ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে আরো এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ, অবস্থান ১৫২তম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ২৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে আরো এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। এ বছর ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১৫২তম অবস্থানে। গত বছর ছিল ১৫১তম স্থানে। প্রতি বছর এ সূচক প্রকাশ করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করা ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)। এবার সূচকের প্রথম স্থানে রয়েছে নরওয়ে আর সবার থেকে খারাপ অবস্থা আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সূচকটি প্রকাশ করা হয়।

এবছর তালিকায় প্রথমে থাকা দেশগুলো হচ্ছে, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও কোস্টারিকা। আর সবথেকে খারাপ অবস্থা ইরিত্রিয়া, উত্তর কোরিয়া, তুর্কেমেনিস্তান, চীন ও জিবুতি।

আরো বলা বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের দমন-পীড়ন ও নির্যাতন করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া, গত বছরে ইরান, সৌদি আরব, মিশর ও সিরিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে খর্ব হয়েছে। এসব অঞ্চল এখন পর্যন্ত সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন ও ভয়ংকর জায়গা।

আরএসএফ জানিয়েছে, ১৮০টি দেশের মধ্যে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ দেশেই নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে সাংবাদিকতা করতে হয়। এতে আরো জানানো হয়, বিশ্বের ৭৩টি দেশে সাংবাদিকতা পুরোপুরি অথবা ভয়াবহভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার। এ ছাড়াও, ৫৯টি দেশে রয়েছে কঠোর বিধি-নিষেধ। করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে অনেক দেশের সরকার সাংবাদিকতার ওপর দমন-পীড়নের মাত্রাও বাড়িয়েছে। সামগ্রিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় আরএসএফের সেক্রেটারি ক্রিস্টোফ ডিলোয়ার একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, গুজবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী হলো সাংবাদিকতা। তবে দুর্ভাগ্যবশত প্রায়ই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, কারিগরি এমনকি মাঝে-মধ্যে সাংস্কৃতিক কারণেও এটি বাঁধার মুখে পড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে আরো এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ, অবস্থান ১৫২তম

আপডেট টাইম : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে আরো এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। এ বছর ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১৫২তম অবস্থানে। গত বছর ছিল ১৫১তম স্থানে। প্রতি বছর এ সূচক প্রকাশ করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করা ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)। এবার সূচকের প্রথম স্থানে রয়েছে নরওয়ে আর সবার থেকে খারাপ অবস্থা আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সূচকটি প্রকাশ করা হয়।

এবছর তালিকায় প্রথমে থাকা দেশগুলো হচ্ছে, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও কোস্টারিকা। আর সবথেকে খারাপ অবস্থা ইরিত্রিয়া, উত্তর কোরিয়া, তুর্কেমেনিস্তান, চীন ও জিবুতি।

আরো বলা বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের দমন-পীড়ন ও নির্যাতন করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া, গত বছরে ইরান, সৌদি আরব, মিশর ও সিরিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে খর্ব হয়েছে। এসব অঞ্চল এখন পর্যন্ত সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন ও ভয়ংকর জায়গা।

আরএসএফ জানিয়েছে, ১৮০টি দেশের মধ্যে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ দেশেই নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে সাংবাদিকতা করতে হয়। এতে আরো জানানো হয়, বিশ্বের ৭৩টি দেশে সাংবাদিকতা পুরোপুরি অথবা ভয়াবহভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার। এ ছাড়াও, ৫৯টি দেশে রয়েছে কঠোর বিধি-নিষেধ। করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে অনেক দেশের সরকার সাংবাদিকতার ওপর দমন-পীড়নের মাত্রাও বাড়িয়েছে। সামগ্রিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় আরএসএফের সেক্রেটারি ক্রিস্টোফ ডিলোয়ার একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, গুজবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী হলো সাংবাদিকতা। তবে দুর্ভাগ্যবশত প্রায়ই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, কারিগরি এমনকি মাঝে-মধ্যে সাংস্কৃতিক কারণেও এটি বাঁধার মুখে পড়ছে।