ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার হাওরে দুর্যোগ : কী হবে বিচার চাহিয়া বন্ধু আর আব্বুকে নিয়ে ব্রাজিলের খেলা দেখতেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এসেছি ৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে

ফুলের গন্ধ শুঁকে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তরুণীর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১
  • ২৪৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বড় হলুদ রঙের ফুলটা দেখতে আর দশটা সাধারণত ফুলের মতো। কিন্তু এই ফুলেই যে রয়েছে মারাত্মক বিষ যা ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ড্রাগ’ হিসেবে পরিচিত তা কে জানত। নিরীহ দর্শন ওই ফুলের গন্ধ শুঁকেই বিপাকে পড়েছেন টিকটক ব্যবহারকারী এক তরুণী।

এনডিটিভি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাফেলা ওয়েম্যান নামে কানাডার টরেন্টোর বাসিন্দা ওই তরুণী তার বন্ধুর সাথে হাঁটছিলেন। এ সময় রাস্তার পাশে ফুটে থাকা হলুদ রঙের ওই ফুল তাদের নজর কাড়ে। ফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে তারা এর গন্ধ নেন। এরপর থেকেই তাদের খারাপ লাগা শুরু হয়।

ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম টিকটকে শেয়ার করা এক ভিডিওতে রাফেলা জানিয়েছেন, ওই অবস্থায় আমরা আমাদের এক বন্ধুর জন্মদিন অনুষ্ঠানে যাই। কিন্তু আমাদের এতো খারাপ লাগছিল যে বাসায় চলে আসি।

ইনস্টাগ্রামেও এ নিয়ে ভিডিও আর ছবি শেয়ার করেছেন রাফেলা। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে মনে হচ্ছিল আমি দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি পাচ্ছি না। বাড়ি এসে আমি একদম বেহুঁশের মতো হয়ে যাই। মনে হচ্ছিল কেউ কালো পোশাক পরে আমার ঘরে ঢুকেছে। আর ঠিক আমার পাশে বসে আমাকে এমন এক ইঞ্জেকশন দিয়েছে যে আমি কথা বলতে, চিৎকার করতে এমনকি নড়তেও পারছিলাম না। ঘুমের মধ্যে দেখছিলাম ভয়াবহ সব দুঃস্বপ্ন।

তবে আশার কথা হলো এই লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছেন রাফেলা।
তবে রাস্তার পাশে যেকোনো ফুল দেখতেই ছুটে গিয়ে গন্ধ শুঁকতে বারণ করেছেন তিনি।
জানা গেছে, রাফেলা যে ফুলের গন্ধ শুঁকেছিলেন তা অ্যাঞ্জেল’স ট্রাম্পেট নামে পরিচিত।

এই ফুলে আছে অ্যাট্রোপাইন, হায়োসাইসামিন ও স্কোপোলামাইনের মতো মারাত্মক বিষ। অত্যন্ত বিপজ্জনক ড্রাগ হিসেবে কুখ্যাতি থাকায় স্কোপোলামাইন ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ হিসেবেও পরিচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফুলের গন্ধ শুঁকে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তরুণীর

আপডেট টাইম : ১০:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বড় হলুদ রঙের ফুলটা দেখতে আর দশটা সাধারণত ফুলের মতো। কিন্তু এই ফুলেই যে রয়েছে মারাত্মক বিষ যা ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ড্রাগ’ হিসেবে পরিচিত তা কে জানত। নিরীহ দর্শন ওই ফুলের গন্ধ শুঁকেই বিপাকে পড়েছেন টিকটক ব্যবহারকারী এক তরুণী।

এনডিটিভি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাফেলা ওয়েম্যান নামে কানাডার টরেন্টোর বাসিন্দা ওই তরুণী তার বন্ধুর সাথে হাঁটছিলেন। এ সময় রাস্তার পাশে ফুটে থাকা হলুদ রঙের ওই ফুল তাদের নজর কাড়ে। ফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে তারা এর গন্ধ নেন। এরপর থেকেই তাদের খারাপ লাগা শুরু হয়।

ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম টিকটকে শেয়ার করা এক ভিডিওতে রাফেলা জানিয়েছেন, ওই অবস্থায় আমরা আমাদের এক বন্ধুর জন্মদিন অনুষ্ঠানে যাই। কিন্তু আমাদের এতো খারাপ লাগছিল যে বাসায় চলে আসি।

ইনস্টাগ্রামেও এ নিয়ে ভিডিও আর ছবি শেয়ার করেছেন রাফেলা। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে মনে হচ্ছিল আমি দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি পাচ্ছি না। বাড়ি এসে আমি একদম বেহুঁশের মতো হয়ে যাই। মনে হচ্ছিল কেউ কালো পোশাক পরে আমার ঘরে ঢুকেছে। আর ঠিক আমার পাশে বসে আমাকে এমন এক ইঞ্জেকশন দিয়েছে যে আমি কথা বলতে, চিৎকার করতে এমনকি নড়তেও পারছিলাম না। ঘুমের মধ্যে দেখছিলাম ভয়াবহ সব দুঃস্বপ্ন।

তবে আশার কথা হলো এই লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছেন রাফেলা।
তবে রাস্তার পাশে যেকোনো ফুল দেখতেই ছুটে গিয়ে গন্ধ শুঁকতে বারণ করেছেন তিনি।
জানা গেছে, রাফেলা যে ফুলের গন্ধ শুঁকেছিলেন তা অ্যাঞ্জেল’স ট্রাম্পেট নামে পরিচিত।

এই ফুলে আছে অ্যাট্রোপাইন, হায়োসাইসামিন ও স্কোপোলামাইনের মতো মারাত্মক বিষ। অত্যন্ত বিপজ্জনক ড্রাগ হিসেবে কুখ্যাতি থাকায় স্কোপোলামাইন ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ হিসেবেও পরিচিত।