ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

১৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলো সেই ‘ভাগ্যরাজ’ গরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১
  • ২৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আজ শনিবার সকালে ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ দশ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন খামারি ইতি আক্তার। বিক্রির বিষয়টি ইতি আক্তার নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বরের এক বাসিন্দার কাছে ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। গত বছর ২০ লাখ টাকায় দাম হলেও বিক্রি হয়নি ভাগ্যরাজ। এবার হতাশা নিয়ে আরো কমেই তা বিক্রি করে দিয়েছেন।

‘ভাগ্যরাজ’ কোনো ব্যক্তি নয়। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দেলুয়া গ্রামের খাইরুল ইসলাম খান্নু’র পালিত এক ষাঁড়। এবছরে দেশের সর্ববৃহৎ কোরবানির পশু বলে মনে করা হচ্ছে এই ষাঁড়টিকে।

ভাগ্যরাজকে নিয়ে গত ৯ জুলাই ‘কুরবানির হাট কাঁপাবে সেই ভাগ্যরাজ’ এ নিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গরুটি সারাদেশে ভাইরাল হয়।

খামরি ইতি আক্তার জানায়, আট ফুট লম্বা, ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতা, বুকের বেড় ১২০ ইঞ্চি আর ওজন ২ হাজার ৯৪ কেজি! নাম তার ভাগ্যরাজ! বেশ জামাই আদরেই পালন করা হয়েছিল ৩ বছর ৮ মাস বয়সী ভাগ্যরাজকে।

জানা গেছে, বৃহদাকার এই ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিনের বাজেট ছিল প্রায় ২ হাজার টাকা। খাবারের মেন্যুতে ছিল কলা, মাল্টা, কমলালেবু, চিড়া, আঙুর ফল, আখের গুড়, ইছব গুল, খৈল ও বেলের শরবতসহ আরও অন্যান্য দামী খাবার দাবার।

শুধু আদর যত্নেই নয় ভাগ্যরাজের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য রাখাছিল সার্বক্ষণিক চিকিৎসক। নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে পুলিশ টহল দিতো বাড়ির চারপাশের রাস্তায়।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন বলেন, বয়স ৩ বছর ৮ মাস বয়সী ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ দশ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে মিরপুরের এক বাসিন্দার কাছে। করোনাভাইরাস ও বন্যা পরিস্থিতি না থাকলে আরো বেশি দামে বিক্রি করতে পারতেন খামারি ইতি আক্তার। সূত্র: নয়াদিগন্ত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

১৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলো সেই ‘ভাগ্যরাজ’ গরু

আপডেট টাইম : ০৫:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আজ শনিবার সকালে ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ দশ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন খামারি ইতি আক্তার। বিক্রির বিষয়টি ইতি আক্তার নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বরের এক বাসিন্দার কাছে ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। গত বছর ২০ লাখ টাকায় দাম হলেও বিক্রি হয়নি ভাগ্যরাজ। এবার হতাশা নিয়ে আরো কমেই তা বিক্রি করে দিয়েছেন।

‘ভাগ্যরাজ’ কোনো ব্যক্তি নয়। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দেলুয়া গ্রামের খাইরুল ইসলাম খান্নু’র পালিত এক ষাঁড়। এবছরে দেশের সর্ববৃহৎ কোরবানির পশু বলে মনে করা হচ্ছে এই ষাঁড়টিকে।

ভাগ্যরাজকে নিয়ে গত ৯ জুলাই ‘কুরবানির হাট কাঁপাবে সেই ভাগ্যরাজ’ এ নিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গরুটি সারাদেশে ভাইরাল হয়।

খামরি ইতি আক্তার জানায়, আট ফুট লম্বা, ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতা, বুকের বেড় ১২০ ইঞ্চি আর ওজন ২ হাজার ৯৪ কেজি! নাম তার ভাগ্যরাজ! বেশ জামাই আদরেই পালন করা হয়েছিল ৩ বছর ৮ মাস বয়সী ভাগ্যরাজকে।

জানা গেছে, বৃহদাকার এই ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিনের বাজেট ছিল প্রায় ২ হাজার টাকা। খাবারের মেন্যুতে ছিল কলা, মাল্টা, কমলালেবু, চিড়া, আঙুর ফল, আখের গুড়, ইছব গুল, খৈল ও বেলের শরবতসহ আরও অন্যান্য দামী খাবার দাবার।

শুধু আদর যত্নেই নয় ভাগ্যরাজের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য রাখাছিল সার্বক্ষণিক চিকিৎসক। নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে পুলিশ টহল দিতো বাড়ির চারপাশের রাস্তায়।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন বলেন, বয়স ৩ বছর ৮ মাস বয়সী ভাগ্যরাজকে ১৪ লাখ দশ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে মিরপুরের এক বাসিন্দার কাছে। করোনাভাইরাস ও বন্যা পরিস্থিতি না থাকলে আরো বেশি দামে বিক্রি করতে পারতেন খামারি ইতি আক্তার। সূত্র: নয়াদিগন্ত।