ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

দশমিনায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • ২৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর দশমিনায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আনারসের চাষ। এতে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
জানা যায়, এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির আঙ্গিনায় আনারসের চাষ হয়েছে যা দিয়ে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কেউ কেউ স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেছে। চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ একর পতিত জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন চাষির বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনারস চাষের উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ও দশমিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জানা যায়, জেলার লেবুখালীতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির আনারস চারা সরবরাহ করেছে।

উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রণগোপালদী গ্রামের চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, আমি অনেক বছর যাবৎ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নার্সারী ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূল উৎপাদন করি। আনারস চাষে সঠিক ফলন পেলে খরচের প্রায় তিন-চার গুণ লাভ হয়। তাই আমি এ বছর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে আনারসের চাষ করেছি। জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমার লাগানো সকল আনারস চারা বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। আমি প্রায় অর্ধ একর পতিত জমিতে আনারস চাষ করেছি। আশা করি অনেক ভালো ফলন পাব। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের নেহালগঞ্জ গ্রামের চাষি সুলতান সরদার জানান, জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির দুই হাজার আনারসের চারা পেয়ে আমার অর্ধ একর পতিত জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হচ্ছে। আশা করি, আমি অনেক লাভবান হবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাফর আহমেদ দ্য ডেইলি অবজারভারকে জানান, আনারস চাষের জন্য বাড়তি জমির প্রয়োজন হয় না। উপজেলার পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা হিসেবে আনারস চাষে চাষীদেরকে উদ্ধুদ্ধকরণ করা হয়েছে। আনারস উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি থাকায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে আনারস চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দশমিনায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ

আপডেট টাইম : ১০:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর দশমিনায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আনারসের চাষ। এতে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
জানা যায়, এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির আঙ্গিনায় আনারসের চাষ হয়েছে যা দিয়ে নিজেদের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কেউ কেউ স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেছে। চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০ একর পতিত জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে।

উপজেলার কয়েকজন চাষির বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনারস চাষের উদ্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ও দশমিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জানা যায়, জেলার লেবুখালীতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির আনারস চারা সরবরাহ করেছে।

উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রণগোপালদী গ্রামের চাষি শাহ আলম জোমাদ্দার জানান, আমি অনেক বছর যাবৎ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নার্সারী ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূল উৎপাদন করি। আনারস চাষে সঠিক ফলন পেলে খরচের প্রায় তিন-চার গুণ লাভ হয়। তাই আমি এ বছর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে আনারসের চাষ করেছি। জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমার লাগানো সকল আনারস চারা বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। আমি প্রায় অর্ধ একর পতিত জমিতে আনারস চাষ করেছি। আশা করি অনেক ভালো ফলন পাব। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে।

উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের নেহালগঞ্জ গ্রামের চাষি সুলতান সরদার জানান, জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে জায়েন্ট কিউ ও জলডুবি প্রজাতির দুই হাজার আনারসের চারা পেয়ে আমার অর্ধ একর পতিত জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হচ্ছে। আশা করি, আমি অনেক লাভবান হবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাফর আহমেদ দ্য ডেইলি অবজারভারকে জানান, আনারস চাষের জন্য বাড়তি জমির প্রয়োজন হয় না। উপজেলার পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা হিসেবে আনারস চাষে চাষীদেরকে উদ্ধুদ্ধকরণ করা হয়েছে। আনারস উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি থাকায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে আনারস চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।