ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

মন্ত্রশক্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • ৩০৯ বার

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

লাল সবুজের নিশান ছিল

মুঠোর মধ্যে ধরা

হৃদয় জুড়ে কানায় কানায়

বাংলাদেশটা ভরা।

স্বাধীনতার মিছিল থেকে

বন্দী হলো লোকটা

বেয়োনেটের খোঁচায় গেলো

আগুন-ঝরা চোখটা।

গ্রাম শহর সব ধ্বংস হলো

পাকসেনাদের হাতে

চারিদিকে আগুন খেলা

সকাল দুপুর রাতে।

দালান-কোঠা,

পাখপাখালি

ফুল পাতা সব লাল!

পুরুষ হবে লাশ,

বাকিসব

গনিমতের মাল।

খালের পাড়ে,

বিলেঝিলে

রইলো পড়ে খুলি!

হাটে মাঠে রক্ত ভাসে

ফুরায় নাতো গুলি।

চোখ হারানো সেই লোাকটা

বন্দিশালায় ধুঁকে,

‘চোখ গিয়েছে, প্রাণও দিবো

বাংলা থাকুক সুখে।‘

নির্যাতন আর অনাহারে

শক্তি নেইকো মোটে,

বাংলা মায়ের মন্ত্রজপে

সর্বশক্তি জোটে।

কামান-মর্টার নেই তাতে কি,

মন্ত্রে ভাঙুক বাঁধ

কন্ঠে তোলে– ‘জয় বাংলা’

কাঁপিয়ে তুলে ছাদ;

পাকসেনাটা আসলো তেড়ে

রামদা দিয়ে কোপ

ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোয়—

দেয়ালে ছোপ ছোপ।

বাংলা মায়ের দামাল ছেলের

কব্জি হলো কাটা,

তবুও প্রাণের নিশান অটুট

কাটা মুঠোয় সাঁটা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

মন্ত্রশক্তি

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

লাল সবুজের নিশান ছিল

মুঠোর মধ্যে ধরা

হৃদয় জুড়ে কানায় কানায়

বাংলাদেশটা ভরা।

স্বাধীনতার মিছিল থেকে

বন্দী হলো লোকটা

বেয়োনেটের খোঁচায় গেলো

আগুন-ঝরা চোখটা।

গ্রাম শহর সব ধ্বংস হলো

পাকসেনাদের হাতে

চারিদিকে আগুন খেলা

সকাল দুপুর রাতে।

দালান-কোঠা,

পাখপাখালি

ফুল পাতা সব লাল!

পুরুষ হবে লাশ,

বাকিসব

গনিমতের মাল।

খালের পাড়ে,

বিলেঝিলে

রইলো পড়ে খুলি!

হাটে মাঠে রক্ত ভাসে

ফুরায় নাতো গুলি।

চোখ হারানো সেই লোাকটা

বন্দিশালায় ধুঁকে,

‘চোখ গিয়েছে, প্রাণও দিবো

বাংলা থাকুক সুখে।‘

নির্যাতন আর অনাহারে

শক্তি নেইকো মোটে,

বাংলা মায়ের মন্ত্রজপে

সর্বশক্তি জোটে।

কামান-মর্টার নেই তাতে কি,

মন্ত্রে ভাঙুক বাঁধ

কন্ঠে তোলে– ‘জয় বাংলা’

কাঁপিয়ে তুলে ছাদ;

পাকসেনাটা আসলো তেড়ে

রামদা দিয়ে কোপ

ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোয়—

দেয়ালে ছোপ ছোপ।

বাংলা মায়ের দামাল ছেলের

কব্জি হলো কাটা,

তবুও প্রাণের নিশান অটুট

কাটা মুঠোয় সাঁটা।