,

image-404143-1616300224

আন্দোলনেই সমাধান চান নেতারা

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে অভিনব কায়দায় রাতের ভোটে ভূমিধ্বস পরাজয় ঘটেছে ব্যাপক জনসমর্থিত রাজনৈতিক দল বিএনপির। সংসদে গেলেও দলটি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের অবস্থান পর্যন্ত পায়নি। তবে বর্তমানের সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ‘সরকারের নাচের পুতুল’ হওয়ায় দেশ-বিদেশে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সারাদেশে ব্যাপক জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই দলটির যেমন কোনো ‘সুফল’ ঘরে তুলতে না পারার ব্যর্থতা রয়েছে; তেমনি দীর্ঘ ১৫ বছরে ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও দেশি-বিদেশী চক্রান্ত করে দলটিকে খণ্ডবিখণ্ড করা যায়নি। এমনকি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একশ থেকে দুই মামলা দিয়েও তাদের কাউকে ভাগিয়ে নেয়া যায়নি।
একদিকে যেমন ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকার পরও ভুমিধ্বস পরাজয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা; অন্যদিকে মামলা হামলা সুনামির মধ্যেও নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখা সফলতাকে
কাজে লাগিয়ে এবার নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীন ছাড়া আর ‘পাতানো’ কোন নির্বাচনে অংশ নিতে চায় না দলটির নেতারা।

কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় দলটির নেতাদের এখন উপলব্ধি সভা-সমাবেশ কিংবা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই দাবি আদায়ের প্রত্যাশা অহেতুক। জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের একমাত্র পথ রাজপথে গণআন্দোলন। দলের নির্বাহী কমিটি ও অঙ্গসংগঠনের সাথে সিরিজ বৈঠকে এ চিত্রই উঠে এসেছে। বিএনপি নেতারা মনে করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা ছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন করে কোন লাভ হবে না। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে। এবার ভিন্ন কোন কৌশলে তা করবে আওয়ামী লীগ। এই অবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলনই একমাত্র পথ। রাজপথে আন্দোলন করেই বিএনপিকে নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি আদায় করে নিতে হবে।

দলটির সিরিজ বৈঠকে ‘রাজপথে আন্দোলন’ ছাড়াও আন্তর্জাতিক শক্তির সাথে বিএনপির কূটনৈতিক সম্পর্কের দূর্বলতা কাটিয়ে উঠা, দলটি কেন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর কাছে তুলে ধরারও পরামর্শ দিয়েছেন একাধিক নেতা। একইসাথে জামায়াতের সঙ্গ ছেড়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে নিরপেক্ষ সরকার ইস্যুতে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়েও একমত হয়েছেন তারা।

দুটি বৈঠক সূত্রেই জানা যায়, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির কী করা উচিত, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির করণীয়, নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন নিয়ে আন্দোলনের কর্মকৌশল কী হওয়া উচিত, মাঠ পর্যায়ের সংগঠনকে আরও সক্রিয় করতে কী করা প্রয়োজন ইত্যাদি বিষয়ে নেতারা মত দেন। বৈঠকে অংশ নেয়া নেতাদের প্রায় সবাই শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে অংশ নেয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্র এখনো সবার সামনেই আছে। গত নির্বাচনে তারা বিএনপির কোন প্রার্থীকে বের হতে দেয়নি, আগের রাতেই ভোট কেটে নিয়েছে। আবারও যদি তাদের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া হয় তাহলে এবার হয়তো ভিন্ন কোন কৌশলে ক্ষমতায় আসবে, এমনও হতে পারে ভোটের ৫দিন আগেই সব শেষ। তাই একইভুল বারবার না করার পক্ষে তারা। বরং নির্বাচনের আগে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিএনপির যে দাবি-দাওয়া তা আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করতে চান নেতারা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকলে সেটি কোনভাবেই সম্ভব নয়, এজন্য সরকারের পতন ঘটিয়ে মূল নির্বাচনের আগেই মাঠের লড়াইয়ে জিততে চায় তারা।

তবে তার আগে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা, তাদেরকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা বোঝানো এবং দেশের বিদ্যমান অবস্থা অবহিত করারও পরামর্শ দিয়েছেন নেতারা।
জানা যায়, একাধিক উপদেষ্টা ও ভাইস-চেয়ারম্যান মনে করেন, বাম ডানসহ বিরোধী সব দলের সঙ্গে কথা বলা শুরু করা উচিত। আমাদের দাবি আর তাদের দাবি প্রায় একই। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সব বিরোধী দলেরই দাবি। তাই সবাইকে এক মঞ্চে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া দরকার। এক্ষেত্রে ২০ দলীয় জোটের শরিকদেরও সক্রিয় করতে হবে।

দুজন ভাইস-চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী কমিটি বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশের বিষয়টি নিয়ে বিএনপির মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার মানে হচ্ছে- সবাইকে (সব দলকে) অপ্রস্তুত রেখে আগাম নির্বাচনেরও একটি আভাস। ফলে এই দিকটিও বিএনপিকে মাথায় রেখে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা উচিত।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মঙ্গলবার বৈঠকে বলেন, আমি ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছি। গত নির্বাচনের সময় আমি ঘর থেকে বের হতে পারিনি। এবারও যদি আমরা বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচনে যায় তাহলে সেটি হবে বোকামি। সবার আগে আমাদের ঘোষণা দিতে হবে হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন নয়, সংসদ বহাল রেখেও কোন নির্বাচন হবে না। নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

জোটভিত্তিক আন্দোলন ও বিদেশী শক্তির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো বিদেশে প্রচার হচ্ছে না। নির্বাচনি জোটের নেতৃত্বে বিএনপিকে থাকতে হবে। আমাদের কূটনীতি দুর্বল। কেন নির্বাচনে যাব না তা তাদের (কূটনীতিক) বোঝাতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। আন্দোলন ও নির্বাচন নিয়ে আমাদের একটি রূপরেখা তৈরি করতে হবে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশের মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। তাদের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে পারলে নিশ্চিতভাবে বিএনপি লাভবান হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে গেলে আবারও ২০১৮’র পরিণত হবে।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে আগের নির্বাচনে যে সিট দিয়েছে এবার তাও দিবে না। তাই হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সরকার রাজনৈতিকভাবে বড় সংকটে রয়েছে। আমরা যদি নির্যাতন সহ্য করে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে পারি সরকারের পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এই সরকারকে ক্ষমতায় রেখে আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপ-নির্বাচনসহ অসংখ্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। ফলাফল সবগুলোই একইরকম। তাই আর কোন টেস্ট কেসের প্রয়োজন নাই, অতীত অভিজ্ঞতায় আমাদের এখন একটাই দাবি হওয়া উচিত নিরপেক্ষ সরকার ও বর্তমান সরকারের পতন। এটি আদায় তখনই হবে যখন রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবো।

আবুল খায়ের ভুঁইয়া বলেন, শেখ হাসিনা প্রতিটি নির্বাচনেই একেক ফর্মূলা গ্রহণ করে। গতবার ভোটের আগের রাতে সিল মেরে রেখেছে। এবার দেখা যাবে এক সপ্তাহ আগেই নির্বাচন হয়ে গেছে কিংবা সিল মেরে ব্যালট কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে। তখন কারো কিছু করার থাকবে না। এছাড়া শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন হলে জনগণই ভোট কেন্দ্রে যাবে না। কারণ তারা জানে কি নির্বাচন হবে। তাই অন্য কোন আলোচনা করে কোন লাভ হবে না, আন্দোলন, আন্দোলন কিভাবে হবে, কিভাবে সফল করতে হবে সেটি নিয়েই এখন আলোচনা ও নির্দেশনা চান এই নেতা।

বুধবারের সভায় বিএনপির অংশ নেয়া সমাজকল্যাণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী আবুল বাশার বলেন, প্রথম দিন ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ যে সূরে কথা বলেছেন, যুগ্ম-মহাসচিব ও সম্পাদকগণও একই কথায় বলেছেন। সবার বক্তব্যের একটি বিষয় স্পষ্ট বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রেখে কেউ নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে নয়। এজন্য রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি চেয়েছে সবাই।

দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে দলের যুগ্ম মহাসচিব-সাংগঠনিক সম্পাদক-সহ সম্পাদক মিলে ৯৫ জন উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে- যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাহবুবের রহমান শামীম, বিলকিস জাহান শিরিন, আসাদুল হাবিব দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ, ডা সাওয়াত হাসান জীবন, মোস্তাক মিয়া, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, সম্পাদকদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ, আনম এহছানুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, শিরিন সুলতানা, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল, লুতফুর রহমান কাজল, আনিসুজ্জামান খান বাবু, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, জয়নাল আবেদীন, নুরে আরা সাফা, ডা. রফিকুল ইসলাম, খালেদ মাহবুব শ্যামল, এএমএ নাজিম উদ্দিন, সোহরাব উদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জিকে গাউস, গৌতম চক্রবর্তী, আবুল কালাম আজাদ, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, আসাদুজ্জামান আজাদ, মীর সরফত আলী প্রমূখ।

সহ সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কুদ্দুসুর রহমান, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, রুমিন ফারহানা, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শহিদুল ইসলাম বাবুল, রওনকুল ইসলাম টিপু, ইকবাল হোসেন, মাহবুবুল হক নান্নু, হারুনুর রশীদ, শামীমুর রহমান শামীম, শরীফুল আলম, সেলিমুজ্জামান সেলিম, আমিরুজ্জামান শিমুল, এএইচএম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জয়ন্ত কুমার কুন্ড, মাশুকুর রহমান, কাদের গনি চৌধুরী, হুমায়ুন কবীর খান, ফিরোজ-উজ জামান মোল্লা, ওয়ারেস আলী, হারুনুর রশীদ হারুন, নিলোফার চৌধুরী মনি, রেহানা আক্তার রানু, শাম্মী আখতার, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, খালেদ হোসেন চৌধুরী পাইন, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ, জালাল উদ্দিন মজুমদার্, মাহবুবুল হাসান বাবু, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, নজরুল ইসলাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম আলীম, হেলেন জেরিন খান, শাহাবুদ্দিন সাবু, কাজী আবুল বাশার, অর্পনা রায় দাস, দীপেন দেওয়ান, অমলেন্দু অপু, আবদুল বারী ড্যানি, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল ফারুক, শফিকুল হক মিলন, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, রফিকুল কবির লাবু, আশরাফ উদ্দিন বকুল, এসএম গালিব, মনিষ দেওয়ান, ওয়াদুদ ভুঁইয়া।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ের এবিএম আবদুস সাত্তার ও রিয়াজ উদ্দিন নসু ও প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন দিদার।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ কাউন্সিলের পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত নির্বাহী কমিটির বর্তমান সংখ্যা ৫০২ সদস্যের। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সাথে বৈঠকের মধ্য দিয়ে তিন দিনের ধারাবাহিক বৈঠক শেষ হবে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এটি তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর