার কথা ছিল।এজন্য প্রায় অর্ধশত গাড়ি ভাড়া করা হয়। বুধবার রাতে হঠাৎ শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দ যানবাহন শ্রমিক এবং মালিকদের ঢাকার সমাবেশে গাড়ি না যাওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দেয়। যার কারণে আমরা গাড়িগুলো পাইনি। তারা ভাড়াকৃত গাড়িগুলোর এডভান্স এর টাকা ফেরত দেয়। গাজীপুর জেলা ও উত্তরা বিএনপির পক্ষ থেকেই একইরকম অভিযোগ পাওয়া যায়।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর