ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ইটনায় ছয় লক্ষ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২
  • ২০৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ৮ জুন (বোধবার) বিকাল ৪ টায়, ইটনা পুরান বাজারের সুতা ব্যবসায়ী সত্যরঞ্জন রায় এর বাজার সংলগ্ন গোদাম থেকে ছয় লক্ষ টাকা মূল্যের ১২০ টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এই অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আগুন দিয়ে ধ্বংস করেন।

এ অভিযান চলমান থাকবে কিনা?সাংবাদিকদের এমন
প্রশ্নের জবাবে ইউএনও নাফিসা আক্তার জানান, হাওরে মাছ হলো হাওরবাসির প্রাণ এবং সম্পদ, কোন অবস্থাতেই মাছ ধরার অবৈধ উপকরণ দিয়ে মাছের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করা যাবেনা, মহামান্য রাষ্টপতি মহোদয় এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন, হাওরের মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে আমরা আমাদের অভিযান চলমান রাখবো এবং এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।

এসময় অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস করার প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি চৌধুরী কামরুল হাসান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইটনা পুরান বাজারের বনিক সমিতির সভাপতি সোহরাব উদ্দিন ঠাকুর (খসরু)

ছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্টাফ, আনসার বাহিনীর সদস্যরা ও সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ একুশে একাত্তুর প্রতিনিধিকে জানান, ধ্বংস করা চায়না দুয়ারি জালের মধ্যে যে রড/ লোহা রয়েছে তা বিক্রি করে এই অর্থ সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হবে।

সচেতন মহল এ অভিযানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, শত শত বছরের মৎস্য সম্ভার খ্যাত হাওরের এই মৎস্য সম্পদকে রক্ষা করতে জনপ্রতিনিধি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজের লোকজনের সম্মিলিত নেতৃত্বে এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আছে বলেও মনে করেন অনেকে।

উল্লেখ্য যে,গত ২৩ মে (সোমবার) ‘দেশীয় মাছের মহা বিপর্যয় ডেকে আনছে চায়না দুয়ারি ফাঁদ।’ শিরোনামে একুশে একাত্তুর থেকে এই প্রতিনিধির একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।এর পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তারা মাছ ধরার নিষিদ্ধ উপকরণ বিক্রয় ও মাছ নিধনযজ্ঞ প্রতিহত করতে জিরু টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এবং এ বিষয়ে অভিযানের অংশ হিসাবে গত ২ জুন (বৃহস্পতিবার) দুই হাজার মিটার কারেন্ট জাল সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে ইউএনও নাফিসা আক্তারের মোবাইল কোর্ট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইটনায় ছয় লক্ষ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

আপডেট টাইম : ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ৮ জুন (বোধবার) বিকাল ৪ টায়, ইটনা পুরান বাজারের সুতা ব্যবসায়ী সত্যরঞ্জন রায় এর বাজার সংলগ্ন গোদাম থেকে ছয় লক্ষ টাকা মূল্যের ১২০ টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এই অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আগুন দিয়ে ধ্বংস করেন।

এ অভিযান চলমান থাকবে কিনা?সাংবাদিকদের এমন
প্রশ্নের জবাবে ইউএনও নাফিসা আক্তার জানান, হাওরে মাছ হলো হাওরবাসির প্রাণ এবং সম্পদ, কোন অবস্থাতেই মাছ ধরার অবৈধ উপকরণ দিয়ে মাছের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করা যাবেনা, মহামান্য রাষ্টপতি মহোদয় এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন, হাওরের মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে আমরা আমাদের অভিযান চলমান রাখবো এবং এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।

এসময় অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস করার প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি চৌধুরী কামরুল হাসান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইটনা পুরান বাজারের বনিক সমিতির সভাপতি সোহরাব উদ্দিন ঠাকুর (খসরু)

ছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্টাফ, আনসার বাহিনীর সদস্যরা ও সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ একুশে একাত্তুর প্রতিনিধিকে জানান, ধ্বংস করা চায়না দুয়ারি জালের মধ্যে যে রড/ লোহা রয়েছে তা বিক্রি করে এই অর্থ সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হবে।

সচেতন মহল এ অভিযানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, শত শত বছরের মৎস্য সম্ভার খ্যাত হাওরের এই মৎস্য সম্পদকে রক্ষা করতে জনপ্রতিনিধি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজের লোকজনের সম্মিলিত নেতৃত্বে এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আছে বলেও মনে করেন অনেকে।

উল্লেখ্য যে,গত ২৩ মে (সোমবার) ‘দেশীয় মাছের মহা বিপর্যয় ডেকে আনছে চায়না দুয়ারি ফাঁদ।’ শিরোনামে একুশে একাত্তুর থেকে এই প্রতিনিধির একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।এর পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তারা মাছ ধরার নিষিদ্ধ উপকরণ বিক্রয় ও মাছ নিধনযজ্ঞ প্রতিহত করতে জিরু টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এবং এ বিষয়ে অভিযানের অংশ হিসাবে গত ২ জুন (বৃহস্পতিবার) দুই হাজার মিটার কারেন্ট জাল সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে ইউএনও নাফিসা আক্তারের মোবাইল কোর্ট।