হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে আনারসের পাশাপাশি বারোমাসি তরমুজ চাষ শুরু হয়েছে। মাসুদ হাসান নামে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন সদস্য বনাঞ্চলের ২১০ শতাংশ জমিতে নতুন প্রজাতির তরমুজ চাষ করছেন। ফলন ভালো হওয়ায় দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তিনি।
সরেজমিনে মধুপুর উপজেলার পীরগাছা রাবার বাগান সংলগ্ন ভবানীটেকি গ্রামে দেখা গেছে, দেড় মাস আগে রোপণ করা প্রতিটি গাছে তিন-চারটা করে তরমুজ ঝুলছে। এর মধ্যে কোনোটা এক কেজি, কোনোটা সোয়া কেজি, কোনটা আবার আধা কেজির।
জানা গেছে, মাসুদ হাসান নতুন প্রজাতির লেন ফিই এফ১ জাতের তরমুজ আবাদ করেছেন। প্রতি শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষে শ্রমিকের মজুরিসহ তার খরচ হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। তবে প্রথমবার ফলনের পর দ্বিতীয়বার প্রতি শতাংশ জমিতে খরচ হবে এক হাজার টাকা।
রোপণ থেকে শুরু করে দুই মাসের মধ্যে তরমুজ বিক্রির উপযোগী হয়। ফলে দুই মাস পর পর তরমুজ বিক্রি করে মাসুদের কমপক্ষে ৬-৭ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এই জাতের তরমুজের ওজন সাধারণত সাড়ে তিন কেজি থেকে ৪ কেজি হয়ে থাকে।
স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোন্নাফ হোসেন বলেন, বনাঞ্চলে বারোমাসি তরমুজ চাষ আগে দেখিনি। বনে সাধারণত আনারসের চাষ হয়। কিন্তু নতুন জাতের এই তরমুজ গ্রামে প্রথম দেখলাম। তরমুজ খেতেও অনেক সুস্বাদু। ঘ্রাণ ও মিষ্টিতে ভরপুর এই তরমুজ।
লাল তীর সিড লিমিটেডের বীজ নেওয়ার আগে ওই কোম্পানির লোকজন জমি পরিদর্শন করেন। পরে জমি পরীক্ষা করে তরমুজ চাষ করার উপযোগী ঘোষণা করলে ২১০ শতাংশ জমিতে বারোমাসি তরমুজ চাষ শুরু করি।
চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে তরমুজ বিক্রি উপযোগী হতে দুই মাস সময় লাগে। অসময়ে তরমুজের চাহিদার পাশাপাশি দামও ভালো পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে পাইকাররা দরদাম শুরু করেছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রথমবারেই ৬-৭ লাখ টাকা আয় করতে পারব।
তথ্যসূত্রঃআমাদের সময়
Reporter Name 
























