ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

বর্ষার বুনো ফুল কেশরদাম!

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১
  • ৪২০ বার

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জলাশয়ে জন্ম নেয় বর্ষার বুনো ফুল কেশরদাম। মালচা নামেও অনেকে চেনে। চমৎকার এ উভচর জলজ উদ্ভিদ আমাদের দেশের খেতখামারে আগাছা হিসেবে বেড়ে ওঠে। তা হলেও এর সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো। সাদা ও হলুদ দুই রঙের ফুলই সাধারণত আমাদের দেশে দেখা যায়।

কেশরদাম খাড়া, লতানো বা ভাসমান প্রকৃতির হতে পারে। অধিকাংশ প্রজাতির শাখা-প্রশাখা হয় না। পাতা বিপরীতমুখী বা একান্তর ও উপপত্রহীন। শাখার শীর্ষে একক ফুল হয়। বৃত্যাংশ ৪-৫টি, ত্রিভুজাকার। বর্ণ হলদে, সাদা বা দুধসাদা, পাপড়ি ৪-৫টি অথবা অনুপস্থিত। প্রতিটি ফুলে রোমহীন বা রোমযুক্ত ৪-৮টি পুংকেশর থাকে। কোনো কোনো সময় পুংকেশরের গোড়ায় রোমশ মধুগ্রন্থি থাকে। ফুল থেকে বীজ হয়, ফল বা বীজাধার বেলনাকার। বীজ বাদামি থেকে ফিকে বাদামি, গোলাকার বা উপবৃত্তাকার।

শাক হিসাবে খাওয়া হয় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। এর কাচা পাতা এবং কচি শেকড় সালাদ হিসাবে খাওয়া হয়।কেশরদামের রয়েছে অসাধারণ কিছু ভেষজ গুণ। চোখের ভাইরাসজনিত ইনফেকশন নিরাময়ে কেশরদাম দারুণ কার্যকর ভেষজ। গ্যাস্ট্রিক বা আলসার সমস্যা সমাধানে দারুণ কাজ দেয়। এছাড়া এটি আমাশয়, জ্বর, কাশি এবং ফোড়া নিরাময়েও সহায়ক। ত্বকের উজ্জ্বতা বাড়াতেও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বর্ষার বুনো ফুল কেশরদাম!

আপডেট টাইম : ০৯:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জলাশয়ে জন্ম নেয় বর্ষার বুনো ফুল কেশরদাম। মালচা নামেও অনেকে চেনে। চমৎকার এ উভচর জলজ উদ্ভিদ আমাদের দেশের খেতখামারে আগাছা হিসেবে বেড়ে ওঠে। তা হলেও এর সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো। সাদা ও হলুদ দুই রঙের ফুলই সাধারণত আমাদের দেশে দেখা যায়।

কেশরদাম খাড়া, লতানো বা ভাসমান প্রকৃতির হতে পারে। অধিকাংশ প্রজাতির শাখা-প্রশাখা হয় না। পাতা বিপরীতমুখী বা একান্তর ও উপপত্রহীন। শাখার শীর্ষে একক ফুল হয়। বৃত্যাংশ ৪-৫টি, ত্রিভুজাকার। বর্ণ হলদে, সাদা বা দুধসাদা, পাপড়ি ৪-৫টি অথবা অনুপস্থিত। প্রতিটি ফুলে রোমহীন বা রোমযুক্ত ৪-৮টি পুংকেশর থাকে। কোনো কোনো সময় পুংকেশরের গোড়ায় রোমশ মধুগ্রন্থি থাকে। ফুল থেকে বীজ হয়, ফল বা বীজাধার বেলনাকার। বীজ বাদামি থেকে ফিকে বাদামি, গোলাকার বা উপবৃত্তাকার।

শাক হিসাবে খাওয়া হয় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। এর কাচা পাতা এবং কচি শেকড় সালাদ হিসাবে খাওয়া হয়।কেশরদামের রয়েছে অসাধারণ কিছু ভেষজ গুণ। চোখের ভাইরাসজনিত ইনফেকশন নিরাময়ে কেশরদাম দারুণ কার্যকর ভেষজ। গ্যাস্ট্রিক বা আলসার সমস্যা সমাধানে দারুণ কাজ দেয়। এছাড়া এটি আমাশয়, জ্বর, কাশি এবং ফোড়া নিরাময়েও সহায়ক। ত্বকের উজ্জ্বতা বাড়াতেও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন।