ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

করিমগঞ্জ- তাড়াইলের দুইবারের সাবেক এমপি ড. মিজানুল হক মৃত্যুতে অধ্যক্ষ আসাদুল হকের শোক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১
  • ৩২৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের টানা দুইবারের সংসদ সদস্য ড. মিজানুল হকের এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক ।

শোক বার্তায় অধ্যক্ষ আসাদুল হক বলেন, তাঁর মৃত্যুে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) রাজনৈতিক অঙ্গণে বড় ক্ষতি হয়ে গেল । ড. মিজানুল হকের এর মৃত্যুতে শুধু তাঁর পরিবার নয়, পুরো জাতির জন্য বড় ক্ষতি। তাঁর মৃত্যুর সংবাদে কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

গত ২৮ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনামুক্ত হওয়ার পর তিনি বাড়ি ফিরে যান।
সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ২০ আগস্ট আবারও তিনি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।

ড. মিজানুল হক ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের দু’টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে করিমগঞ্জ-তাড়াইল আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক এ সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধিত হয়। পরিচ্ছন্ন ইমেজের এ নেতা ছিলেন অত্যন্ত সহজ, সরল ও কর্মীবান্ধব।

মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

করিমগঞ্জ- তাড়াইলের দুইবারের সাবেক এমপি ড. মিজানুল হক মৃত্যুতে অধ্যক্ষ আসাদুল হকের শোক

আপডেট টাইম : ১২:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের টানা দুইবারের সংসদ সদস্য ড. মিজানুল হকের এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক ।

শোক বার্তায় অধ্যক্ষ আসাদুল হক বলেন, তাঁর মৃত্যুে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) রাজনৈতিক অঙ্গণে বড় ক্ষতি হয়ে গেল । ড. মিজানুল হকের এর মৃত্যুতে শুধু তাঁর পরিবার নয়, পুরো জাতির জন্য বড় ক্ষতি। তাঁর মৃত্যুর সংবাদে কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

গত ২৮ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনামুক্ত হওয়ার পর তিনি বাড়ি ফিরে যান।
সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ২০ আগস্ট আবারও তিনি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।

ড. মিজানুল হক ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের দু’টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে করিমগঞ্জ-তাড়াইল আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক এ সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধিত হয়। পরিচ্ছন্ন ইমেজের এ নেতা ছিলেন অত্যন্ত সহজ, সরল ও কর্মীবান্ধব।

মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।