ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক গাছে ৬০ মৌচাক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৪১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি’ কবিতার কবি নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের সেই মৌমাছির দল বাসা বেঁধেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শতবর্ষী এক পাকুড় গাছে। দু একটি নয়, এক গাছে অন্তত ৬০টি মৌমাছির দল চাক বেঁধেছে। একসঙ্গে এতগুলো মৌচাক দেখার জন্য প্রতিদিনই পাকুড়তলায় ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের মেঘেরচর মাঝিপাড়া গ্রামে দেখা যায় এমন চিত্র। নিভৃতপল্লীর সরকারি একটি খাস জায়গার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষী একটি পাকুড় গাছ। গাছের নিচেই রয়েছে সনাতন ধর্মাবম্বীদের ছোট্ট একটি মন্দির। পাকুড় গাছের গোড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ডালে নির্বিঘ্নে বাস করছে মৌমাছির দল। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় একবার হলেও পাকুড় তলায় থমকে দাঁড়াচ্ছেন লোকজন। সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন ২০টি চাক থেকে তিন মণ মধু বিক্রি করেছেন। সেই মধু বিক্রির টাকায় মন্দিরের জন্য ইট কিনেছেন।

মেঘেরচর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, এক মাস হলো মৌচাকগুলো বসেছে। ৮০-৯০টি চাক ছিল। মধু সংগ্রহের কারণে কিছু মৌমাছি উড়ে গেছে। তবে এখনও ৬০টির মতো মৌচাক রয়েছে। তবে এত মৌচাক এর আগে এই গাছে কখনই লাগেনি।

মৌচাক দেখতে আসা রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবক বলেন, এক গাছে এত মৌচাক এর আগে আমি কখন দেখিনি। আমি মনে করি এই জায়গাটি সংরক্ষণ করা দরকার। যাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।

গাইবান্ধা বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যাবস্থাপক রবিন চন্দ্র রায় মুঠোফোনে জানান, মৌমাছিরা সংঘবদ্ধভাবে এক জায়গায় থাকতে ভালোবাসে। এদের বিরক্ত না করলে বহু দিন পর্যন্ত এক জায়গায় অবস্থান করে। এক দিকে গ্রামাঞ্চল অন্যদিকে ওই এলাকায় প্রচুর সরিষার আবাদ হয়। ফলে মৌমাছিরা সহজেই মধু সংগ্রহ করতে পারে। এজন্য মৌমাছিগুলো প্রাচীন এ পাকুড় গাছটিতে বাসা বেঁধেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক গাছে ৬০ মৌচাক

আপডেট টাইম : ১২:৪০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি’ কবিতার কবি নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের সেই মৌমাছির দল বাসা বেঁধেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শতবর্ষী এক পাকুড় গাছে। দু একটি নয়, এক গাছে অন্তত ৬০টি মৌমাছির দল চাক বেঁধেছে। একসঙ্গে এতগুলো মৌচাক দেখার জন্য প্রতিদিনই পাকুড়তলায় ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের মেঘেরচর মাঝিপাড়া গ্রামে দেখা যায় এমন চিত্র। নিভৃতপল্লীর সরকারি একটি খাস জায়গার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষী একটি পাকুড় গাছ। গাছের নিচেই রয়েছে সনাতন ধর্মাবম্বীদের ছোট্ট একটি মন্দির। পাকুড় গাছের গোড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ডালে নির্বিঘ্নে বাস করছে মৌমাছির দল। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় একবার হলেও পাকুড় তলায় থমকে দাঁড়াচ্ছেন লোকজন। সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন ২০টি চাক থেকে তিন মণ মধু বিক্রি করেছেন। সেই মধু বিক্রির টাকায় মন্দিরের জন্য ইট কিনেছেন।

মেঘেরচর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, এক মাস হলো মৌচাকগুলো বসেছে। ৮০-৯০টি চাক ছিল। মধু সংগ্রহের কারণে কিছু মৌমাছি উড়ে গেছে। তবে এখনও ৬০টির মতো মৌচাক রয়েছে। তবে এত মৌচাক এর আগে এই গাছে কখনই লাগেনি।

মৌচাক দেখতে আসা রফিকুল ইসলাম নামে এক যুবক বলেন, এক গাছে এত মৌচাক এর আগে আমি কখন দেখিনি। আমি মনে করি এই জায়গাটি সংরক্ষণ করা দরকার। যাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।

গাইবান্ধা বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যাবস্থাপক রবিন চন্দ্র রায় মুঠোফোনে জানান, মৌমাছিরা সংঘবদ্ধভাবে এক জায়গায় থাকতে ভালোবাসে। এদের বিরক্ত না করলে বহু দিন পর্যন্ত এক জায়গায় অবস্থান করে। এক দিকে গ্রামাঞ্চল অন্যদিকে ওই এলাকায় প্রচুর সরিষার আবাদ হয়। ফলে মৌমাছিরা সহজেই মধু সংগ্রহ করতে পারে। এজন্য মৌমাছিগুলো প্রাচীন এ পাকুড় গাছটিতে বাসা বেঁধেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।