,

97-2110081859

ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশাল জয়

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটা দারুণভাবে সাড়ল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ ভেন্যু ওমান গিয়ে তিনদিন প্র্যাকটিস করার পর ওমান ‘এ’ দলের বিপক্ষে টাইগারদের ব্যাটিং প্র্যাকটিসটা বেশ ভালোই হলো।

ওমান ‘এ’ দলের বোলারদের বিপক্ষে হেসে খেলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২০৭ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ তুলে বাংলাদেশ।

অথচ মিরপুর ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মন্থর গতির উইকেটে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে রান খরায় ভুগছিলেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটাররা।

ওপেনিংয়ে লিটন দাস-নাঈম শেখ আশানুরূপ জুটি গড়তে পারেননি। এমনকি সাকিব-মুশফিকরাও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

তবে ওমানের মাটিতে স্পোর্টিং উইকেটে ব্যাটিংয়ে নিজেদের খুঁজে পেয়েছে টাইগাররা।

শুক্রবার ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওমান ‘এ’ দলের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ একাদশ । আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৭ রান করে টাইগাররা।

জবাবে ওমান ‘এ’ দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৭ রানের বেশি করতে পারেনি। এ রান তুলতে ৯ উইকেট হারিয়েছে তারা।

ফলে ৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ একাদশ।

২০৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামলে  ওমান ‘এ’দলের দুই ওপেনারকে শুরুতেই সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা।

রানের খাতা না খুলেই নাসুমের স্পিনে বিদায় নেন ওপেনার অক্ষয় প্যাটেল। পৃথ্বিবী কুমার মাচ্চি ১ রানে বিদায় করেন মেহেদি হাসান।

এরপর চমৎকার হাল ধরেন শোয়াইব খান। একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট চালিয়ে যান। কিন্তু অপরপ্রান্তের ব্যাটাররা কেবল আসা যাওয়ার মধ্যে ছিলেন।

মুশফিকের দারুণ থ্রোতে শোয়াইবের উইকেট ভেঙে দেন সোহান। ৩৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৪৩ রানে থামে শোয়াইবের ইনিংস।

রউফ আতাউল্লাহ করেন ১৯ রান, মেহরান খান করেন ১৯ রান। শেষদিকে দুর্দান্ত ব্যাট করেছেন টেলএন্ডার রাফিউল্লাহ। মাত্র ১৪ বলে ৪ ছক্কা ও এক বাউন্ডারিতে  ৩১ রান করেন তিনি।

তবে তাতে কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমানো গেছে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের পেসে রাফিউল্লাহ বোল্ড হয়ে গেলে সমাপ্তি ঘটে ওমান  ‘এ’ দলের যুদ্ধের।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল পেসার শরিফুল ইসলাম। ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত বল করেছেন। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। নাসুম, মেহেদী ও আফিফ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে নিজেদের ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন বাংলাদেশ দলের লিটন, নাঈম, সোহান ও শামীম। উদ্বোধনী জুটিতেই ১০১ রান এসেছে। শুরু থেকে আগ্রাসী হয়ে খেলে লিটন ও নাঈম। পাওয়ার-প্লের ৬ ওভারে এ জুটি জমা করে ৪৮ রান। ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন লিটন। ৩৩ বলে শ্রীভাস্তাভের বলে কট এন্ড বোল্ড  হওয়ার আগে করেন ৫৩ রান। যেখানে ৬টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মার রয়েছে।

তবে নাঈমকে আউট করতে পারেননি ওমানের বোলাররা। সতীর্থদের সুযোগ করে দিতে ৬৩ রানের সময় স্বেচ্ছায় অবসরে যান তিনি।

সতীর্থরাও নাঈমকে সম্মান জানিয়েছে। দুর্দান্ত ব্যাট করেছেন নুরুল হাসান সোহান ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী।

তবে ওমানে শুরুটা ভালো হয়নি সৌম্য, মুশফিকের। সৌম্য সরকার (৮) মুশফিকুর রহিম (০), আফিফ হোসেন (৬) রান করেন।

৫৩ বলে  ৩টি চার ২টি ছয়ের সাহায্যে ব্যক্তিগত ৬৩ রানের সময় স্বেচ্ছায় অবসরে যান ওপেনার নাঈম।

শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন সোহান ও শামীম। সোহান ১৫ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। শামীম পাটোয়ারী করেন ১০ বলে ১৯ রান।

ওমান ‘এ’ দলের হয়ে আমির কলিম ও সামায় শ্রীভাস্তাভ ২টি করে উইকেট নেন।

 

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর