ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

সভাপতির আত্মীয়স্বজন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
  • ২৭৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অনুমোদন পাওয়া যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন পরিবারের একচ্ছত্র প্রাধান্য পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার বিষয়টি ‘টক অব দ্য টাউনে’ পরিণত হয়। এ নিয়ে ফেসবুকেও আলোচনার ঝড় ওঠে। তবে এক ইউপি চেয়ারম্যান নিজের স্ত্রীর বাদ পড়া নিয়েও অনেকে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেন। কমিটিতে সভাপতির ছেলে, ভায়রা ভাই ও শ্যালক জায়গা পেয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তরুণ ও সাবেক ছাত্রনেতা জায়গা করে নিলেও বাদ পড়েছেন বিগত কমিটির কেউ কেউ।

সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের ছেলে সামির ইসলাম পিয়াস সদস্য হয়েছেন। ভায়রা ভাই শেখ আতিকুর বাবু শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং শ্যালক হুমায়ুন কবির কবু হয়েছেন সহসভাপতি। এর মধ্যে শ্যালক আগের কমিটিতে থাকলেও নতুন যুক্ত হয়েছেন ছেলে ও ভায়রা ভাই। ছেলে সামির ইসলাম পিয়াসকে কেউ কখনো রাজনীতির মাঠে দেখেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি থাকেনও ঢাকায়। ভায়রা ভাই শেখ আতিকুর বাবুও ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

 

গত কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া পারভীন ডলি, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিক ও দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু নতুন কমিটিতে স্থান পাননি।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ইত্তেফাককে বলেন, ‘হুমায়ুন কবির কবু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে ছাত্রলীগ করেন। তিনি বিগত দুটি কমিটিতে শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। শেখ আতিকুর বাবুর বাবা দলের দুর্দিনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। মা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন। তিনি নিজেও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় সভাপতি। আর আমার ছেলে ইংল্যান্ড থেকে এলএলবি এলএলএম শেষ করে যশোরের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। সুতরাং তারা যার যার যোগ্যতায়ই পদ পেয়েছেন। আমার আত্মীয়তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

সভাপতির আত্মীয়স্বজন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি

আপডেট টাইম : ০৯:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অনুমোদন পাওয়া যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন পরিবারের একচ্ছত্র প্রাধান্য পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার বিষয়টি ‘টক অব দ্য টাউনে’ পরিণত হয়। এ নিয়ে ফেসবুকেও আলোচনার ঝড় ওঠে। তবে এক ইউপি চেয়ারম্যান নিজের স্ত্রীর বাদ পড়া নিয়েও অনেকে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেন। কমিটিতে সভাপতির ছেলে, ভায়রা ভাই ও শ্যালক জায়গা পেয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তরুণ ও সাবেক ছাত্রনেতা জায়গা করে নিলেও বাদ পড়েছেন বিগত কমিটির কেউ কেউ।

সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের ছেলে সামির ইসলাম পিয়াস সদস্য হয়েছেন। ভায়রা ভাই শেখ আতিকুর বাবু শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং শ্যালক হুমায়ুন কবির কবু হয়েছেন সহসভাপতি। এর মধ্যে শ্যালক আগের কমিটিতে থাকলেও নতুন যুক্ত হয়েছেন ছেলে ও ভায়রা ভাই। ছেলে সামির ইসলাম পিয়াসকে কেউ কখনো রাজনীতির মাঠে দেখেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি থাকেনও ঢাকায়। ভায়রা ভাই শেখ আতিকুর বাবুও ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

 

গত কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া পারভীন ডলি, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিক ও দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু নতুন কমিটিতে স্থান পাননি।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ইত্তেফাককে বলেন, ‘হুমায়ুন কবির কবু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে ছাত্রলীগ করেন। তিনি বিগত দুটি কমিটিতে শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। শেখ আতিকুর বাবুর বাবা দলের দুর্দিনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। মা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন। তিনি নিজেও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় সভাপতি। আর আমার ছেলে ইংল্যান্ড থেকে এলএলবি এলএলএম শেষ করে যশোরের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। সুতরাং তারা যার যার যোগ্যতায়ই পদ পেয়েছেন। আমার আত্মীয়তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’