ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব সাখাওয়াৎ হোসেন প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক জব্দ করা জাহাজে ইরানের জন্য ‘উপহার’ পাঠাচ্ছিল চীন, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে চীনের সহযোগিতা কামনা বিএনপির ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস গায়িকা-নায়িকাদের শো পিস না বানিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়ন, বিএনপিকে লাল সালাম বাড়ছে নদীর পানি : কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার অনুরোধ সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের বেতন কত, আরও যেসব সুবিধা পান সরকার কৃত্রিম সংকট বা কারসাজি বরদাশত করবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্ত্রশক্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • ৩০১ বার

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

লাল সবুজের নিশান ছিল

মুঠোর মধ্যে ধরা

হৃদয় জুড়ে কানায় কানায়

বাংলাদেশটা ভরা।

স্বাধীনতার মিছিল থেকে

বন্দী হলো লোকটা

বেয়োনেটের খোঁচায় গেলো

আগুন-ঝরা চোখটা।

গ্রাম শহর সব ধ্বংস হলো

পাকসেনাদের হাতে

চারিদিকে আগুন খেলা

সকাল দুপুর রাতে।

দালান-কোঠা,

পাখপাখালি

ফুল পাতা সব লাল!

পুরুষ হবে লাশ,

বাকিসব

গনিমতের মাল।

খালের পাড়ে,

বিলেঝিলে

রইলো পড়ে খুলি!

হাটে মাঠে রক্ত ভাসে

ফুরায় নাতো গুলি।

চোখ হারানো সেই লোাকটা

বন্দিশালায় ধুঁকে,

‘চোখ গিয়েছে, প্রাণও দিবো

বাংলা থাকুক সুখে।‘

নির্যাতন আর অনাহারে

শক্তি নেইকো মোটে,

বাংলা মায়ের মন্ত্রজপে

সর্বশক্তি জোটে।

কামান-মর্টার নেই তাতে কি,

মন্ত্রে ভাঙুক বাঁধ

কন্ঠে তোলে– ‘জয় বাংলা’

কাঁপিয়ে তুলে ছাদ;

পাকসেনাটা আসলো তেড়ে

রামদা দিয়ে কোপ

ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোয়—

দেয়ালে ছোপ ছোপ।

বাংলা মায়ের দামাল ছেলের

কব্জি হলো কাটা,

তবুও প্রাণের নিশান অটুট

কাটা মুঠোয় সাঁটা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি

মন্ত্রশক্তি

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

পরীক্ষিত চৌধুরীঃ 

লাল সবুজের নিশান ছিল

মুঠোর মধ্যে ধরা

হৃদয় জুড়ে কানায় কানায়

বাংলাদেশটা ভরা।

স্বাধীনতার মিছিল থেকে

বন্দী হলো লোকটা

বেয়োনেটের খোঁচায় গেলো

আগুন-ঝরা চোখটা।

গ্রাম শহর সব ধ্বংস হলো

পাকসেনাদের হাতে

চারিদিকে আগুন খেলা

সকাল দুপুর রাতে।

দালান-কোঠা,

পাখপাখালি

ফুল পাতা সব লাল!

পুরুষ হবে লাশ,

বাকিসব

গনিমতের মাল।

খালের পাড়ে,

বিলেঝিলে

রইলো পড়ে খুলি!

হাটে মাঠে রক্ত ভাসে

ফুরায় নাতো গুলি।

চোখ হারানো সেই লোাকটা

বন্দিশালায় ধুঁকে,

‘চোখ গিয়েছে, প্রাণও দিবো

বাংলা থাকুক সুখে।‘

নির্যাতন আর অনাহারে

শক্তি নেইকো মোটে,

বাংলা মায়ের মন্ত্রজপে

সর্বশক্তি জোটে।

কামান-মর্টার নেই তাতে কি,

মন্ত্রে ভাঙুক বাঁধ

কন্ঠে তোলে– ‘জয় বাংলা’

কাঁপিয়ে তুলে ছাদ;

পাকসেনাটা আসলো তেড়ে

রামদা দিয়ে কোপ

ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোয়—

দেয়ালে ছোপ ছোপ।

বাংলা মায়ের দামাল ছেলের

কব্জি হলো কাটা,

তবুও প্রাণের নিশান অটুট

কাটা মুঠোয় সাঁটা।