ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

লকডাউনের অজুহাতে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে, স্থিতিশীল অন্যান্য পণ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১
  • ২৯২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ লকডাউনের পঞ্চম দিন রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে বেড়েছে শাক-সবজির দাম। সবজিভেদে কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা এবং আঁটিপ্রতি শাক ১০-১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শুক্রাবাদ, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

 বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে আলু, টমেটো, গোল ও লম্বা বেগুন, করলা,পটল, লাউ, মটরশুঁটি, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙাসহ প্রায় সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এছাড়া পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক ও কচু শাকসহ সব ধরনের শাকের দামও বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল, আটা, লবণ, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে শাক-সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সরবরাহ ঠিক থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৫০, গোল বেগুন ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০, করলা ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৪৫-৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে কেজি ৩৫ টাকা, শসা ৫০ টাকা, গাজর ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শজনে ডাটা ৭০ টাকা, বরবটি ৬৫-৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া আকারভেদে ৯০-১০০ টাকা। কচুর লতির আঁটি ৪৫-৫০ টাকা, ঢেঁড়শ প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহেও এসব সবজির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কম ছিল।

নিউমার্কেট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা চন্দন রায় বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে শুক্রবারসহ ছুটির দিনে পাইকারি বাজারেই দাম বেশি থাকে। তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে পণ্য পরিবহনে বাড়তি খরচ হচ্ছে। ফলে সেই প্রভাবেও দাম বেড়েছে।

এদিকে কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কমেছে সব ধরনের মুরগির দাম। আজ প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ব্রিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয় ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে। এছাড়া লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২০ টাকায়। যা আগে ছিল ২৪০-২৫০ টাকায়। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৫০ টাকায়। যা আগে বিক্রি হয় ৩৪০-৩৫০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া গরুর মাংস ৬০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লকডাউনের অজুহাতে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে, স্থিতিশীল অন্যান্য পণ্য

আপডেট টাইম : ১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ লকডাউনের পঞ্চম দিন রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে বেড়েছে শাক-সবজির দাম। সবজিভেদে কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা এবং আঁটিপ্রতি শাক ১০-১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শুক্রাবাদ, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

 বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে আলু, টমেটো, গোল ও লম্বা বেগুন, করলা,পটল, লাউ, মটরশুঁটি, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙাসহ প্রায় সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এছাড়া পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক ও কচু শাকসহ সব ধরনের শাকের দামও বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, তেল, আটা, লবণ, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে শাক-সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সরবরাহ ঠিক থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৫০, গোল বেগুন ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০, করলা ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৪৫-৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে কেজি ৩৫ টাকা, শসা ৫০ টাকা, গাজর ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শজনে ডাটা ৭০ টাকা, বরবটি ৬৫-৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া আকারভেদে ৯০-১০০ টাকা। কচুর লতির আঁটি ৪৫-৫০ টাকা, ঢেঁড়শ প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহেও এসব সবজির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কম ছিল।

নিউমার্কেট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা চন্দন রায় বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে শুক্রবারসহ ছুটির দিনে পাইকারি বাজারেই দাম বেশি থাকে। তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে পণ্য পরিবহনে বাড়তি খরচ হচ্ছে। ফলে সেই প্রভাবেও দাম বেড়েছে।

এদিকে কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কমেছে সব ধরনের মুরগির দাম। আজ প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ব্রিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয় ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে। এছাড়া লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২০ টাকায়। যা আগে ছিল ২৪০-২৫০ টাকায়। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৫০ টাকায়। যা আগে বিক্রি হয় ৩৪০-৩৫০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া গরুর মাংস ৬০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।