ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

সুবর্ণচরে লবণাক্ত জমিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২
  • ২৭৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পতিত ও লবণাক্ত জমিতে এবং ডোবা-নালার পাড়ে চাষ হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ। কম সময়ে অধিক ফলন ও লাভবান হওয়ায় এ চাষে ঝুঁকছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের শিবচর এলাকার চাষি শ্রীবাস দাস জানান, তার লবণাক্ত জমি পতিত পড়ে থাকতো। এই প্রথম বার ৫০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেন তিনি। ফলনও ভালো হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত বিক্রি করেছেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। বাগানে থাকা তরমুজ আরো ২০-৩০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

তিনি জানান, ১০ হেক্টর জমির মধ্যে পূর্ব চরবাটা ৫০ ভাগ, চরবাটা ২৫ ভাগ, চরক্লার্কে ১৫ ভাগ এবং চর জুবলিতে ১০ ভাগ জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন খরচ ধরা হয়েছে ৮২ হাজার ২৪০ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

সুবর্ণচরে লবণাক্ত জমিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ

আপডেট টাইম : ১১:১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পতিত ও লবণাক্ত জমিতে এবং ডোবা-নালার পাড়ে চাষ হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ। কম সময়ে অধিক ফলন ও লাভবান হওয়ায় এ চাষে ঝুঁকছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের শিবচর এলাকার চাষি শ্রীবাস দাস জানান, তার লবণাক্ত জমি পতিত পড়ে থাকতো। এই প্রথম বার ৫০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেন তিনি। ফলনও ভালো হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত বিক্রি করেছেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। বাগানে থাকা তরমুজ আরো ২০-৩০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

তিনি জানান, ১০ হেক্টর জমির মধ্যে পূর্ব চরবাটা ৫০ ভাগ, চরবাটা ২৫ ভাগ, চরক্লার্কে ১৫ ভাগ এবং চর জুবলিতে ১০ ভাগ জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন খরচ ধরা হয়েছে ৮২ হাজার ২৪০ টাকা।