ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মদনে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দশমিনায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • ২৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর দশমিনায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আনারসের চাষ। এতে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
জানা যায়, এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির আঙ্গিনায় আনারসের চাষ হয়েছে যা দিয়ে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কেউ কেউ স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেছে। চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ একর পতিত জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন চাষির বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনারস চাষের উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ও দশমিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জানা যায়, জেলার লেবুখালীতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির আনারস চারা সরবরাহ করেছে।

উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রণগোপালদী গ্রামের চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, আমি অনেক বছর যাবৎ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নার্সারী ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূল উৎপাদন করি। আনারস চাষে সঠিক ফলন পেলে খরচের প্রায় তিন-চার গুণ লাভ হয়। তাই আমি এ বছর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে আনারসের চাষ করেছি। জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমার লাগানো সকল আনারস চারা বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। আমি প্রায় অর্ধ একর পতিত জমিতে আনারস চাষ করেছি। আশা করি অনেক ভালো ফলন পাব। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের নেহালগঞ্জ গ্রামের চাষি সুলতান সরদার জানান, জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির দুই হাজার আনারসের চারা পেয়ে আমার অর্ধ একর পতিত জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হচ্ছে। আশা করি, আমি অনেক লাভবান হবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাফর আহমেদ দ্য ডেইলি অবজারভারকে জানান, আনারস চাষের জন্য বাড়তি জমির প্রয়োজন হয় না। উপজেলার পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা হিসেবে আনারস চাষে চাষীদেরকে উদ্ধুদ্ধকরণ করা হয়েছে। আনারস উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি থাকায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে আনারস চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মদনে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দশমিনায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ

আপডেট টাইম : ১০:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর দশমিনায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আনারসের চাষ। এতে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
জানা যায়, এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির আঙ্গিনায় আনারসের চাষ হয়েছে যা দিয়ে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কেউ কেউ স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেছে। চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ একর পতিত জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন চাষির বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনারস চাষের উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ও দশমিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জানা যায়, জেলার লেবুখালীতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির আনারস চারা সরবরাহ করেছে।

উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রণগোপালদী গ্রামের চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, আমি অনেক বছর যাবৎ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নার্সারী ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূল উৎপাদন করি। আনারস চাষে সঠিক ফলন পেলে খরচের প্রায় তিন-চার গুণ লাভ হয়। তাই আমি এ বছর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে আনারসের চাষ করেছি। জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমার লাগানো সকল আনারস চারা বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। আমি প্রায় অর্ধ একর পতিত জমিতে আনারস চাষ করেছি। আশা করি অনেক ভালো ফলন পাব। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের নেহালগঞ্জ গ্রামের চাষি সুলতান সরদার জানান, জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির দুই হাজার আনারসের চারা পেয়ে আমার অর্ধ একর পতিত জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হচ্ছে। আশা করি, আমি অনেক লাভবান হবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাফর আহমেদ দ্য ডেইলি অবজারভারকে জানান, আনারস চাষের জন্য বাড়তি জমির প্রয়োজন হয় না। উপজেলার পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা হিসেবে আনারস চাষে চাষীদেরকে উদ্ধুদ্ধকরণ করা হয়েছে। আনারস উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি থাকায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে আনারস চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।