ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২
  • ২৪১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শেরপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আবুল হোসেন নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৮ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

আবুল হোসেন শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের যোগিনীবাগ ভিটাকান্দা এলাকার আব্দুল জুব্বারের ছেলে। মামলার শুরু থেকেই তিনি পলাতক।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সকালে মাদরাসা যাওযার পথে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আবুল হোসেন। এ ঘটনায় ২ অক্টোবর আবুল হোসেন, তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেন ও বাবা আব্দুল জব্বারকে আসামি করে মামলা করেন ভিকটিমের মা। পরে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম।

পরে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর পলাতক আসামি আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে অপর দুই সহযোগীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শেরপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আবুল হোসেন নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৮ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

আবুল হোসেন শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের যোগিনীবাগ ভিটাকান্দা এলাকার আব্দুল জুব্বারের ছেলে। মামলার শুরু থেকেই তিনি পলাতক।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সকালে মাদরাসা যাওযার পথে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আবুল হোসেন। এ ঘটনায় ২ অক্টোবর আবুল হোসেন, তার বড় ভাই আনোয়ার হোসেন ও বাবা আব্দুল জব্বারকে আসামি করে মামলা করেন ভিকটিমের মা। পরে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম।

পরে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর পলাতক আসামি আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে অপর দুই সহযোগীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।