ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব সাখাওয়াৎ হোসেন প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক জব্দ করা জাহাজে ইরানের জন্য ‘উপহার’ পাঠাচ্ছিল চীন, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে চীনের সহযোগিতা কামনা বিএনপির ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস গায়িকা-নায়িকাদের শো পিস না বানিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়ন, বিএনপিকে লাল সালাম বাড়ছে নদীর পানি : কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার অনুরোধ সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের বেতন কত, আরও যেসব সুবিধা পান সরকার কৃত্রিম সংকট বা কারসাজি বরদাশত করবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১
  • ৩১৬ বার

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

আমি যখন কবিতা বলব বলে

উঠে দাঁড়াই

শব্দেরা ভিক্ষাপাত্র নিয়ে বলে,

আমায় কিছু অর্থ ধার দাও।’

-মির্জা গালিব

গালিব,

তোমার মনে আছে নিশ্চয়

কয়েদখানার অন্ধ প্রকোষ্ঠে,

যখন তুমি প্রিয় ‘ওল্ড টম’ থেকে

বঞ্চিত,

অতি উৎসাহী এক পাহারাদার

প্রতিদিন

কবিতা লিখে এনে দেখাতেন

তোমাকে

তুমি বাধ্য হয়ে

পড়তে

আর প্রতিক্রিয়া জানাতে!

এটা বড্ডো বিব্রত করতো তোমাকে–

– কারাবাসের মধ্যে একমাত্র

ওইটিই চরম অস্বস্তিতে ফেলতো

তোমাকে।

আর এখন এই

জোছনার মদিরাপ্লাবিত

আলোকিত কয়েদখানায়

চন্দ্রগ্রস্ত আমি

ভুল ব্যাকরণ আর

স্বরলিপি নিয়ে

ঘুণেধরা স্বপ্নবাসরে বসে

ঘন ঘন জন্ম দিচ্ছি

কবিতার

আর

গালিবকে দেখছি

বিচলিত হতে হতে

বিব্রত হতে হতে

অপ্রস্তুত হতে হতে

শায়েরির ভবিষ্যত উদ্বিগ্নতায়

শীতে কুঁকড়ে মুচড়ে যাওয়া

ছিন্নপত্র —

— হে গালিব,

এ খাঁচা ভেঙে কে মুক্ত করবে

তোমাকে?

(লকডাউনের ২য় দিন,)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

আমি যখন কবিতা বলব বলে

উঠে দাঁড়াই

শব্দেরা ভিক্ষাপাত্র নিয়ে বলে,

আমায় কিছু অর্থ ধার দাও।’

-মির্জা গালিব

গালিব,

তোমার মনে আছে নিশ্চয়

কয়েদখানার অন্ধ প্রকোষ্ঠে,

যখন তুমি প্রিয় ‘ওল্ড টম’ থেকে

বঞ্চিত,

অতি উৎসাহী এক পাহারাদার

প্রতিদিন

কবিতা লিখে এনে দেখাতেন

তোমাকে

তুমি বাধ্য হয়ে

পড়তে

আর প্রতিক্রিয়া জানাতে!

এটা বড্ডো বিব্রত করতো তোমাকে–

– কারাবাসের মধ্যে একমাত্র

ওইটিই চরম অস্বস্তিতে ফেলতো

তোমাকে।

আর এখন এই

জোছনার মদিরাপ্লাবিত

আলোকিত কয়েদখানায়

চন্দ্রগ্রস্ত আমি

ভুল ব্যাকরণ আর

স্বরলিপি নিয়ে

ঘুণেধরা স্বপ্নবাসরে বসে

ঘন ঘন জন্ম দিচ্ছি

কবিতার

আর

গালিবকে দেখছি

বিচলিত হতে হতে

বিব্রত হতে হতে

অপ্রস্তুত হতে হতে

শায়েরির ভবিষ্যত উদ্বিগ্নতায়

শীতে কুঁকড়ে মুচড়ে যাওয়া

ছিন্নপত্র —

— হে গালিব,

এ খাঁচা ভেঙে কে মুক্ত করবে

তোমাকে?

(লকডাউনের ২য় দিন,)